স্ট্রিম ডেস্ক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে বাম জোট সমর্থিত প্যানেল মওলানা ভাসানী ব্রিগেড।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) জকসু ভোটগ্রহণ শেষে এক জবির মেডিকেল সেন্টারের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী ইভান তাহসীব এই অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলটির সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী গৌরব ভৌমিক ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রার্থী এজিএস শামসুল আলম মারুফও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে প্যানেলের এজিএস প্রার্থী শামসুল আলম মারুফ জানান, আজ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত যে ভোটগ্রহণ চললো, দুঃখের সঙ্গে আমাদের লক্ষ্য করতে হয়েছে যে সেখানে নানান ধরনের আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন এবং নানান ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা এখানে নানা গোষ্ঠীর ছিল। সেসব বিষয় নিয়েই আমাদের মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেলের এই সংবাদ সম্মেলন।
সংবাদ সম্মেলনে জিএস প্রার্থী ইভান তাহসীব বলেন, ‘এখানে প্রধানত দুটি প্যানেল এই ক্যাম্পাসে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই যে নির্বাচনি প্রক্রিয়াটা চলেছে এটি তারা অস্থিতিশীল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের পাঁয়তারা করেছে।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন ভোটগ্রহণ চলাকালীন সময়ে ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল ও ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের লোকজন ও তাদের সমর্থকরা বাইরে মারধরে লিপ্ত হয়। আমাদের বিশ্বাস এতে শিক্ষার্থীদের মনে একধরনের ভীতি সঞ্চার হয়েছে। যারা বাড়ি থেকে বা মিডিয়াগুলোতে আমাদের নির্বাচনি পরিবেশ দেখছিলেন, বা নির্বাচনে ভোট দিতে আসার কথা ভাবছিলেন তাদের মধ্যে এটা কিন্তু একটা বিরূপ প্রভাব ফেলেছে বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে আমরা মনে করি।’
ইভান তাহসীব বলেন, ‘আমরা বলতে চাই এই প্যানেলগুলোর সমর্থকরা বা পোলিং এজেন্টের দায়িত্বে ছিলেন তাঁরা কিন্তু ভোটকেন্দ্রের ভেতরে নানান ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। আর অন্যতম যে অভিযোগটা এসেছে সেটা হলো ভোটকেন্দ্রের ভেতরে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো। এই প্রচারণার মাধ্যমে ভোটারদের নানাভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার মধ্যে এটি স্পষ্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন।’
জকসু নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি প্রার্থীরা একদম নির্বাচনি কেন্দ্রের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রচারপত্র বিলি করেছেন। এরকম ঘটনাও প্রকাশ্যেই ঘটেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।’
ইভান তাহসীব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন শুধু আজকের দিনে নয়, বিগত সময়গুলোতে একদম শুরু থেকেই যখন আমরা বলেছি একটা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ এবং পক্ষপাতমুক্ত নির্বাচন হওয়া জরুরি। সেখানে প্রতিনিয়ত এখানকার নিবাচনি প্রচারণায় একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে এখানে বড় বড় দলের প্যানেলগুলো নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়েছে। জেলা পরিষদের নাম করে এখানে রাতের বেলা বিভিন্ন রাজনৈতিক পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। এসব আয়োজনে এই প্যানেলগুলো নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়েছে। বিভিন্ন প্যানেল থেকে বাসে করে পিকনিকের নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন জায়গায় খাওয়াতে নিয়ে গেছে। এগুলো প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘটেছে। যেগুলো নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কোনো প্রকার ব্যবস্থা নিতে দেখিনি। সর্বোচ্চ কিছু শোকজের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সেগুলোরে কোনো ফিডব্যাক বা ফলোআপ আমাদের কাছে আসেনি।’
নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল তুলে প্যানেলটির জিএস প্রার্থী আরও বলেন, ‘এসব কিছুর মধ্যে আমরা বলেছি এই নির্বাচনি প্রক্রিয়া ভোটগ্রহণের দিন যে সুষ্ঠু হবে, নির্বাচন কমিশন যে পক্ষপাতমুক্ত হবে সে ব্যাপারে আমাদের সন্দেহ ছিল। আজও আমরা লক্ষ্য করেছি অনেক আচরণবিধি লঙ্ঘনের পরও বিশেষ করে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের বিভিন্ন প্রতিনিধিরা আচরণবিধি লঙ্ঘনের পরও নির্বাচন কমিশন বিশেষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।’
তিনি বলেন, ‘অনেক বিরুদ্ধতার মধ্যে এই নির্বাচন আয়োজন হয়েছে, আমাদের ইচ্ছা ছিল শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ। কিন্তু সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় এবং নির্বাচন কমিশনের দুর্বলতা ছিল। এখানে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল বেলা ৯টার দিকে এবং শেষ হয়েছে বেলা ৩টার দিকে। এই যে সময় বেঁধে দেওয়া, আমরা মনে করি সর্বোচ্চ অংশগ্রহণের জন্য তা পর্যাপ্ত ছিল না। এই ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ আমরা পেয়েছি।’
এ সময় তিনি ভোট গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, বাম জোট–সমর্থিত মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেল ৯টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয় গঠিত। এই সংগঠনগুলো হলো বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, রাষ্ট্রচিন্তা, চিন্তক সাহিত্য পত্রিকা, জবি ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশন ও ইন্ডিজেনাস স্টুডেন্টস ইউনিয়ন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে বাম জোট সমর্থিত প্যানেল মওলানা ভাসানী ব্রিগেড।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) জকসু ভোটগ্রহণ শেষে এক জবির মেডিকেল সেন্টারের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী ইভান তাহসীব এই অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলটির সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী গৌরব ভৌমিক ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রার্থী এজিএস শামসুল আলম মারুফও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে প্যানেলের এজিএস প্রার্থী শামসুল আলম মারুফ জানান, আজ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত যে ভোটগ্রহণ চললো, দুঃখের সঙ্গে আমাদের লক্ষ্য করতে হয়েছে যে সেখানে নানান ধরনের আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন এবং নানান ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা এখানে নানা গোষ্ঠীর ছিল। সেসব বিষয় নিয়েই আমাদের মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেলের এই সংবাদ সম্মেলন।
সংবাদ সম্মেলনে জিএস প্রার্থী ইভান তাহসীব বলেন, ‘এখানে প্রধানত দুটি প্যানেল এই ক্যাম্পাসে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই যে নির্বাচনি প্রক্রিয়াটা চলেছে এটি তারা অস্থিতিশীল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের পাঁয়তারা করেছে।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন ভোটগ্রহণ চলাকালীন সময়ে ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল ও ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের লোকজন ও তাদের সমর্থকরা বাইরে মারধরে লিপ্ত হয়। আমাদের বিশ্বাস এতে শিক্ষার্থীদের মনে একধরনের ভীতি সঞ্চার হয়েছে। যারা বাড়ি থেকে বা মিডিয়াগুলোতে আমাদের নির্বাচনি পরিবেশ দেখছিলেন, বা নির্বাচনে ভোট দিতে আসার কথা ভাবছিলেন তাদের মধ্যে এটা কিন্তু একটা বিরূপ প্রভাব ফেলেছে বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে আমরা মনে করি।’
ইভান তাহসীব বলেন, ‘আমরা বলতে চাই এই প্যানেলগুলোর সমর্থকরা বা পোলিং এজেন্টের দায়িত্বে ছিলেন তাঁরা কিন্তু ভোটকেন্দ্রের ভেতরে নানান ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। আর অন্যতম যে অভিযোগটা এসেছে সেটা হলো ভোটকেন্দ্রের ভেতরে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো। এই প্রচারণার মাধ্যমে ভোটারদের নানাভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার মধ্যে এটি স্পষ্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন।’
জকসু নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি প্রার্থীরা একদম নির্বাচনি কেন্দ্রের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রচারপত্র বিলি করেছেন। এরকম ঘটনাও প্রকাশ্যেই ঘটেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।’
ইভান তাহসীব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন শুধু আজকের দিনে নয়, বিগত সময়গুলোতে একদম শুরু থেকেই যখন আমরা বলেছি একটা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ এবং পক্ষপাতমুক্ত নির্বাচন হওয়া জরুরি। সেখানে প্রতিনিয়ত এখানকার নিবাচনি প্রচারণায় একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে এখানে বড় বড় দলের প্যানেলগুলো নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়েছে। জেলা পরিষদের নাম করে এখানে রাতের বেলা বিভিন্ন রাজনৈতিক পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। এসব আয়োজনে এই প্যানেলগুলো নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়েছে। বিভিন্ন প্যানেল থেকে বাসে করে পিকনিকের নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন জায়গায় খাওয়াতে নিয়ে গেছে। এগুলো প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘটেছে। যেগুলো নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কোনো প্রকার ব্যবস্থা নিতে দেখিনি। সর্বোচ্চ কিছু শোকজের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সেগুলোরে কোনো ফিডব্যাক বা ফলোআপ আমাদের কাছে আসেনি।’
নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল তুলে প্যানেলটির জিএস প্রার্থী আরও বলেন, ‘এসব কিছুর মধ্যে আমরা বলেছি এই নির্বাচনি প্রক্রিয়া ভোটগ্রহণের দিন যে সুষ্ঠু হবে, নির্বাচন কমিশন যে পক্ষপাতমুক্ত হবে সে ব্যাপারে আমাদের সন্দেহ ছিল। আজও আমরা লক্ষ্য করেছি অনেক আচরণবিধি লঙ্ঘনের পরও বিশেষ করে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের বিভিন্ন প্রতিনিধিরা আচরণবিধি লঙ্ঘনের পরও নির্বাচন কমিশন বিশেষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।’
তিনি বলেন, ‘অনেক বিরুদ্ধতার মধ্যে এই নির্বাচন আয়োজন হয়েছে, আমাদের ইচ্ছা ছিল শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ। কিন্তু সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় এবং নির্বাচন কমিশনের দুর্বলতা ছিল। এখানে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল বেলা ৯টার দিকে এবং শেষ হয়েছে বেলা ৩টার দিকে। এই যে সময় বেঁধে দেওয়া, আমরা মনে করি সর্বোচ্চ অংশগ্রহণের জন্য তা পর্যাপ্ত ছিল না। এই ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ আমরা পেয়েছি।’
এ সময় তিনি ভোট গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, বাম জোট–সমর্থিত মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেল ৯টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয় গঠিত। এই সংগঠনগুলো হলো বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, রাষ্ট্রচিন্তা, চিন্তক সাহিত্য পত্রিকা, জবি ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশন ও ইন্ডিজেনাস স্টুডেন্টস ইউনিয়ন।

সীমান্তে কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যার ১৫তম বার্ষিকীতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যই ডজন ডজন রাজনৈতিক মামলার আসামি। বেশিরভাগ মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেলেও এখনো কিছু মামলা বিচারাধীন। সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রার্থিতা বাছাইয়ে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বড় ধরনের বৈষম্যের অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।
৫ ঘণ্টা আগে