জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

‘গণতন্ত্রের’ মৃত্যু থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান : বাংলাদেশের নির্বাচননামা

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১: ৪১
স্ট্রিম গ্রাফিক

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’। ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং পরবর্তীতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেড় বছরের কার্যক্রম শেষে দেশ নতুন নির্বাচনের দোরগোড়ায়।

পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, স্বাধীন বাংলাদেশে গত ৫৫ বছরে এক ডজন জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কখনো দলীয় সরকারের অধীনে, কখনো সামরিক শাসনে, আবার কখনো নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। রক্তক্ষয়ী আন্দোলন, বয়কট, ‘মিডিয়া ক্যু’, ‘রাতের ভোট’ এবং ‘ডামি নির্বাচন’—এমন নানা বিশেষণে চিত্রিত হয়েছে এসব নির্বাচন। আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের ১২টি নির্বাচনের জয়-পরাজয়, কারচুপি আর উত্থান-পতনের ঐতিহাসিক দলিলে চোখ রাখা যাক।

প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন (১৯৭৩)

স্বাধীন দেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। সদ্য স্বাধীন দেশে তখন শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়। নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসন পেয়ে একচেটিয়া জয় পায় আওয়ামী লীগ। ১৪টি রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। বিরোধীদের মধ্যে জাতীয় লীগ ও জাসদ ১টি করে এবং স্বতন্ত্র ৫ জন প্রার্থী বিজয়ী হন। এ নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৫৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। তবে অভিযোগ রয়েছে, স্বাধীনতার পরের এই বছরগুলোর নির্বাচনও শতভাগ বিতর্কমুক্ত ছিল না। এই সংসদের মেয়াদ ছিল দুই বছর ছয় মাস।

দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন (১৯৭৯)

পঁচাত্তরের পটপরিবর্তন এবং সামরিক শাসনের পর জেনারেল জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২৯টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয় এবং ভোট পড়ে ৫১.২৯ শতাংশ। বিএনপি ২০৭টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ (মালেক) ৩৯টি ও জাসদ ৮টিসহ অন্যান্যরা বাকি আসন পায়। এই সংসদের মেয়াদ ছিল তিন বছর। অভিযোগ আছে, এই নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত গণভোট ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি।

তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন (১৯৮৬)

সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৬ সালের ৭ মে অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বিএনপি এই নির্বাচন বর্জন করে। নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ১৫৩টি আসন পায়। ভোট পড়ার হার দেখানো হয় ৬৬.৩১ শতাংশ। আওয়ামী লীগ ৭৬টি ও জামায়াতে ইসলামী ১০টি আসন পায়। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির পেশিশক্তি ও ভোটকেন্দ্র দখলের মহোৎসব চলে। মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে যে, এরশাদের অধীনে সুষ্ঠু ভোট সম্ভব নয়।

চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (১৯৮৮)

এরশাদবিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় চতুর্থ সংসদ নির্বাচন। আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এটি বর্জন করে। ভোটারশূন্য কেন্দ্র আর ‘কুকুর-বিড়ালের ভোট কেন্দ্রে উপস্থিতির’ ছবি তখন সংবাদমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়। নির্বাচন কমিশন ৫৪.৯৩ শতাংশ ভোট পড়ার দাবি করলেও বিরোধীদের দাবি ছিল ১ শতাংশ মানুষও ভোট দেয়নি। জাতীয় পার্টি ২৫১টি আসন পায়। আ স ম রবের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) পায় ১৯টি আসন।

পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন (১৯৯১)

স্বৈরাচারী এরশাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে ১৯৯০ সালে পতন ঘটে এরশাদ সরকারের। প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত হয় প্রথম নির্দলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সুষ্ঠু নির্বাচন হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের কঠোর অবস্থানে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে। নির্বাচনে বিএনপি ১৪০টি আসন পায় এবং জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে সরকার গঠন করে। আওয়ামী লীগ পায় ৮৮টি আসন। ভোট পড়েছিল ৫৫.৩৫ শতাংশ। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়।

ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬)

১৯৯১ সালের সুষ্ঠু নির্বাচনের পর ১৯৯৪ সালে মাগুরা-২ আসনের উপনির্বাচন দেশের নির্বাচনীব্যবস্থায় নতুন মোড় আনে। বিএনপি সরকারের অধীনে ওই উপনির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তোলে আওয়ামী লীগ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফের রহস্যজনক ভূমিকা এবং প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের কারণে বিরোধীরা দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দেয়। শুরু হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন। আওয়ামী লীগসহ প্রধান বিরোধী দলগুলোর বয়কটের মুখে বিএনপি সরকার ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একতরফা নির্বাচন করে। এটি ভোটারবিহীন ও প্রহসনের নির্বাচন হিসেবে পরিচিত। তবে এই সংসদের মাধ্যমেই সংবিধান সংশোধন করে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা’ প্রবর্তন করা হয়। মাত্র ১২ দিন স্থায়ী ছিল এই সংসদ।

সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন (জুন, ১৯৯৬)

আন্দোলনের মুখে খালেদা জিয়া পদত্যাগ করলে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট পড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে। সেনাবাহিনীতে ক্যু-চেষ্টা এবং নানা টানাপোড়েনের মধ্যেও নির্বাচনটি সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ১৪৬টি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসে। বিএনপি পায় ১১৬টি আসন। জাতীয় পার্টির সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেন শেখ হাসিনা।

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০০১)

আওয়ামী লীগ সরকার পূর্ণ মেয়াদ শেষ করে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিচারপতি লতিফুর রহমানের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। বিএনপি ১৯৩টি এবং জামায়াতে ইসলামী ১৭টি আসন পায়। আওয়ামী লীগ পায় ৬২টি আসন। নির্বাচনের আগে ও পরে দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা, বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগ ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে ‘স্থূল কারচুপির’ অভিযোগ তোলে।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০০৮)

২০০৬ সালে বিএনপির মেয়াদ শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান কে হবেন—তা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় দেশে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়। ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের একপাক্ষিক সিদ্ধান্তের পর দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয় এবং সেনা-সমর্থিত ড. ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসে। একে বলা হয় ‘ওয়ান-ইলেভেন’। দীর্ঘ দুই বছর পর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ছবিসহ ভোটার তালিকার ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০টি আসন পেয়ে ভূমিধস বিজয় অর্জন করে। বিএনপি পায় মাত্র ৩০টি আসন। এই নির্বাচনটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেলেও পরবর্তীতে বিএনপি একে ‘সমঝোতার নির্বাচন’ বলে অভিযোগ করে।

কারসাজির ‘মেনু’ ও নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংসের এক দশক (২০১৪-২০২৪)

২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার ২০১১ সালে আদালতের রায়ের দোহাই দিয়ে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে। এর ফলে শুরু হয় নির্বাচনী ব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী সংকটের যুগ।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০১৪)

৫ জানুয়ারি ২০১৪। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো ভোট বর্জন করে। ফলে ১৫৩টি আসনে আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্ররা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। বাকি ১৪৭ আসনে নামমাত্র ভোট হয়, যেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল নগণ্য। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে ‘গণতন্ত্রের মুখোশে স্বৈরতন্ত্রের’ যাত্রা শুরু হয়। এরশাদের জাতীয় পার্টিকে জোর করে নির্বাচনে এনে ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’ বানানো হয়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০১৮)

৩০ ডিসেম্বর ২০১৮। এই নির্বাচন ইতিহাসে ‘রাতের ভোট’ হিসেবে কুখ্যাত হয়ে আছে। বিএনপিসহ সব দল নির্বাচনে অংশ নিলেও ভোটের আগের রাতেই ব্যালট বাক্স ভর্তির অভিযোগ ওঠে। পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফলাফল পুরোপুরি সরকারের অনুকূলে নেওয়া হয়। তদন্ত কমিশনের তথ্যমতে, অনেক কেন্দ্রে ১০০ শতাংশ ভোট পড়ে এবং সব ভোট নৌকায় পড়ে—যা ছিল অবিশ্বাস্য। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জোট ৯৬ শতাংশের বেশি আসন পায়।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০২৪)

৭ জানুয়ারি ২০২৪। এই নির্বাচন পরিচিতি পায় ‘আমি ও ডামি’ নির্বাচন হিসেবে। বিএনপিবিহীন এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিজেদের দলীয় প্রার্থীদের পাশাপাশি ‘ডামি’ বা স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড় করিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ তৈরির চেষ্টা করে। কিংস পার্টি গঠন এবং জাতীয় পার্টিকে ভয়ভীতি ও লোভ দেখিয়ে নির্বাচনে আনা হয়। ভোটার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত নগণ্য (প্রাথমিক ঘোষণায় ২৮ শতাংশ, পরে ৪২ শতাংশ দেখানো হয়)। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসে।

গণ-অভ্যুত্থান এবং আগামীর নির্বাচন (২০২৪-২০২৬)

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের মাত্র সাত মাসের মাথায় ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন গণ-অভ্যুত্থানে পতন ঘটে শেখ হাসিনা সরকারের। দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তিনি। অবসান ঘটে দীর্ঘ ১৫ বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের।

৮ আগস্ট ২০২৪-এ নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারে হাত দেয়। গঠিত হয় নির্বাচন তদন্ত কমিশন, যারা বিগত তিনটি নির্বাচনের (২০১৪, ২০১৮, ২০২৪) অনিয়ম ও কারচুপির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং প্রশাসনিক সংস্কার শেষে জাতি এখন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অপেক্ষায়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। বিগত দেড় দশকে ভোটাধিকার হারানো মানুষ এবার তাদের পছন্দমতো প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাবে—এটাই সবার বিশ্বাস।

১৯৭৩ থেকে ২০২৪—বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাস এক রোলার কোস্টার রাইড। কখনো আশা, কখনো নিরাশা। কখনো উৎসব, কখনো আতঙ্ক। নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান যে গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখিয়েছিল, তা হোঁচট খেয়েছে বারবার। বিশেষ করে ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়কাল ছিল নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য অন্ধকারতম অধ্যায়।

আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অগ্নিপরীক্ষা। মাগুরা, ১৫ ফেব্রুয়ারি, কিংবা ‘রাতের ভোটের’ কলঙ্ক মুছে ফেলে বাংলাদেশ কি পারবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে? উত্তর মিলবে আর মাত্র কালই। ইতিহাস সাক্ষী হতে যাচ্ছে আরেকটি নতুন ভোরের।

তথ্যসূত্র:

১. এক নজরে ১১টি সংসদ নির্বাচন, বাংলা ট্রিবিউন, ৬ জানুয়ারি ২০২৪

২. ফিরে দেখা নির্বাচন ১৯৯১: প্রথম নির্দলীয় সরকার কেমন নির্বাচন দিয়েছিল, শিশির মোড়ল, প্রথম আলো, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৩. ফিরে দেখা নির্বাচন ১৯৯৬: এক বছরে দুটি সংসদ নির্বাচন হয়েছিল, শওকত হোসেন, প্রথম আলো, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৪. ফিরে দেখা নির্বাচন ২০০১: এত কৌশলেও জয় পেল না আওয়ামী লীগ, শওকত হোসেন, প্রথম আলো, ৪ ফেব্রয়ারি ২০২৬

৫. ফিরে দেখা নির্বাচন ২০০৮: ঘটনাবহুল সময়, সংশয়, পরে ভোট, নাজনীন আখতার, প্রথম আলো, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৬. ৫ জানুয়ারি ২০১৪: কলঙ্কিত নির্বাচনের সেই দিনগুলো, রাজীব আহমেদ, প্রথম আলো, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৭. ফিরে দেখা নির্বাচন ২০১৮: ‘রাতের ভোট’: আপনাদের ভোট হয়ে গেছে, চলে যান, ইমাম হোসেন সাঈদ ও মো. মামুন, প্রথম আলো, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৮. ফিরে দেখা নির্বাচন ২০২৪: ‘আমি ও ডামি’র সাজানো ছকে ভোট করে ৭ মাসের মধ্যে পতন, টিপু সুলতান, প্রথম আলো, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৯. বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ইতিহাস, জাহিদুল হক, ডয়চে ভেলে বাংলা, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩

১০. বাংলাদেশের গত ৩৫ বছরের জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল এক নজরে, বিবিসি বাংলা, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

Ad 300x250

সম্পর্কিত