স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চারদলের বৈঠক শেষে অন্তবর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, দেশের চার বড় রাজনৈতিক দল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আছে।
তিনি বলেন, চার দলের নেতাকর্মীরা আমাদের বার্তা দিয়েছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধিতার জায়গায় রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যের ব্যাপারে কোনরকম প্রশ্ন, হতাশা বা টেনশন নেই।
মঙ্গলবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে রাত ১১টার দিকে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা শুধু ঐক্যের কথ বলেননি, উনি বলেছেন আপনাদের (রাজনৈতিক দল) মাঝে যে ঐক্য আছে এটা আরেকটু দৃশ্যমান হলে ভালো হয়। ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধের প্রশ্ন বা গঠনমূলক কোন কর্মসূচির প্রসঙ্গে হোক, আপনারা যদি একসাথে থাকেন এটা যদি মানুষ দেখে, তাহলে মানুষের মধ্যে স্বস্তি আসবে, মানুষ খুশি হবে। আপনারা একসাথে আছেন এটা মানুষ দেখতে চায়।'
রাজনৈতিক দলগুলা মাঠে যাই বলুন না কেন, প্রধান উপদেষ্টা ডাকলে সব রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত হন উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, এতে বোঝা যায় ওনাদের মধ্যে ঐক্য আছে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে যে নিষিদ্ধ দল আছে তাঁরা মাঝে মাঝে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছেন- এ ব্যাপারে বৈঠকে অংশ নেওয়া চার রাজনৈতিক দল কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন বলে জানান আসিফ নজরুল।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেকোন প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টা ডাকলে সবাই আলোচনায় অংশ নেবেন, মতামত প্রকাশ করবেন এবং একসাথে সিদ্ধান্ত নেবেন, এ রকম আবহের মধ্য দিয়ে বৈঠক শেষ হয়েছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বললেও, আইন উপদেষ্টা কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি।
গত সোমবার মাইলস্টোন কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হওয়া এবং মঙ্গলবারে সচিবালয়ে হামলার বিষয়গুলো বৈঠকে উঠে আসে। পাশাপাশি বর্তমান পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে মতবিনিময় করেন নেতারা।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একই পথ’ বিষয়ে একমত হয়েছেন নেতারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ নিয়ে দলগুলোর মতামত শোনেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা বুধবার বিকেল ৩টায় যমুনায় আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চারদলের বৈঠক শেষে অন্তবর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, দেশের চার বড় রাজনৈতিক দল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আছে।
তিনি বলেন, চার দলের নেতাকর্মীরা আমাদের বার্তা দিয়েছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধিতার জায়গায় রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যের ব্যাপারে কোনরকম প্রশ্ন, হতাশা বা টেনশন নেই।
মঙ্গলবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে রাত ১১টার দিকে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা শুধু ঐক্যের কথ বলেননি, উনি বলেছেন আপনাদের (রাজনৈতিক দল) মাঝে যে ঐক্য আছে এটা আরেকটু দৃশ্যমান হলে ভালো হয়। ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধের প্রশ্ন বা গঠনমূলক কোন কর্মসূচির প্রসঙ্গে হোক, আপনারা যদি একসাথে থাকেন এটা যদি মানুষ দেখে, তাহলে মানুষের মধ্যে স্বস্তি আসবে, মানুষ খুশি হবে। আপনারা একসাথে আছেন এটা মানুষ দেখতে চায়।'
রাজনৈতিক দলগুলা মাঠে যাই বলুন না কেন, প্রধান উপদেষ্টা ডাকলে সব রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত হন উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, এতে বোঝা যায় ওনাদের মধ্যে ঐক্য আছে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে যে নিষিদ্ধ দল আছে তাঁরা মাঝে মাঝে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছেন- এ ব্যাপারে বৈঠকে অংশ নেওয়া চার রাজনৈতিক দল কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন বলে জানান আসিফ নজরুল।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেকোন প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টা ডাকলে সবাই আলোচনায় অংশ নেবেন, মতামত প্রকাশ করবেন এবং একসাথে সিদ্ধান্ত নেবেন, এ রকম আবহের মধ্য দিয়ে বৈঠক শেষ হয়েছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বললেও, আইন উপদেষ্টা কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি।
গত সোমবার মাইলস্টোন কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হওয়া এবং মঙ্গলবারে সচিবালয়ে হামলার বিষয়গুলো বৈঠকে উঠে আসে। পাশাপাশি বর্তমান পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে মতবিনিময় করেন নেতারা।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একই পথ’ বিষয়ে একমত হয়েছেন নেতারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ নিয়ে দলগুলোর মতামত শোনেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা বুধবার বিকেল ৩টায় যমুনায় আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

পর্যালোচনা ও মতামতের ‘জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা ২০২৬-২০৩০’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে সরকার। নীতিমালায় আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার এআই হাব বা কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নারীরা সামনের সারিতে থাকলেও ক্ষমতার অংশীদারিত্বের প্রশ্নে তাঁদের অবস্থান গৌণ। এই সংকট উত্তরণে রাজনৈতিক দলগুলোর গঠনতন্ত্র সংশোধন, নির্বাচন কমিশনের কঠোর ভূমিকা এবং সর্বদলীয় নারী ফোরাম গঠন জরুরি।
৯ ঘণ্টা আগে
অনলাইনে ধীরগতি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, গণভোট ও নির্বাচনী প্রচারণার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণদের অংশগ্রহণ গণতন্ত্রের ভিত রচনা করবে; যে গণতন্ত্রের জন্য রচিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান।
৯ ঘণ্টা আগে