সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গে মাঠে আনসার-ভিডিপি, টহলে নারী সদস্যরাও

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

ঠাকুরগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে আছে পুশইনে ব্যর্থ লোকজন। সংগৃহীত ছবি

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) জোরপূর্বক বাংলাদেশে মানুষ ঠেলে পাঠানোর (পুশইন) চেষ্টার জেরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও অনুপ্রবেশ রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশে ‘সহায়ক ফোর্স’ বা সহযোগী শক্তি হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

গত ৫-৭ জুন পর্যন্ত সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। রোববার রাতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অফিশিয়াল ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আনসার ও ভিডিপির উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকুজ্জামান জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা এবং পুশইন প্রতিরোধে বিজিবিকে সহায়তা করতে দেশের বিভিন্ন স্পর্শকাতর সীমান্ত পয়েন্টে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। দেশের সার্বিক শৃঙ্খলা ও সীমান্ত সুরক্ষায় তারা বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছেন।

বাহিনী সূত্র জানায়, সীমান্তের ভৌগোলিক অবস্থান ও চোরাপথগুলো সম্পর্কে স্থানীয়দের মাঠপর্যায়ের ধারণাকে কাজে লাগাতে এই বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে জেলা কমান্ড্যান্টের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় দক্ষ আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিয়ে বিশেষ টিম গঠন করে সরাসরি বিজিবির সীমান্ত চৌকিতে (বিওপি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনুপ্রবেশ চেষ্টাকারী নারীদের ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গে আনসার ও ভিডিপির নারী সদস্যরা সমানভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সীমান্তবর্তী জেলার ইউনিয়নগুলোতে বিশেষ কৌশল নিয়েছে বাহিনীটি। নির্দেশনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন আনসার দলনেতা ও আনসার কমান্ডাররা নিকটবর্তী বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জরুরি যোগাযোগের নম্বর বিনিময় করেছেন। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো সন্দেহজনক গতিবিধি দেখামাত্র বা বিজিবির ডাক পাওয়া মাত্রই আনসার-ভিডিপি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধে যোগ দিচ্ছেন।

Ad 300x250

সম্পর্কিত