স্ট্রিম সংবাদদাতা

খুলনার বটিয়াঘাটায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কাজী রাশিদুল ইসলামকে (২১) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২ মে) দুপুরে নগরের লবণচরা থানা এলাকার সাচিবুনিয়া স্কুলভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আড়াই মাস আগে কাজী রাশিদুলের বাড়িতে হামলা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পরিবার। পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশাররফ হোসেন।
কাজী রাশিদুল উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকার কাজী আনিসুর রহমানের ছেলে। তিনি নগরের একটি ছাপাখানার কর্মচারী ছিলেন।
রাশিদুলের বাবা বলেন, চলতি বছরের ১৯ মার্চ তাদের বাড়িতে ঢুকে পরিবারের লোকজনকে গুলি করলে আহতের ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় জড়িত ব্যক্তিরাই তাঁর ছেলেকে হত্যা করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে ওসি জানান, কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তি রাশিদুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। বাড়ি থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরের স্কুলভিটা এলাকায় তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন রাশিদুলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে একটি মামলায় রাশিদুল কারাগারে যান। সেখানে ইমরান নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। সেই সূত্রে ইমরানের পরিবারের সঙ্গে রাশিদুলের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে ইমরানের স্ত্রীর সঙ্গে রাশিদুলের সম্পর্ক তৈরি হয়। প্রায় আট মাস আগে ইমরান আরেকটি মামলায় কারাগারে গেলে রাশিদুল ওই নারীকে বিয়ে করেন।
পরে গত ১৯ মার্চ একদল দুর্বৃত্ত রাশিদুলের বাড়িতে ঢুকে তাঁর বাবা, মা রঞ্জুয়ারা বেগম, বড় ভাই রাইছুল ইসলাম ও স্ত্রী ফাহিমাকে গুলিতে আহত করে। পরে তাঁদের খুমেক হাসপাতাল ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ওই সময় গুলিবিদ্ধ ফাহিমা বলেছিলেন, সাত থেকে আট মাস আগে তাঁর সাবেক স্বামী ইমরানের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি রাশেদুলকে বিয়ে করেন। ১৯ মার্চ ভোরে তাঁর সাবেক স্বামী লোকজন নিয়ে এসে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের ওপর গুলি চালান।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডে ইমরানের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। গত ১৯ মার্চের গুলির ঘটনায় ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পায়। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

খুলনার বটিয়াঘাটায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কাজী রাশিদুল ইসলামকে (২১) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২ মে) দুপুরে নগরের লবণচরা থানা এলাকার সাচিবুনিয়া স্কুলভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আড়াই মাস আগে কাজী রাশিদুলের বাড়িতে হামলা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পরিবার। পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশাররফ হোসেন।
কাজী রাশিদুল উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকার কাজী আনিসুর রহমানের ছেলে। তিনি নগরের একটি ছাপাখানার কর্মচারী ছিলেন।
রাশিদুলের বাবা বলেন, চলতি বছরের ১৯ মার্চ তাদের বাড়িতে ঢুকে পরিবারের লোকজনকে গুলি করলে আহতের ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় জড়িত ব্যক্তিরাই তাঁর ছেলেকে হত্যা করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে ওসি জানান, কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তি রাশিদুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। বাড়ি থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরের স্কুলভিটা এলাকায় তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন রাশিদুলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে একটি মামলায় রাশিদুল কারাগারে যান। সেখানে ইমরান নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। সেই সূত্রে ইমরানের পরিবারের সঙ্গে রাশিদুলের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে ইমরানের স্ত্রীর সঙ্গে রাশিদুলের সম্পর্ক তৈরি হয়। প্রায় আট মাস আগে ইমরান আরেকটি মামলায় কারাগারে গেলে রাশিদুল ওই নারীকে বিয়ে করেন।
পরে গত ১৯ মার্চ একদল দুর্বৃত্ত রাশিদুলের বাড়িতে ঢুকে তাঁর বাবা, মা রঞ্জুয়ারা বেগম, বড় ভাই রাইছুল ইসলাম ও স্ত্রী ফাহিমাকে গুলিতে আহত করে। পরে তাঁদের খুমেক হাসপাতাল ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ওই সময় গুলিবিদ্ধ ফাহিমা বলেছিলেন, সাত থেকে আট মাস আগে তাঁর সাবেক স্বামী ইমরানের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি রাশেদুলকে বিয়ে করেন। ১৯ মার্চ ভোরে তাঁর সাবেক স্বামী লোকজন নিয়ে এসে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের ওপর গুলি চালান।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডে ইমরানের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। গত ১৯ মার্চের গুলির ঘটনায় ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পায়। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ঢাকার অদূরে সাভারের পৌর ছাত্রদল নেতা রনি ইসলামের (২২) বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) সাভারের ছায়াবীথি মহল্লার একটি বাড়ি থেকে রিয়া মনি (২১) নামে তাঁর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে থেকেই পলাতক ওই ছাত্রদল নেতা।
২ ঘণ্টা আগে
মাদারীপুর সদর মডেল থানা থেকে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) রাতে ওই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। এ ঘটনা জড়িত সন্দেহে ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাক এলাকায় ভাগ্নের ডাকে একটি বিরোধের সালিস করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৪৫) নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক এক নেতা।
১১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে স্কুলশিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। রামিসার পরিবার, স্বজন ও প্রতিবেশীদের চাওয়া—রায় যেন দ্রুত কার্যকর হয়।
১২ ঘণ্টা আগে