বিশ্লেষণ
মারুফ ইসলাম

কয়েক সপ্তাহের আলোচনা এক প্রকার ভেস্তেই গেল। ইরানে যৌথভাবে হামলা করেই বসল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এবারের হামলাটি ইরাক যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক হামলা।
গত বছর ‘১২ দিনের যুদ্ধ’ চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরান। আজকের হামলাকে সেই ১২ দিনের যুদ্ধের ধারাবাহিকতাই মনে করা হচ্ছে। ওই সময় তেহরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ইসরায়েলের বিমান অভিযানে সরাসরি যোগ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবারও তেমন ঘটনাই ঘটতে যাচ্ছে। প্রথমে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
গত বছরের হামলাকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘সীমিত হামলা’ বলেছিলেন। তবে সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, এবারের হামলা মোটেও ‘সীমিত’ কোনো হামলা নয়।
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এই হামলাকে ‘হুমকি মোকাবিলার পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকেই ইরানকে ঘিরে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বিশাল সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে রয়েছে দুটি বিমানবাহী রণতরী (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার), ক্ষেপণাস্ত্রবাহী বেশ কিছু ডেস্ট্রয়ার, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
হামলার পাশাপাশি ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনার জন্য দূতও পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করতে বলেন। তেহরান তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা নতুন করে পুনর্গঠন করছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
এ ছাড়া গত মাসে ইরানজুড়ে যখন সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছিল, তখন বিক্ষোভকারীদের হত্যা না করার বিষয়ে তেহরানকে সতর্ক করেছিলেন ট্রাম্প।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, সর্বশেষ এই হামলাটি গত জুনের হামলার তুলনায় অনেক বেশি ব্যাপক। জুনের আক্রমণে মাত্র কয়েকটি নির্দিষ্ট পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত করা হয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্যের আরব মিত্র দেশগুলো ওয়াশিংটনকে নতুন করে হামলা না চালানোর জন্য বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও এই আক্রমণ চালানো হলো। ইরান আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, এবার হামলা হলে তারা আরও কঠোর ও আক্রমণাত্মকভাবে প্রতিশোধ নেবে।
ইরানে এই মার্কিন হামলার পরপরই খোদ আমেরিকার ভেতরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের কিছু সদস্য এই সামরিক অভিযানের আগে সংসদের অনুমোদনের জন্য ভোটাভুটির দাবি তুলেছেন।
কেন্টাকির রিপাবলিকান প্রতিনিধি টমাস ম্যাসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এসব পদক্ষেপ মূলত যুদ্ধেরই শামিল’।
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসরায়েলের ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কিছুক্ষণ আগে ইরান থেকে ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে আইডিএফ।
আইডিএফ তাদের বিবৃতিতে আরও বলেছে, এই মুহূর্তে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় স্থানে আক্রমণ ও প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যে দেশটির হামলায় আবুধাবিতে একজন নিহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। এছাড়া, অন্য দেশগুলোও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা জানিয়েছে।
সিএনএন বলছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে ইরান। এর আগে কখনো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এমন হামলা দেখা যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলার পর কাতারের দোহার রাস্তা থেকে শুরু করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বিস্ফোরণের মুহুর্মুহু শব্দ শোনা যায়।
পরিস্থিতি খুব দ্রুতই বদলাচ্ছে। তাই বিস্ফোরণের শব্দগুলো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের নাকি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কারণে হচ্ছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিস্ফোরণের কারণ স্পষ্ট না হলেও এটা স্পষ্ট যে, ইরান সরকার এই মুহূর্তটিকে অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে দেখছে। তারা দ্রুত ও আক্রমণাত্মকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালিয়ে দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ধ্বংস করেছিল, যা পাল্টা হামলার সক্ষমতা দুর্বল করে দিয়েছিল। এবার ইরান হয়তো তার অবশিষ্ট অস্ত্রভাণ্ডার থাকতে থাকতেই ব্যবহার করে নিতে চাইছে।
এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চালানো নজিরবিহীন এই হামলায় এটাও স্পষ্ট যে, ইরানি শাসকরা প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের কথা ভাবছে না। যেকোনো মূল্যে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে শাস্তি দিতে চাইছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এমন যেকোনো দেশই এখন লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সামনে হয়তো আরও দেশ এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, সংঘাত খুব শিগগিরই পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কয়েক সপ্তাহের আলোচনা এক প্রকার ভেস্তেই গেল। ইরানে যৌথভাবে হামলা করেই বসল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এবারের হামলাটি ইরাক যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক হামলা।
গত বছর ‘১২ দিনের যুদ্ধ’ চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরান। আজকের হামলাকে সেই ১২ দিনের যুদ্ধের ধারাবাহিকতাই মনে করা হচ্ছে। ওই সময় তেহরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ইসরায়েলের বিমান অভিযানে সরাসরি যোগ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবারও তেমন ঘটনাই ঘটতে যাচ্ছে। প্রথমে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
গত বছরের হামলাকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘সীমিত হামলা’ বলেছিলেন। তবে সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, এবারের হামলা মোটেও ‘সীমিত’ কোনো হামলা নয়।
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এই হামলাকে ‘হুমকি মোকাবিলার পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকেই ইরানকে ঘিরে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বিশাল সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে রয়েছে দুটি বিমানবাহী রণতরী (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার), ক্ষেপণাস্ত্রবাহী বেশ কিছু ডেস্ট্রয়ার, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
হামলার পাশাপাশি ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনার জন্য দূতও পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করতে বলেন। তেহরান তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা নতুন করে পুনর্গঠন করছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
এ ছাড়া গত মাসে ইরানজুড়ে যখন সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছিল, তখন বিক্ষোভকারীদের হত্যা না করার বিষয়ে তেহরানকে সতর্ক করেছিলেন ট্রাম্প।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, সর্বশেষ এই হামলাটি গত জুনের হামলার তুলনায় অনেক বেশি ব্যাপক। জুনের আক্রমণে মাত্র কয়েকটি নির্দিষ্ট পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত করা হয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্যের আরব মিত্র দেশগুলো ওয়াশিংটনকে নতুন করে হামলা না চালানোর জন্য বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও এই আক্রমণ চালানো হলো। ইরান আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, এবার হামলা হলে তারা আরও কঠোর ও আক্রমণাত্মকভাবে প্রতিশোধ নেবে।
ইরানে এই মার্কিন হামলার পরপরই খোদ আমেরিকার ভেতরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের কিছু সদস্য এই সামরিক অভিযানের আগে সংসদের অনুমোদনের জন্য ভোটাভুটির দাবি তুলেছেন।
কেন্টাকির রিপাবলিকান প্রতিনিধি টমাস ম্যাসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এসব পদক্ষেপ মূলত যুদ্ধেরই শামিল’।
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসরায়েলের ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কিছুক্ষণ আগে ইরান থেকে ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে আইডিএফ।
আইডিএফ তাদের বিবৃতিতে আরও বলেছে, এই মুহূর্তে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় স্থানে আক্রমণ ও প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যে দেশটির হামলায় আবুধাবিতে একজন নিহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। এছাড়া, অন্য দেশগুলোও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা জানিয়েছে।
সিএনএন বলছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে ইরান। এর আগে কখনো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এমন হামলা দেখা যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলার পর কাতারের দোহার রাস্তা থেকে শুরু করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বিস্ফোরণের মুহুর্মুহু শব্দ শোনা যায়।
পরিস্থিতি খুব দ্রুতই বদলাচ্ছে। তাই বিস্ফোরণের শব্দগুলো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের নাকি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কারণে হচ্ছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিস্ফোরণের কারণ স্পষ্ট না হলেও এটা স্পষ্ট যে, ইরান সরকার এই মুহূর্তটিকে অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে দেখছে। তারা দ্রুত ও আক্রমণাত্মকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালিয়ে দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ধ্বংস করেছিল, যা পাল্টা হামলার সক্ষমতা দুর্বল করে দিয়েছিল। এবার ইরান হয়তো তার অবশিষ্ট অস্ত্রভাণ্ডার থাকতে থাকতেই ব্যবহার করে নিতে চাইছে।
এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চালানো নজিরবিহীন এই হামলায় এটাও স্পষ্ট যে, ইরানি শাসকরা প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের কথা ভাবছে না। যেকোনো মূল্যে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে শাস্তি দিতে চাইছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এমন যেকোনো দেশই এখন লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সামনে হয়তো আরও দেশ এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, সংঘাত খুব শিগগিরই পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তবে কৃষক কার্ডের ধারণা বিশ্বে নতুন নয়। একুশ শতকে কৃষি কেবল আর লাঙ্গল-জোয়ালের মধ্যে আটকে নেই। প্রযুক্তি আর ডিজিটাল বিপ্লবের ছোঁয়া লেগেছে মাঠে-ঘাটেও। বিশ্বের অনেক দেশ অনেক আগেই তাদের কৃষকদের জন্য এমন কার্ড বা ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের বন্দরনগরী গওয়াদারে সদ্য নিয়োগ পাওয়া একদল প্রশাসনিক কর্মকর্তার সঙ্গে সাম্প্রতিক এক আলোচনায় বেলুচিস্তানের কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাহাত নাদিম আহমেদ খান জানতে চান, কোন কোন কারণ শিক্ষিত তরুণীদের মধ্যে সশস্ত্র আন্দোলনের প্রতি ঝোঁক তৈরি করছে।
৬ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে মানিয়ে চলতে চলতে ইরান অভ্যস্ত হয়ে গেছে। যুদ্ধের মধ্যেও তাদের অর্থনীতি সচল রয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের অবরোধ ইরানের অর্থনীতিতে বড় রকমের ধাক্কা দিতে পারে।
১ দিন আগে
গত সপ্তাহে বিশ্ববাজার আশাবাদী ছিল। তারা ভেবেছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা হয়তো বিশ্ব অর্থনীতিতে চলা ছয় সপ্তাহের বিশৃঙ্খলার অবসান ঘটাবে। কিন্তু ট্রাম্পের নতুন হুমকি বিশ্ববাজারকে আবারও এক অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
২ দিন আগে