স্ট্রিম প্রতিবেদক

পৌষসংক্রান্তি ঘিরে পুরান ঢাকায় সীমিত পরিসরে সাকরাইন উৎসব পালিত হচ্ছে। তবে, স্থানীয়দের মধ্যে চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর থেকে পুরান ঢাকায় পালিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসব। ঘুড়ি উড়োনোর মাধ্যমে উৎসবটি শুরু হয়। উৎসবটি আগামীকাল পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুরান ঢাকার লক্ষীবাজার, তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার ও সূত্রাপুর এলাকায় সাকরাইন উৎসব চলছে। দুপুর থেকে উড়ানো হয় ঘুড়ি। সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় গান বাজনাসহ আগুন খেলা। তবে, আগের মতো ব্যাপকতা দেখা যায়নি। সীমিত পরিসরেই আয়োজনটি করছেন স্থানীয় লোকজন।
সাকরাইন ঘিরে পুরান ঢাকায় ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করে সামাজিক সংগঠন ‘ঢাকাবাসী’। এবারও ঘুরি উৎসব ও সচেতনতামূলক র্যালি করেছে সংগঠনটি। র্যালিটির প্রতিপাদ্য ছিল, ‘ঢাকা শহরকে ভালোবাসুন, নিরাপদ আবাসন তৈরি করুন’।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকাবাসীর সভাপতি সকুর সালেক স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও সাকরাইন পালনে গত এক মাস ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে, গত কয়েকদিন ধরে পুরান ঢাকায় সাকরাইন-বিরোধী মিছিল হয়েছে। রাজনীতিকে ব্যাবহার করে পুরান ঢাকার সামাজিক রীতি বন্ধের ষড়যন্ত্র চলছে।’
সকুর সালেক আরও বলেন, ‘আগে ধুমধুম করে সাকরাইন উৎসব হলেও এবার খুব সীমিত পরিসরে আয়োজন হচ্ছে। যারা আয়োজন করেন, তাঁদের মধ্যে এক ধরনের চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে।’
পুরান ঢাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আনোয়ার স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও সাকরাইন উৎসব পালিত হচ্ছে। পুরান ঢাকার লক্ষীবাজার, তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার ও সূত্রাপুর এলাকায় আজ ঘুরি উড়ানো হয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকে বিভিন্ন আয়োজন হচ্ছে। এসব আয়োজন আগামীকালও চলবে। তবে আগের মতো আর ধুমধাম করে আয়োজনটি হচ্ছে না। বিভিন্ন কারণে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।’
হাজী আবদুস সালাম নামে এক বাসিন্দা স্ট্রিমকে বলেন, ‘স্থানীয়রা আজ সারা দিন ঘুড়ি উড়িয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকে বিভিন্ন আয়োজন শুরু হয়েছে। তবে আগের মতো আর কিছু নাই। এখন তো সময় বদলে গেছে, ফলে সীমিত পরিসরেই হচ্ছে সব।’
সতর্ক অবস্থানে পুলিশ
প্রতিবছর সাকরাইন উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকায় থাকে বিশেষ আয়োজন। এদিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে পুরান ঢাকায় ভিড় করেন সাধারণ মানুষ। ঘুড়ি ওড়ানোসহ উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেন তাঁরা। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ–অভ্যুত্থানের পর সাকরাইনকে ঘিরে স্থানীয়দের একটি অংশের প্রকাশ্য বিরোধিতা সামনে এসেছে। ফলে শতবর্ষী এই উৎসবের আয়োজন ও নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সাকরাইন নিষিদ্ধের দাবি করে গতকাল পুরান ঢাকায় মিছিল হয়েছে। সেই মিছিলে ‘সাকরাইন সাকরাইন, বয়কট বয়কট’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়েছে। আজও সাকরাইন-বিরোধী মিছিল হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়।
তবে, সাকরাইন ঘিরে এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। কোতোয়ালী থানার ওসি ফয়সাল আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘পুরান ঢাকায় সাকরাইন বিরোধী মিছিল হয়েছে, সে খবর আমরা পেয়েছি। এদিকে সীমিত পরিসরে সাকরাইন উদযাপন চলছে। অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা যেন না ঘটে, তাই বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।’

পৌষসংক্রান্তি ঘিরে পুরান ঢাকায় সীমিত পরিসরে সাকরাইন উৎসব পালিত হচ্ছে। তবে, স্থানীয়দের মধ্যে চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর থেকে পুরান ঢাকায় পালিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসব। ঘুড়ি উড়োনোর মাধ্যমে উৎসবটি শুরু হয়। উৎসবটি আগামীকাল পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুরান ঢাকার লক্ষীবাজার, তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার ও সূত্রাপুর এলাকায় সাকরাইন উৎসব চলছে। দুপুর থেকে উড়ানো হয় ঘুড়ি। সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় গান বাজনাসহ আগুন খেলা। তবে, আগের মতো ব্যাপকতা দেখা যায়নি। সীমিত পরিসরেই আয়োজনটি করছেন স্থানীয় লোকজন।
সাকরাইন ঘিরে পুরান ঢাকায় ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করে সামাজিক সংগঠন ‘ঢাকাবাসী’। এবারও ঘুরি উৎসব ও সচেতনতামূলক র্যালি করেছে সংগঠনটি। র্যালিটির প্রতিপাদ্য ছিল, ‘ঢাকা শহরকে ভালোবাসুন, নিরাপদ আবাসন তৈরি করুন’।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকাবাসীর সভাপতি সকুর সালেক স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও সাকরাইন পালনে গত এক মাস ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে, গত কয়েকদিন ধরে পুরান ঢাকায় সাকরাইন-বিরোধী মিছিল হয়েছে। রাজনীতিকে ব্যাবহার করে পুরান ঢাকার সামাজিক রীতি বন্ধের ষড়যন্ত্র চলছে।’
সকুর সালেক আরও বলেন, ‘আগে ধুমধুম করে সাকরাইন উৎসব হলেও এবার খুব সীমিত পরিসরে আয়োজন হচ্ছে। যারা আয়োজন করেন, তাঁদের মধ্যে এক ধরনের চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে।’
পুরান ঢাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আনোয়ার স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও সাকরাইন উৎসব পালিত হচ্ছে। পুরান ঢাকার লক্ষীবাজার, তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার ও সূত্রাপুর এলাকায় আজ ঘুরি উড়ানো হয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকে বিভিন্ন আয়োজন হচ্ছে। এসব আয়োজন আগামীকালও চলবে। তবে আগের মতো আর ধুমধাম করে আয়োজনটি হচ্ছে না। বিভিন্ন কারণে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।’
হাজী আবদুস সালাম নামে এক বাসিন্দা স্ট্রিমকে বলেন, ‘স্থানীয়রা আজ সারা দিন ঘুড়ি উড়িয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকে বিভিন্ন আয়োজন শুরু হয়েছে। তবে আগের মতো আর কিছু নাই। এখন তো সময় বদলে গেছে, ফলে সীমিত পরিসরেই হচ্ছে সব।’
সতর্ক অবস্থানে পুলিশ
প্রতিবছর সাকরাইন উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকায় থাকে বিশেষ আয়োজন। এদিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে পুরান ঢাকায় ভিড় করেন সাধারণ মানুষ। ঘুড়ি ওড়ানোসহ উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেন তাঁরা। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ–অভ্যুত্থানের পর সাকরাইনকে ঘিরে স্থানীয়দের একটি অংশের প্রকাশ্য বিরোধিতা সামনে এসেছে। ফলে শতবর্ষী এই উৎসবের আয়োজন ও নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সাকরাইন নিষিদ্ধের দাবি করে গতকাল পুরান ঢাকায় মিছিল হয়েছে। সেই মিছিলে ‘সাকরাইন সাকরাইন, বয়কট বয়কট’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়েছে। আজও সাকরাইন-বিরোধী মিছিল হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়।
তবে, সাকরাইন ঘিরে এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। কোতোয়ালী থানার ওসি ফয়সাল আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘পুরান ঢাকায় সাকরাইন বিরোধী মিছিল হয়েছে, সে খবর আমরা পেয়েছি। এদিকে সীমিত পরিসরে সাকরাইন উদযাপন চলছে। অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা যেন না ঘটে, তাই বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।’

মৌলভীবাজার শহরের সার্কিট হাউস এলাকায় সন্তানদের নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন ছোট ভাই। বুধবার (১১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
২ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করার প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে দীর্ঘ আইনি বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ঘটেছে সুপ্রিম কোর্টে।
৪১ মিনিট আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
সরকারি ছুটির দিনেও জ্বালানি তেলের ডিপো খোলার রাখার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিপিসি বলেছে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে