স্ট্রিম প্রতিবেদক

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রতি নির্বাচনে কিছু মানুষ ভোট দিতে যায় না। এবার কিছু বেশি মানুষ ভোট দিতে যাবে কি না, এটা আমি বলতে পারব না। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। তবে এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে বলে আমার মনে হয়।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে কূটনৈতিক প্রতিবেদকদের সংগঠন ‘ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসেয়িশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব)’ আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। এমআরডিআইয়ের সহযোগিতায় ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিকাব) সদস্যদের জন্য নির্বাচনবিষয়ক দুদিনের এই কর্মশালার আয়োজন করে।
ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে প্রচার চালাচ্ছেন। সে ক্ষেত্রে সরকার সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারবে কি না– প্রশ্নে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বুঝে না বুঝে ‘না’ ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন হচ্ছিল। অনেকে না বুঝেই ‘না’ ভোটের পক্ষে। সরকার চায় যে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হোক– এটা খুব স্পষ্ট। সরকার এক বছরের বেশি সময় নিয়ে বিভিন্ন কমিশনের মাধ্যমে সংস্কারের প্রস্তাব তৈরি করেছে। সেটা বাস্তবায়ন করতে চায়।
তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’, ‘না’ ভোট নিয়ে সমস্যা যেটা ছিল জামায়াত, এনসিপি এবং আরও দু-একটি দল তারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছে। একটু অস্পষ্টতা (অ্যাম্বুগিউটি) ছিল বিএনপিকে নিয়ে। দু-একজন স্থানীয় নেতা ‘না’-এর পক্ষে বলছিলেন। ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বলছিলেন যে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা, তাদের কণ্ঠ জোরালো ছিল না বলে মনে হয়েছে। মানুষ সাধারণত তাদের দলের অবস্থান অনুসরণ করে ভোট দেয়। যেহেতু প্রধান দলগুলো এখন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে, আমি মনে করি এটি সহজেই পাস হবে।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান, বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের বিষয়ে পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন। এটিকে দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবেও উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, পাকিস্তান কখনো বলেনি তারা খেলবে না; তারা বলেছে, বিষয়টি বিবেচনা করবে। ভারতের মাটিতে না খেলার সিদ্ধান্ত আমাদের নিজস্ব। আর পাকিস্তান খেলবে কিনা, তা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার।
নির্বাচনে বিদেশিদের হস্তক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, প্রতিটি দেশেরই ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত কিছু ট্র্যাডিশন দাঁড়িয়ে যায়। ভারতে যেমন এক ধরনের ট্র্যাডিশন দাঁড়িয়ে গেছে। এখানেও এমন আছে। এটা কালচারের অংশ হয়ে গেছে যে এখানে যারা কূটনৈতিক কমিউনিটি আছেন, তারা এটা নিয়ে কথাবার্তা বলেন। এখানকার সমাজেরও একটি বড় অংশ চায় যে তারা (কূটনীতিক) কথা বলুক। কাজেই তিনি তাদের (কূটনীতিক) দোষ দিতে পারেন না। এটা সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বলেন, নিরাপদ নির্বাচনের স্বার্থে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা খুবই জরুরি। বিশেষ করে ডিজিটাল পরিসরে নারী প্রার্থী ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় জোর দেন তিনি।
ডিক্যাব সভাপতি একেএম মঈনুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন এমআরডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান, ডিক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা ইমরুল কায়েস প্রমুখ।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রতি নির্বাচনে কিছু মানুষ ভোট দিতে যায় না। এবার কিছু বেশি মানুষ ভোট দিতে যাবে কি না, এটা আমি বলতে পারব না। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। তবে এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে বলে আমার মনে হয়।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে কূটনৈতিক প্রতিবেদকদের সংগঠন ‘ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসেয়িশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব)’ আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। এমআরডিআইয়ের সহযোগিতায় ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিকাব) সদস্যদের জন্য নির্বাচনবিষয়ক দুদিনের এই কর্মশালার আয়োজন করে।
ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে প্রচার চালাচ্ছেন। সে ক্ষেত্রে সরকার সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারবে কি না– প্রশ্নে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বুঝে না বুঝে ‘না’ ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন হচ্ছিল। অনেকে না বুঝেই ‘না’ ভোটের পক্ষে। সরকার চায় যে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হোক– এটা খুব স্পষ্ট। সরকার এক বছরের বেশি সময় নিয়ে বিভিন্ন কমিশনের মাধ্যমে সংস্কারের প্রস্তাব তৈরি করেছে। সেটা বাস্তবায়ন করতে চায়।
তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’, ‘না’ ভোট নিয়ে সমস্যা যেটা ছিল জামায়াত, এনসিপি এবং আরও দু-একটি দল তারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছে। একটু অস্পষ্টতা (অ্যাম্বুগিউটি) ছিল বিএনপিকে নিয়ে। দু-একজন স্থানীয় নেতা ‘না’-এর পক্ষে বলছিলেন। ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বলছিলেন যে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা, তাদের কণ্ঠ জোরালো ছিল না বলে মনে হয়েছে। মানুষ সাধারণত তাদের দলের অবস্থান অনুসরণ করে ভোট দেয়। যেহেতু প্রধান দলগুলো এখন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে, আমি মনে করি এটি সহজেই পাস হবে।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান, বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের বিষয়ে পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন। এটিকে দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবেও উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, পাকিস্তান কখনো বলেনি তারা খেলবে না; তারা বলেছে, বিষয়টি বিবেচনা করবে। ভারতের মাটিতে না খেলার সিদ্ধান্ত আমাদের নিজস্ব। আর পাকিস্তান খেলবে কিনা, তা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার।
নির্বাচনে বিদেশিদের হস্তক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, প্রতিটি দেশেরই ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত কিছু ট্র্যাডিশন দাঁড়িয়ে যায়। ভারতে যেমন এক ধরনের ট্র্যাডিশন দাঁড়িয়ে গেছে। এখানেও এমন আছে। এটা কালচারের অংশ হয়ে গেছে যে এখানে যারা কূটনৈতিক কমিউনিটি আছেন, তারা এটা নিয়ে কথাবার্তা বলেন। এখানকার সমাজেরও একটি বড় অংশ চায় যে তারা (কূটনীতিক) কথা বলুক। কাজেই তিনি তাদের (কূটনীতিক) দোষ দিতে পারেন না। এটা সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বলেন, নিরাপদ নির্বাচনের স্বার্থে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা খুবই জরুরি। বিশেষ করে ডিজিটাল পরিসরে নারী প্রার্থী ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় জোর দেন তিনি।
ডিক্যাব সভাপতি একেএম মঈনুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন এমআরডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান, ডিক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা ইমরুল কায়েস প্রমুখ।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫টি বসতঘর ও একটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) অফিস পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিকে বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১১-তে আগুনের সূত্রপাত হয়।
৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
১৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল চলাকালীন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) হঠাৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনের সামনে এ তৎপরতা বাড়তে দেখা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ক্যাম্পগুলোতে বসবাসরত হাজারো উর্দুভাষী মানুষ ভোটকেন্দ্রে এসেছেন। তাঁদের দাবি—স্থায়ী পুনর্বাসন, মাদক নির্মূল এবং সামাজিক মর্যাদার পূর্ণ স্বীকৃতি।
৭ ঘণ্টা আগে