স্ট্রিম সংবাদদাতা

কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে কয়েকশ কোটি টাকার সরকারি জমি রাতে আঁধারে দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১০ একরের বেশি জমি টিন ও বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলে দখলদারেরা। ঘেরাওয়ের সময় ওই জমিতে থাকা দুই শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তবে কারা জমি জমি দখল করছে তার নিশ্চিত করতে পারছে না কেউ।
এদিকে ঘটনার দুদিন পর রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে সেখানে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) মধ্যরাতে ৩০ থেকে ৪০ জন শ্রমিক টিন ও বাঁশ দিয়ে সরকারি জমিটি ঘেরাও করে। গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) দিনভর সমালোচনার পর বিকেলে দখলের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত হকাররা লাঠিসোঁটা নিয়ে টিনের বেড়ার প্রায় ১০০ ফুট অংশ ভাঙচুর করেন।
দখল ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, শুক্রবার রাত ২-৩টা দিকে ৩০ থেকে ৪০ জন শ্রমিক টিন ও বাঁশ দিয়ে জমিটি ঘেরাও করেন। মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে বেড়ার কাজ শেষ করে তারা। এ সময় সেখানে ১০-১২ জনের একটি দল সেখানে অবস্থান করছিল।
রোববার সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, ওই এলাকা দিয়ে সৈকতের প্রবেশপথের ডান পাশে বড় একটি অংশ টিন ও বাঁশের বেড়ায় ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। তবে কারা এ জমি ঘেরাও করেছে, সে বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি হননি।
কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকার জানান, ঘেরাওয়ের সময় ওই জমিতে দুই শতাধিক ভাসমান দোকান ছিল। মধ্যরাতে দোকান সরিয়ে জমিটি ঘেরাও করার সময় কয়েকজন হকারের সঙ্গে শ্রমিকদের কথা-কাটাকাটি হয়। গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উত্তেজনার এক পর্যায়ে হকাররা লাঠিসোঁটা নিয়ে বেড়ার একটি অংশ ভাঙচুর করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, মধ্যরাতে হঠাৎ করে এত বড় জায়গা ঘেরাও করা হয়েছে। তারা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ভয় পাচ্ছে।
এদিকে জমি দখলের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় যুবদল নেতা আজিজুল হক সোহেল গতকাল ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘সুগন্ধা পয়েন্টের সরকারি জমি কী আবারও দখলবাজদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে?’ একই সঙ্গে রাজনৈতিক নেতার নাম ব্যবহারকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্যসচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রশাসনের নাকের ডগায় দখল হয়েছে, অথচ শনিবার সারাদিন প্রশাসনের ভূমিকা ছিল রহস্যময়।’ তিনি বলেন, যে দলই ক্ষমতায় আসে, তাদের একটি অংশ সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন এলাকায় জায়গা দখল করে ঝুপড়ি দোকান নির্মাণে আগ্রহী হয়ে ওঠে।
কক্সবাজার সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মশিয়ুর রহমান জানান, সুগন্ধা পয়েন্টের ওই জায়গার প্লটগুলোর বন্দোবস্ত বাতিল হয়েছে। সেখানে কোনো ধরনের কনস্ট্রাকশন গ্রহণ করা হবে না। কেউ স্থাপনা নির্মাণ করার চেষ্টা করলে বিধিমতো বাধা দেওয়া হবে৷
কোন প্রতিষ্ঠানকে সুগন্ধা পয়েন্টে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, তা পরিষ্কার করেননি সহকারী কমিশনার। তবে স্থানীয়রা বলছেন, ঘেরাও করা জমিটি এস আলম গ্রুপের বাতিলকৃত একটি প্লট। এছাড়া দখলদারদের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীও সম্পৃক্ত।
এদিকে, প্রশাসন কাউকে সরকারি জমি দখল বা ঘেরাও করার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসেন সায়েম। তিনি বলেন, সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখলের ঘটনায় জড়িত একজনকে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। ওই স্থানের মালিকানা বা ইজারার পক্ষে কোনো বৈধ নথি থাকলে, তা জেলা প্রশাসক অথবা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) কাছে উপস্থাপনের জন্য বলা হয়েছে।
রোববার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসেন সায়েম বলেন, অবৈধ অবকাঠামো ও টিনের বেড়া অপসারণের জন্য শনিবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা ও ঘেরাও সরিয়ে না নেওয়ায় রোববার বিকেলে সেখানে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়েছে।

কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে কয়েকশ কোটি টাকার সরকারি জমি রাতে আঁধারে দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১০ একরের বেশি জমি টিন ও বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলে দখলদারেরা। ঘেরাওয়ের সময় ওই জমিতে থাকা দুই শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তবে কারা জমি জমি দখল করছে তার নিশ্চিত করতে পারছে না কেউ।
এদিকে ঘটনার দুদিন পর রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে সেখানে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) মধ্যরাতে ৩০ থেকে ৪০ জন শ্রমিক টিন ও বাঁশ দিয়ে সরকারি জমিটি ঘেরাও করে। গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) দিনভর সমালোচনার পর বিকেলে দখলের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত হকাররা লাঠিসোঁটা নিয়ে টিনের বেড়ার প্রায় ১০০ ফুট অংশ ভাঙচুর করেন।
দখল ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, শুক্রবার রাত ২-৩টা দিকে ৩০ থেকে ৪০ জন শ্রমিক টিন ও বাঁশ দিয়ে জমিটি ঘেরাও করেন। মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে বেড়ার কাজ শেষ করে তারা। এ সময় সেখানে ১০-১২ জনের একটি দল সেখানে অবস্থান করছিল।
রোববার সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, ওই এলাকা দিয়ে সৈকতের প্রবেশপথের ডান পাশে বড় একটি অংশ টিন ও বাঁশের বেড়ায় ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। তবে কারা এ জমি ঘেরাও করেছে, সে বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি হননি।
কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকার জানান, ঘেরাওয়ের সময় ওই জমিতে দুই শতাধিক ভাসমান দোকান ছিল। মধ্যরাতে দোকান সরিয়ে জমিটি ঘেরাও করার সময় কয়েকজন হকারের সঙ্গে শ্রমিকদের কথা-কাটাকাটি হয়। গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উত্তেজনার এক পর্যায়ে হকাররা লাঠিসোঁটা নিয়ে বেড়ার একটি অংশ ভাঙচুর করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, মধ্যরাতে হঠাৎ করে এত বড় জায়গা ঘেরাও করা হয়েছে। তারা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ভয় পাচ্ছে।
এদিকে জমি দখলের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় যুবদল নেতা আজিজুল হক সোহেল গতকাল ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘সুগন্ধা পয়েন্টের সরকারি জমি কী আবারও দখলবাজদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে?’ একই সঙ্গে রাজনৈতিক নেতার নাম ব্যবহারকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্যসচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রশাসনের নাকের ডগায় দখল হয়েছে, অথচ শনিবার সারাদিন প্রশাসনের ভূমিকা ছিল রহস্যময়।’ তিনি বলেন, যে দলই ক্ষমতায় আসে, তাদের একটি অংশ সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন এলাকায় জায়গা দখল করে ঝুপড়ি দোকান নির্মাণে আগ্রহী হয়ে ওঠে।
কক্সবাজার সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মশিয়ুর রহমান জানান, সুগন্ধা পয়েন্টের ওই জায়গার প্লটগুলোর বন্দোবস্ত বাতিল হয়েছে। সেখানে কোনো ধরনের কনস্ট্রাকশন গ্রহণ করা হবে না। কেউ স্থাপনা নির্মাণ করার চেষ্টা করলে বিধিমতো বাধা দেওয়া হবে৷
কোন প্রতিষ্ঠানকে সুগন্ধা পয়েন্টে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, তা পরিষ্কার করেননি সহকারী কমিশনার। তবে স্থানীয়রা বলছেন, ঘেরাও করা জমিটি এস আলম গ্রুপের বাতিলকৃত একটি প্লট। এছাড়া দখলদারদের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীও সম্পৃক্ত।
এদিকে, প্রশাসন কাউকে সরকারি জমি দখল বা ঘেরাও করার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসেন সায়েম। তিনি বলেন, সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখলের ঘটনায় জড়িত একজনকে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। ওই স্থানের মালিকানা বা ইজারার পক্ষে কোনো বৈধ নথি থাকলে, তা জেলা প্রশাসক অথবা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) কাছে উপস্থাপনের জন্য বলা হয়েছে।
রোববার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসেন সায়েম বলেন, অবৈধ অবকাঠামো ও টিনের বেড়া অপসারণের জন্য শনিবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা ও ঘেরাও সরিয়ে না নেওয়ায় রোববার বিকেলে সেখানে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়েছে।
.png)

হামের উপসর্গে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি।
২ মিনিট আগে
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশে মেধাবী উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবনী ধারণার অভাব নেই। আমরা এমন একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে অর্থের অভাবে কোনো সম্ভাবনাময় উদ্যোগ থেমে থাকবে না।
১৫ মিনিট আগে
৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ডের কথা ঘোষণা করে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সরাসরি অনুদান দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
২০১৪ সাল থেকে গত ১৩ বছরে চট্টগ্রামের শিপব্রেকিং ইয়ার্ডগুলোয় ১৬১ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। সংগঠনটির মতে, এগুলোকে নিছক দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দিলে ভুল হবে। এগুলো দুর্ঘটনা নয়, বরং অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে