স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাওলানা মামুনুল হকের সমর্থনে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নির্বাচনী মিছিল করেছেন নারীরা। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টার দিকে লালমাটিয়া থেকে মিছিল শুরু হয়ে মোহাম্মদপুরের আল্লাহ করিম এবং শিয়া মসজিদ মোড় ঘুরে পুনরায় লালমাটিয়া যায়।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যতম শীর্ষ নেতা। ঢাকা-১৩ আসনে নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে মামুনুল হক রিকশা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোবারক হোসাইন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আকরাম হোসাইন তাঁকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন।
জানা যায়, নারী মিছিলে নেতৃত্ব দেন এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তরের নেত্রী আনিকা তাহসিন। মিছিলে নেতাকর্মীরা রিকশা মার্কার প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে মিছিলে অংশ নেন।
মিছিলের বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় টেকসই পরিবর্তন এবং নিরাপদ সমাজ গড়ার লক্ষ্যে মামুনুল হককে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ। তারা এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে মামুনুল হককে বিজয়ী দেখতে চান।

মামুনুল হকের নির্বাচনী প্রচার দলের গণমাধ্যম সমন্বয়ক মুহাম্মাদ জাহিদুজ্জামান স্ট্রিমকে জানান, রোববারের মিছিলে শুধু এনসিপির নেতাকর্মীরা ছিলেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারীকর্মী থাকলেও মিছিলে তারা অংশ নেননি।
মুহাম্মাদ জাহিদুজ্জামান বলেন, মামুনুল হকের প্রতি নারীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা বলছেন, ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে নারী ভোটারদের এই অভূতপূর্ব জাগরণ রিকশা মার্কার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এই অঙ্গীকার প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাওলানা মামুনুল হকের সমর্থনে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নির্বাচনী মিছিল করেছেন নারীরা। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টার দিকে লালমাটিয়া থেকে মিছিল শুরু হয়ে মোহাম্মদপুরের আল্লাহ করিম এবং শিয়া মসজিদ মোড় ঘুরে পুনরায় লালমাটিয়া যায়।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যতম শীর্ষ নেতা। ঢাকা-১৩ আসনে নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে মামুনুল হক রিকশা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোবারক হোসাইন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আকরাম হোসাইন তাঁকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন।
জানা যায়, নারী মিছিলে নেতৃত্ব দেন এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তরের নেত্রী আনিকা তাহসিন। মিছিলে নেতাকর্মীরা রিকশা মার্কার প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে মিছিলে অংশ নেন।
মিছিলের বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় টেকসই পরিবর্তন এবং নিরাপদ সমাজ গড়ার লক্ষ্যে মামুনুল হককে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ। তারা এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে মামুনুল হককে বিজয়ী দেখতে চান।

মামুনুল হকের নির্বাচনী প্রচার দলের গণমাধ্যম সমন্বয়ক মুহাম্মাদ জাহিদুজ্জামান স্ট্রিমকে জানান, রোববারের মিছিলে শুধু এনসিপির নেতাকর্মীরা ছিলেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারীকর্মী থাকলেও মিছিলে তারা অংশ নেননি।
মুহাম্মাদ জাহিদুজ্জামান বলেন, মামুনুল হকের প্রতি নারীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা বলছেন, ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে নারী ভোটারদের এই অভূতপূর্ব জাগরণ রিকশা মার্কার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এই অঙ্গীকার প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে