মঞ্চে না ডাকায় চলে গেলেন বিএনপি ও জামায়াত নেতারা

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
সাতক্ষীরা

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২৩: ০৬
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ পরিবার ও আহতদের সম্মাননা দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ পরিবার ও আহতদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মঞ্চে না ডাকায় অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন বিএনপি ও জামায়াত নেতারা।

বুধবার (৫ আগস্ট) জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের অভিযোগ, তাদের উপেক্ষা করায় তারা অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। তবে জেলা প্রশাসন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

অনুষ্ঠানে চারজন শহীদ পরিবারের মধ্যে মাথাপিছু ১ হাজার ৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং আহতদের মাথাপিছু ৫০০ টাকার প্রাইজবন্ড দেওয়া হয়। চারজন শহীদ পরিবারসহ সর্বমোট ১০১ জনের মধ্যে প্রাইজবন্ড প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল ও সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমানসহ বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতারা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ বক্তব্য শেষ করার পর পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমকে মঞ্চে ডেকে নেওয়া হয়। গণঅভ্যুত্থানে শহীদ চারজনের পরিবার ও আহত ৯৭ জন জুলাই যোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদানের জন্য। উপস্থিত রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের কাউকেই এ সময় মঞ্চে ডাকা হয়নি।

আমন্ত্রিত রাজনৈতিক নেতাদের এভাবে উপেক্ষা করায় তাৎক্ষণিকভাবে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপি ও জামায়াত নেতারা তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

এ ব্যাপারে জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল বলেন, মঞ্চে না ডাকার ঘটনা সঠিক। যে কারণে রাজনৈতিক নেতারা সবাই চলে এসেছিলেন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাহমাতুল্লাহ পলাশ বলেন, এ ঘটনার পর জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাহেবের নেতৃত্বে আমরা সবাই অনুষ্ঠান থেকে চলে এসেছি।

এদিকে নেতাদের ক্ষোভ ও অনুষ্ঠান ত্যাগের বিষয়টি অস্বীকার করে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ জানান, রাজনৈতিক নেতারা কেউ অনুষ্ঠান ত্যাগ করে যাননি। সবাই শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, অনুষ্ঠানে চার শহীদ পরিবারের কাছে তিনি এবং পুলিশ সুপার সম্মাননা তুলে দিয়েছিলাম। আর আহতদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা সম্মানী তুলে দিয়েছেন।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত