স্ট্রিম সংবাদদাতা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবি পূরণ না করা হলে তাঁরা আমরণ অনশনে যাবেন। এক সমাবেশে শিক্ষক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম এ কথা বলেছেন।
আজ শনিবার (৩১ মে) যশোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষকদের খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে আমিনুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে আগামী ২২ জুন ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ করবেন তাঁরা। মহাসমাবেশে দাবি পূরণ না হলে ২৩ জুন থেকে আমরণ অনশনে যাবেন।
আমিনুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় জাতীয়করণ করা শিক্ষকদের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ২০২০ সালের ১২ আগস্ট যে টাইম স্কেলসংক্রান্ত চিঠি জারি করা হয়, তা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ ও বিভ্রান্তিকর। এ চিঠি প্রত্যাহার করে ৫০ শতাংশ অর্থাৎ কার্যকর চাকরির সময়সীমার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা দেওয়া এবং বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকের গেজেট প্রকাশ করাই এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি আরও বলেন, ২২ জুন ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছি। সারা দেশ থেকে হাজার হাজার শিক্ষক অংশগ্রহণ করবেন। শিক্ষকদের সম্মান ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নও সম্ভব নয়। আপনারা ঢাকাতে যাওয়ার সময় প্রস্তুতি নিয়ে যাবেন। আমাদের দাবি না মানলে সমাবেশের পর দিন ২৩ জুন থেকে আমরণ অনশনে যাব।
খুলনা বিভাগীয় শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, কোষাধ্যক্ষ আজমল হোসেন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আশরাফ আলী, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, যশোর জেলা কমিটির সমন্বয়ক বি এম কিয়াম উদ্দীন।
উল্লেখ্য, জাতীয়করণ করা প্রাথমিক শিক্ষকদের বিগত সরকারের সৃষ্ট আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসনে দাবির মধ্যে রয়েছে ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে টাইম স্কেলসংক্রান্ত অবৈধ চিঠি প্রত্যাহার, ৫০ শতাংশ অর্থাৎ কার্যকর চাকরির সময়সীমার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা দেয়া এবং বাদ পড়া প্রধান শিক্ষকদের গেজেট প্রকাশ।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবি পূরণ না করা হলে তাঁরা আমরণ অনশনে যাবেন। এক সমাবেশে শিক্ষক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম এ কথা বলেছেন।
আজ শনিবার (৩১ মে) যশোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষকদের খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে আমিনুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে আগামী ২২ জুন ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ করবেন তাঁরা। মহাসমাবেশে দাবি পূরণ না হলে ২৩ জুন থেকে আমরণ অনশনে যাবেন।
আমিনুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় জাতীয়করণ করা শিক্ষকদের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ২০২০ সালের ১২ আগস্ট যে টাইম স্কেলসংক্রান্ত চিঠি জারি করা হয়, তা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ ও বিভ্রান্তিকর। এ চিঠি প্রত্যাহার করে ৫০ শতাংশ অর্থাৎ কার্যকর চাকরির সময়সীমার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা দেওয়া এবং বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকের গেজেট প্রকাশ করাই এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি আরও বলেন, ২২ জুন ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছি। সারা দেশ থেকে হাজার হাজার শিক্ষক অংশগ্রহণ করবেন। শিক্ষকদের সম্মান ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নও সম্ভব নয়। আপনারা ঢাকাতে যাওয়ার সময় প্রস্তুতি নিয়ে যাবেন। আমাদের দাবি না মানলে সমাবেশের পর দিন ২৩ জুন থেকে আমরণ অনশনে যাব।
খুলনা বিভাগীয় শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, কোষাধ্যক্ষ আজমল হোসেন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আশরাফ আলী, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, যশোর জেলা কমিটির সমন্বয়ক বি এম কিয়াম উদ্দীন।
উল্লেখ্য, জাতীয়করণ করা প্রাথমিক শিক্ষকদের বিগত সরকারের সৃষ্ট আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসনে দাবির মধ্যে রয়েছে ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে টাইম স্কেলসংক্রান্ত অবৈধ চিঠি প্রত্যাহার, ৫০ শতাংশ অর্থাৎ কার্যকর চাকরির সময়সীমার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা দেয়া এবং বাদ পড়া প্রধান শিক্ষকদের গেজেট প্রকাশ।

বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
১৯ মিনিট আগে
পোস্টাল ব্যালটে এখন পর্যন্ত চার লাখ পাঁচ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি ভোট দিয়েছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে পাঠানো এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ কথা বলা হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
খেলাফতে মজলিশের আমির ও ঢাকা–১৩ আসনের রিকশা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মামুনুল হকের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘জাগরণী পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩৩ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় একটি সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল (মিলিটারি ইকোনমিক জোন) গড়ে তোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগে নির্ধারিত ভারতীয় সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিবর্তে এই নতুন অঞ্চল স্থাপন করা হবে।
৩৯ মিনিট আগে