বিপৎসীমার ওপর তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ২৩: ০৫
তিস্তা ব্যারেজ। ছবি: উইকিপিডিয়া

লালমনিরহাটের তিস্তা নদীতে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার বেলা তিনটা থেকে হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর অতিক্রম করেছে, এতে জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টিপাত না থাকলেও উজানে ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক শূন্য মিটার, যা বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার থেকে ১৫ সেন্টিমিটার নিচে। ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে পানি বেড়ে বেলা ৩টায় ৫২ দশমিক ১৬ মিটারে পৌঁছায়।
এ ভাবে পানি বাড়তে থাকলে দ্রুত বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে পাউবো। এরই মধ্যে নদী তীরবর্তী এলাকার ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। দুপুরের পর হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি চর ও নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকেছে। অনেক জায়গায় তলিয়ে গেছে পাকা ধান।

পাওবো সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, গঙ্গাধর নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও দুধকুমার নদের পানি দ্রুত বাড়ছে।

লালমনিরহাটের তিস্তা নদীতে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার বেলা তিনটা থেকে হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর অতিক্রম করে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টিপাত না থাকলেও উজানে ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক শূন্য মিটার, যা বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার থেকে ১৫ সেন্টিমিটার নিচে। ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে পানি বেড়ে বেলা ৩টায় ৫২ দশমিক ১৬ মিটারে পৌঁছায়।
এ ভাবে পানি বাড়তে থাকলে দ্রুত বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে পাউবো। এরই মধ্যে নদী তীরবর্তী এলাকার ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। দুপুরের পর হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি চর ও নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকেছে। অনেক জায়গায় তলিয়ে গেছে পাকা ধান।

পাওবো সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, গঙ্গাধর নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও দুধকুমার নদের পানি দ্রুত বাড়ছে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত