স্ট্রিম সংবাদদাতা

যশোরের অভয়নগরে ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রণজিৎ বাওয়ালী মারা গেছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে অভয়নগর উপজেলার ডুমুরতলা গ্রামে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সংগ্রাম কমিটির সদস্যসচিব চৈতন্য কুমার পাল বলেন, ‘রণজিৎ বাওয়ালীর বাড়ি ছিল ভবদহ এলাকায় এবং তার বাড়িতেও এখনো জলাবদ্ধতা রয়েছে। আমৃত্যু তিনি এই এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও মানুষের মুক্তির লড়াই চালিয়ে গেছেন। স্থায়ী কোনো সমাধান দেখে যেতে না পারার গভীর বেদনা নিয়েই তাকে বিদায় নিতে হলো।’
বুধবার সন্ধ্যায় অভয়নগরের নওয়াপাড়া মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এর আগে লাল পতাকায় আবৃত মরদেহে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১ জুলাই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে (স্ট্রোক) আক্রান্ত হলে তাকে প্রথমে অভয়নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। রণজিৎ বাওয়ালী গত এক বছর ধরে দৃষ্টিহীন ছিলেন। জীবনের বড় একটা সময় ভবদহের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যুক্ত থাকা এই নেতা দুই মাস আগে গত ৬ মে তার সহধর্মিণীকে হারান।
রণজিৎ বাওয়ালী ছোটবেলা থেকেই বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এলাকায় কমরেড নুরুজ্জামান সরদারের সহযোগী হিসেবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে কমরেড মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে কেশবপুর এলাকায় যুদ্ধ করেন।
১৯৮৫ সালে ভবদহে জলাবদ্ধতা দেখা দিলে তৎকালীন আহ্বায়ক অমূল্য রতন বিশ্বাসের সঙ্গে জনমত গড়ে তোলেন তিনি। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে তিনি সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। চারণ কবি ও সুরকার হিসেবে বাংলা একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন তিনি।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, কমরেড তসলিম-উর-রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুল হামিদ, চৈতন্য কুমার পাল ও জিল্লুর রহমান ভিটু।

যশোরের অভয়নগরে ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রণজিৎ বাওয়ালী মারা গেছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে অভয়নগর উপজেলার ডুমুরতলা গ্রামে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সংগ্রাম কমিটির সদস্যসচিব চৈতন্য কুমার পাল বলেন, ‘রণজিৎ বাওয়ালীর বাড়ি ছিল ভবদহ এলাকায় এবং তার বাড়িতেও এখনো জলাবদ্ধতা রয়েছে। আমৃত্যু তিনি এই এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও মানুষের মুক্তির লড়াই চালিয়ে গেছেন। স্থায়ী কোনো সমাধান দেখে যেতে না পারার গভীর বেদনা নিয়েই তাকে বিদায় নিতে হলো।’
বুধবার সন্ধ্যায় অভয়নগরের নওয়াপাড়া মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এর আগে লাল পতাকায় আবৃত মরদেহে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১ জুলাই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে (স্ট্রোক) আক্রান্ত হলে তাকে প্রথমে অভয়নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। রণজিৎ বাওয়ালী গত এক বছর ধরে দৃষ্টিহীন ছিলেন। জীবনের বড় একটা সময় ভবদহের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যুক্ত থাকা এই নেতা দুই মাস আগে গত ৬ মে তার সহধর্মিণীকে হারান।
রণজিৎ বাওয়ালী ছোটবেলা থেকেই বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এলাকায় কমরেড নুরুজ্জামান সরদারের সহযোগী হিসেবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে কমরেড মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে কেশবপুর এলাকায় যুদ্ধ করেন।
১৯৮৫ সালে ভবদহে জলাবদ্ধতা দেখা দিলে তৎকালীন আহ্বায়ক অমূল্য রতন বিশ্বাসের সঙ্গে জনমত গড়ে তোলেন তিনি। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে তিনি সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। চারণ কবি ও সুরকার হিসেবে বাংলা একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন তিনি।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, কমরেড তসলিম-উর-রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুল হামিদ, চৈতন্য কুমার পাল ও জিল্লুর রহমান ভিটু।
.png)

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শুরুতে বিএনপির অন্তত চারজনের নাম সামনে এলেও এখন একজনকে ঘিরেই আলোচনা। এরমধ্যে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এতে জমে উঠেছে নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল, রাষ্ট্রপতি পদে কাকে বেছে নেবে ক্ষমতাসীনরা।
৮ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ভাড়াটিয়ার হাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক গৃহকর্ত্রী। হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পাওনা টাকার জন্য শরিফুল ইসলাম হিরা (৪০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগষ্ট) গোয়ালন্দ বাজারের তোরাই মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৯ ঘণ্টা আগে
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গভীর বন ছেড়ে অজগর প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসছে। শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের বনসংলগ্ন এলাকায় এসব অজগরের দেখা মিলছে। বাড়ির আঙিনা, হাঁস-মুরগির খামার, বাঁশঝাড়, চা-বাগান ও হাওড়ের আশপাশে অজগর পাওয়া যাচ্ছে। এতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।
৯ ঘণ্টা আগে