শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা
স্ট্রিম প্রতিবেদক

পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মা-বাবা ও বড় বোন। মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সাক্ষ্য দেন তাঁরা। এ সময় সন্তানের মর্মান্তিক পরিণতির বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন রামিসার বাবা।
মামলায় প্রথম সাক্ষী ছিলেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। জবানবন্দিতে তিনি জানান, গত ১৯ মে সকালে তিনি অফিসে পৌঁছানোর পর স্ত্রী পারভীন আক্তার ফোন করে জানান রামিসাকে পাওয়া যাচ্ছে না। খবর পেয়ে দ্রুত বাসায় ফিরে ফ্ল্যাটের সামনে মানুষের ভিড় দেখতে পান।
তিনি আরও বলেন, ‘স্ত্রী তখন জানান, পাশের ফ্ল্যাটে (আসামি সোহেল ও স্বপ্নার) রামিসা আটকে আছে। স্ত্রী অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করলেও তারা দরজা খোলেনি। পরে আমি হাতুড়ি এনে অন্য লোকজনের সহায়তায় তালা ভাঙি। ভেতরে ঢুকে বাথরুমের দরজা বন্ধ পাই। টয়লেটে রক্ত ও বালতির ভেতর রামিসার মাথা দেখতে পেয়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সেখানে আসামি স্বপ্না নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে ছিল।’
রামিসার মা পারভীন আক্তার তাঁর সাক্ষ্যে জানান, ঘটনার সময় তিনি রান্না করছিলেন। বড় মেয়ে বাইরে যাওয়ার সময় রামিসাও যেতে চায়, তবে বড় মেয়ে তাকে রেখেই চলে যায়। পরে রামিসাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
তিনি বলেন, ‘খুঁজতে খুঁজতে তিন তলায় আসামিদের রুমের দরজার সামনে মেয়ের জুতা পড়ে থাকতে দেখি। তখন আমি চিৎকার করি। আশপাশের লোকজন এসে দরজা ধাক্কা দিলেও খোলেনি। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে বাথরুম রক্তে ভাসতে দেখি। মেয়ের মাথা এক জায়গায়, দেহ আরেক জায়গায় ছিল।’
জবানবন্দি শেষে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ তাদের জেরা করেন।
এদিকে, রামিসার বড় বোনের বয়স মাত্র ১৬ বছর। ঘটনার পর থেকেই সে ট্রমাটাইজড। এজন্য তার সাক্ষ্য রুদ্ধদ্বার কক্ষে (ক্যামেরা কোর্ট) নেওয়ার আবেদন করেন প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু। পরে ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।
এ ছাড়া আজ আরও কয়েকজনের সাক্ষ্য নেওয়া হবে। সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত আছেন।
এর আগে ১৯ মে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ভবনের সাবলেট ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩২) শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করে। লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। ওই সময় তার স্ত্রী স্বপ্না ঘরেই ছিল।
ঘটনার দিনই রামিসার বাবার মামলায় স্বপ্না ও সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সোহেল আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন।
হত্যার পাঁচ দিনের মাথায় ২৪ মে এই মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। ঈদের ছুটি শেষে ১ জুন বিচার শুরু হয়।

পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মা-বাবা ও বড় বোন। মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সাক্ষ্য দেন তাঁরা। এ সময় সন্তানের মর্মান্তিক পরিণতির বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন রামিসার বাবা।
মামলায় প্রথম সাক্ষী ছিলেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। জবানবন্দিতে তিনি জানান, গত ১৯ মে সকালে তিনি অফিসে পৌঁছানোর পর স্ত্রী পারভীন আক্তার ফোন করে জানান রামিসাকে পাওয়া যাচ্ছে না। খবর পেয়ে দ্রুত বাসায় ফিরে ফ্ল্যাটের সামনে মানুষের ভিড় দেখতে পান।
তিনি আরও বলেন, ‘স্ত্রী তখন জানান, পাশের ফ্ল্যাটে (আসামি সোহেল ও স্বপ্নার) রামিসা আটকে আছে। স্ত্রী অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করলেও তারা দরজা খোলেনি। পরে আমি হাতুড়ি এনে অন্য লোকজনের সহায়তায় তালা ভাঙি। ভেতরে ঢুকে বাথরুমের দরজা বন্ধ পাই। টয়লেটে রক্ত ও বালতির ভেতর রামিসার মাথা দেখতে পেয়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সেখানে আসামি স্বপ্না নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে ছিল।’
রামিসার মা পারভীন আক্তার তাঁর সাক্ষ্যে জানান, ঘটনার সময় তিনি রান্না করছিলেন। বড় মেয়ে বাইরে যাওয়ার সময় রামিসাও যেতে চায়, তবে বড় মেয়ে তাকে রেখেই চলে যায়। পরে রামিসাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
তিনি বলেন, ‘খুঁজতে খুঁজতে তিন তলায় আসামিদের রুমের দরজার সামনে মেয়ের জুতা পড়ে থাকতে দেখি। তখন আমি চিৎকার করি। আশপাশের লোকজন এসে দরজা ধাক্কা দিলেও খোলেনি। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে বাথরুম রক্তে ভাসতে দেখি। মেয়ের মাথা এক জায়গায়, দেহ আরেক জায়গায় ছিল।’
জবানবন্দি শেষে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ তাদের জেরা করেন।
এদিকে, রামিসার বড় বোনের বয়স মাত্র ১৬ বছর। ঘটনার পর থেকেই সে ট্রমাটাইজড। এজন্য তার সাক্ষ্য রুদ্ধদ্বার কক্ষে (ক্যামেরা কোর্ট) নেওয়ার আবেদন করেন প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু। পরে ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।
এ ছাড়া আজ আরও কয়েকজনের সাক্ষ্য নেওয়া হবে। সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত আছেন।
এর আগে ১৯ মে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ভবনের সাবলেট ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩২) শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করে। লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। ওই সময় তার স্ত্রী স্বপ্না ঘরেই ছিল।
ঘটনার দিনই রামিসার বাবার মামলায় স্বপ্না ও সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সোহেল আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন।
হত্যার পাঁচ দিনের মাথায় ২৪ মে এই মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। ঈদের ছুটি শেষে ১ জুন বিচার শুরু হয়।

ঢাকার অদূরে সাভারের পৌর ছাত্রদল নেতা রনি ইসলামের (২২) বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) সাভারের ছায়াবীথি মহল্লার একটি বাড়ি থেকে রিয়া মনি (২১) নামে তাঁর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে থেকেই পলাতক ওই ছাত্রদল নেতা।
১ ঘণ্টা আগে
মাদারীপুর সদর মডেল থানা থেকে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) রাতে ওই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। এ ঘটনা জড়িত সন্দেহে ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাক এলাকায় ভাগ্নের ডাকে একটি বিরোধের সালিস করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৪৫) নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক এক নেতা।
১১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে স্কুলশিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। রামিসার পরিবার, স্বজন ও প্রতিবেশীদের চাওয়া—রায় যেন দ্রুত কার্যকর হয়।
১২ ঘণ্টা আগে