স্ট্রিম প্রতিবেদক

একই ব্যক্তিকে দুবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সুযোগ রেখে স্বাধীনতা পুরস্কার-সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী সংশোধন করেছে সরকার।
দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য এবার মনোনীত হয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত ডা. মো. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি আগেও এই পুরস্কার পেয়েছেন।
একই ব্যক্তিকে দুবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার রীতি নেই। এমন প্রেক্ষাপটে গতকাল রোববার (৮ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্বাধীনতা পুরস্কার-সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী সংশোধন করে।
এতে বলা হয়, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার বা অন্য কোনো জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার প্রদানের জন্য বিবেচনা করা হবে না। তবে শর্ত থাকে যে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই পুরস্কার প্রাপ্তির পর অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখলে অন্যূন ২৫ বছর পর ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া যাবে।
গত ৫ মার্চ স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করে সরকার। এতে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে ১৯৭৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়া আছে। তাতে দেখা যায়, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছিলেন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে অবদানের জন্য।
স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে পুরস্কার দিয়ে আসছে সরকার। পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

একই ব্যক্তিকে দুবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সুযোগ রেখে স্বাধীনতা পুরস্কার-সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী সংশোধন করেছে সরকার।
দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য এবার মনোনীত হয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত ডা. মো. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি আগেও এই পুরস্কার পেয়েছেন।
একই ব্যক্তিকে দুবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার রীতি নেই। এমন প্রেক্ষাপটে গতকাল রোববার (৮ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্বাধীনতা পুরস্কার-সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী সংশোধন করে।
এতে বলা হয়, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার বা অন্য কোনো জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার প্রদানের জন্য বিবেচনা করা হবে না। তবে শর্ত থাকে যে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই পুরস্কার প্রাপ্তির পর অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখলে অন্যূন ২৫ বছর পর ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া যাবে।
গত ৫ মার্চ স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করে সরকার। এতে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে ১৯৭৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়া আছে। তাতে দেখা যায়, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছিলেন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে অবদানের জন্য।
স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে পুরস্কার দিয়ে আসছে সরকার। পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

সারা দেশে সড়ক, সরকারি স্থাপনা বা জায়গায় থাকা গাছ কাটতে হলে নির্ধারিত কমিটির অনুমতি নিতে হবে। এমনকি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় থাকা গাছও এ নির্দেশনার বাইরে রাখা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাই কোর্ট।
২৮ মিনিট আগে
প্রবাসীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৪ দেশের ১৮ হাজার ৮৬৫ জন বাংলাদেশির জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রস্তুত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১ ঘণ্টা আগে
আগামী মে মাসে চার দিনব্যাপী জেলাপ্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সরকারের পাঁচ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টার নাম সংশোধন করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) নাম সংশোধন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে