পিলখানা হত্যাকাণ্ড
স্ট্রিম প্রতিবেদক

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত তদন্ত কমিশনের সুপারিশগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, সরকার শহীদ পরিবার এবং জাতিকে আশ্বস্ত করতে চায়– পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার হবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বনানী কবরস্থানে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এ সময় সালাহউদ্দিন জানান, পুরো রিপোর্টটি না দেখে এর আগে দেওয়া নিজের একটি বক্তব্য তিনি সংশোধন করতে চান। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, ‘২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্তের জন্য সরকার একটি নতুন কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
এ প্রসঙ্গে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকদিন আগে এ (অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া) রিপোর্টটি না পড়েই আমি কিছু কথা বলেছি, যেগুলো আজকে সংশোধন করতে চাই।’ তিনি জানান, আগে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠিত হয়েছে। সেদিন কথা বলার প্রয়োজনে তিনি সেই প্রতিবেদনের ওপর কেবল চোখ বুলিয়েছিলেন।
ওই প্রতিবেদনে অন্তত ৭০ জনের বিষয়ে সুপারিশ রয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সুপারিশের সঙ্গে যুক্ত অনেক বিষয় এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। আমরা এই বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করব। অন্যান্য সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটা চেষ্টা ছিল। এ কাজটা তারাই করতে পারে, যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না।’ তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ‘জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন’ গঠন করে। সেই কমিশন তাদের প্রতিবেদনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েক নেতার সম্পৃক্ততার তথ্য দিয়েছে। পাশাপাশি এর সঙ্গে প্রতিবেশী ভারতের সংশ্লিষ্টতার কথাও বলা হয়েছে।
পূর্ববর্তী তদন্ত প্রতিবেদনে সরকারের আস্থা নেই বলে জানিয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, ‘নতুন তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে।’ তবে আজ সালাহউদ্দিন আহমদ জানালেন, নতুন করে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে না।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু একটি স্বাধীন ও জাতীয় পর্যায়ের তদন্ত কমিশন গঠিত হয়েছে এবং দক্ষ ও উপযুক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিশন কাজ করেছে। তাই নতুন করে কমিশন গঠনের প্রয়োজন নেই। কমিশনের প্রতিবেদনে উত্থাপিত সুপারিশগুলোর অনেকগুলো ইতোমধ্যে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত তদন্ত কমিশনের সুপারিশগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, সরকার শহীদ পরিবার এবং জাতিকে আশ্বস্ত করতে চায়– পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার হবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বনানী কবরস্থানে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এ সময় সালাহউদ্দিন জানান, পুরো রিপোর্টটি না দেখে এর আগে দেওয়া নিজের একটি বক্তব্য তিনি সংশোধন করতে চান। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, ‘২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্তের জন্য সরকার একটি নতুন কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
এ প্রসঙ্গে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকদিন আগে এ (অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া) রিপোর্টটি না পড়েই আমি কিছু কথা বলেছি, যেগুলো আজকে সংশোধন করতে চাই।’ তিনি জানান, আগে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠিত হয়েছে। সেদিন কথা বলার প্রয়োজনে তিনি সেই প্রতিবেদনের ওপর কেবল চোখ বুলিয়েছিলেন।
ওই প্রতিবেদনে অন্তত ৭০ জনের বিষয়ে সুপারিশ রয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সুপারিশের সঙ্গে যুক্ত অনেক বিষয় এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। আমরা এই বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করব। অন্যান্য সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটা চেষ্টা ছিল। এ কাজটা তারাই করতে পারে, যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না।’ তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ‘জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন’ গঠন করে। সেই কমিশন তাদের প্রতিবেদনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েক নেতার সম্পৃক্ততার তথ্য দিয়েছে। পাশাপাশি এর সঙ্গে প্রতিবেশী ভারতের সংশ্লিষ্টতার কথাও বলা হয়েছে।
পূর্ববর্তী তদন্ত প্রতিবেদনে সরকারের আস্থা নেই বলে জানিয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, ‘নতুন তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে।’ তবে আজ সালাহউদ্দিন আহমদ জানালেন, নতুন করে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে না।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু একটি স্বাধীন ও জাতীয় পর্যায়ের তদন্ত কমিশন গঠিত হয়েছে এবং দক্ষ ও উপযুক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিশন কাজ করেছে। তাই নতুন করে কমিশন গঠনের প্রয়োজন নেই। কমিশনের প্রতিবেদনে উত্থাপিত সুপারিশগুলোর অনেকগুলো ইতোমধ্যে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

মাছের প্রজনন ও বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করা এবং বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় ৫৮ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
৫ ঘণ্টা আগে
টেকনাফ থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবিতে অন্তত ২৫০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ৩০০ ফিট রাস্তায় গাড়ির ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। খিলক্ষেতের বসুন্ধরা ২ নম্বর আন্ডারপাসের ওপর এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৬ ঘণ্টা আগে