আপনি জানেন কী, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি আন্তর্জাতিক দিবস আছে? আজ সেই দিন। প্রতিবছর ১১ ফেব্রুয়ারি ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে অফ উইমেন অ্যান্ড গার্লস ইন সায়েন্স’ বা বিজ্ঞানে নারী ও মেয়েদের আন্তর্জাতিক দিবস।
স্ট্রিম ডেস্ক

প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের দিকে তাকালে আমরা কী দেখি? শতবর্ষ ধরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় এক স্থাপত্য। কিন্তু একটু খেয়াল করে দেখলে চোখে পড়ে আরেকটি বিষয়। টাওয়ারের প্রথম বারান্দার চারপাশে সোনালি অক্ষরে লেখা আছে ৭২টি নাম। সেখানে আছে লাভোয়াসিয়ে, অ্যাম্পিয়ার, ফুরিয়ারের মতো বিখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও প্রকৌশলীদের নাম। গুস্তাভ আইফেল ১৮৮৯ সালে টাওয়ারটি তৈরির সময় এই নামগুলো খোদাই করেছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি সম্মান জানাতে।
কিন্তু এই ৭২টি নামের তালিকায় একটিও নারীর নাম নেই। যেন বিজ্ঞানের জগতে নারীদের কোনো অবদানই ছিল না। কিন্তু ইতিহাস অন্য কথা বলে। এই টাওয়ার দাঁড়িয়ে আছে ‘ইলাস্টিসিটি’ বা স্থিতিস্থাপকতার গাণিতিক তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে। তার গাণিতিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন একজন নারী। তাঁর নাম সোফি জার্মেইন। তবুও, তাঁর কাজের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই স্থাপনাতেই তাঁর নাম জায়গা পায়নি। শুধু তিনিই নন। বিজ্ঞানের ইতিহাসে আরও অনেক নারীর অবদান ছিল, যাঁরা স্বীকৃতি পাননি।
অবশেষে ১৩৫ বছর পর প্যারিস এই ভুল শুধরানোর উদ্যোগ নিয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, আইফেল টাওয়ারে খোদাই করা হবে ৭২ জন নারী বিজ্ঞানীর নাম। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নারীর এই অবদান স্বীকার করার উদ্যোগটি অনেক দেরিতে নেওয়া হলেও প্যারিসের এই সিদ্ধান্ত প্রশংসাজনক।
আপনি জানেন কী, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি আন্তর্জাতিক দিবস আছে? আজ সেই দিন। প্রতিবছর ১১ ফেব্রুয়ারি ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে অফ উইমেন অ্যান্ড গার্লস ইন সায়েন্স’ বা বিজ্ঞানে নারী ও মেয়েদের আন্তর্জাতিক দিবস।
অনেকে ভাবতে পারেন, বিজ্ঞান তো সবার জন্য। সেখানে নারী-পুরুষের ভেদাভেদ থাকার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ইতিহাসের দীর্ঘ সময়জুড়ে নারীদের বিজ্ঞানের মূলধারা থেকে দূরে রাখা হয়েছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের ভর্তি নেওয়া হতো না। অনেক গবেষণাগারে তাদের কাজ করার সুযোগ ছিল সীমিত। এমনকি কেউ বড় আবিষ্কারে ভূমিকা রাখলেও, সেই কৃতিত্ব যেত পুরুষ সহকর্মীর নামে। ফলে বিজ্ঞানের ইতিহাসের পাতা দীর্ঘদিন একপেশে থেকেছে।
তবু নারীরা থেমে থাকেননি। তারা গবেষণা করেছেন, নতুন তত্ত্ব দিয়েছেন, ল্যাবরেটরিতে কাজ করেছেন, ডেটা বিশ্লেষণ করেছেন, আকাশের নক্ষত্র গুনেছেন, রোগের প্রতিষেধক খুঁজেছেন। কিন্তু সেই অবদানের অনেকটাই রয়ে গেছে আড়ালে।
এই বাস্তবতা থেকেই জাতিসংঘ ২০১৫ সালে ১১ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞানে, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতে দিনটিকে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। উদ্দেশ্য ছিল দুটি। প্রথমত বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে নারীদের পূর্ণ ও সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। অর্থাৎ, শুধু অংশগ্রহণ নয়, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্তগ্রহণের জায়গাতেও তাদের উপস্থিতি বাড়ানো।
দ্বিতীয়ত, লিঙ্গ সমতা অর্জন। যাতে মেয়েরা ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানকে নিজেদের জন্য ভাবতে পারে, এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে যেতে পারে।
কারণ, ইউনেসকোর ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বিশ্বজুড়ে গবেষকদের মধ্যে নারীর হার ছিল মাত্র ৩৩ শতাংশ। আর ডেটা সায়েন্স বা উচ্চপ্রযুক্তি খাতে এই হার আরও কম, প্রায় ২২ শতাংশ।
এই সংখ্যা শুধু পরিসংখ্যান নয়। এটি দেখায় যে সম্ভাবনার বড় একটি অংশ এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অথচ যুগ যুগ ধরে বিজ্ঞানে নারীর অবদান গভীর ও গুরুত্বপূর্ণ। মহাকাশ গবেষণা থেকে চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা থেকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং—সবখানেই তাদের অবদান রয়েছে।

প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের দিকে তাকালে আমরা কী দেখি? শতবর্ষ ধরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় এক স্থাপত্য। কিন্তু একটু খেয়াল করে দেখলে চোখে পড়ে আরেকটি বিষয়। টাওয়ারের প্রথম বারান্দার চারপাশে সোনালি অক্ষরে লেখা আছে ৭২টি নাম। সেখানে আছে লাভোয়াসিয়ে, অ্যাম্পিয়ার, ফুরিয়ারের মতো বিখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও প্রকৌশলীদের নাম। গুস্তাভ আইফেল ১৮৮৯ সালে টাওয়ারটি তৈরির সময় এই নামগুলো খোদাই করেছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি সম্মান জানাতে।
কিন্তু এই ৭২টি নামের তালিকায় একটিও নারীর নাম নেই। যেন বিজ্ঞানের জগতে নারীদের কোনো অবদানই ছিল না। কিন্তু ইতিহাস অন্য কথা বলে। এই টাওয়ার দাঁড়িয়ে আছে ‘ইলাস্টিসিটি’ বা স্থিতিস্থাপকতার গাণিতিক তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে। তার গাণিতিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন একজন নারী। তাঁর নাম সোফি জার্মেইন। তবুও, তাঁর কাজের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই স্থাপনাতেই তাঁর নাম জায়গা পায়নি। শুধু তিনিই নন। বিজ্ঞানের ইতিহাসে আরও অনেক নারীর অবদান ছিল, যাঁরা স্বীকৃতি পাননি।
অবশেষে ১৩৫ বছর পর প্যারিস এই ভুল শুধরানোর উদ্যোগ নিয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, আইফেল টাওয়ারে খোদাই করা হবে ৭২ জন নারী বিজ্ঞানীর নাম। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নারীর এই অবদান স্বীকার করার উদ্যোগটি অনেক দেরিতে নেওয়া হলেও প্যারিসের এই সিদ্ধান্ত প্রশংসাজনক।
আপনি জানেন কী, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি আন্তর্জাতিক দিবস আছে? আজ সেই দিন। প্রতিবছর ১১ ফেব্রুয়ারি ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে অফ উইমেন অ্যান্ড গার্লস ইন সায়েন্স’ বা বিজ্ঞানে নারী ও মেয়েদের আন্তর্জাতিক দিবস।
অনেকে ভাবতে পারেন, বিজ্ঞান তো সবার জন্য। সেখানে নারী-পুরুষের ভেদাভেদ থাকার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ইতিহাসের দীর্ঘ সময়জুড়ে নারীদের বিজ্ঞানের মূলধারা থেকে দূরে রাখা হয়েছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের ভর্তি নেওয়া হতো না। অনেক গবেষণাগারে তাদের কাজ করার সুযোগ ছিল সীমিত। এমনকি কেউ বড় আবিষ্কারে ভূমিকা রাখলেও, সেই কৃতিত্ব যেত পুরুষ সহকর্মীর নামে। ফলে বিজ্ঞানের ইতিহাসের পাতা দীর্ঘদিন একপেশে থেকেছে।
তবু নারীরা থেমে থাকেননি। তারা গবেষণা করেছেন, নতুন তত্ত্ব দিয়েছেন, ল্যাবরেটরিতে কাজ করেছেন, ডেটা বিশ্লেষণ করেছেন, আকাশের নক্ষত্র গুনেছেন, রোগের প্রতিষেধক খুঁজেছেন। কিন্তু সেই অবদানের অনেকটাই রয়ে গেছে আড়ালে।
এই বাস্তবতা থেকেই জাতিসংঘ ২০১৫ সালে ১১ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞানে, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতে দিনটিকে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। উদ্দেশ্য ছিল দুটি। প্রথমত বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে নারীদের পূর্ণ ও সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। অর্থাৎ, শুধু অংশগ্রহণ নয়, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্তগ্রহণের জায়গাতেও তাদের উপস্থিতি বাড়ানো।
দ্বিতীয়ত, লিঙ্গ সমতা অর্জন। যাতে মেয়েরা ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানকে নিজেদের জন্য ভাবতে পারে, এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে যেতে পারে।
কারণ, ইউনেসকোর ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বিশ্বজুড়ে গবেষকদের মধ্যে নারীর হার ছিল মাত্র ৩৩ শতাংশ। আর ডেটা সায়েন্স বা উচ্চপ্রযুক্তি খাতে এই হার আরও কম, প্রায় ২২ শতাংশ।
এই সংখ্যা শুধু পরিসংখ্যান নয়। এটি দেখায় যে সম্ভাবনার বড় একটি অংশ এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অথচ যুগ যুগ ধরে বিজ্ঞানে নারীর অবদান গভীর ও গুরুত্বপূর্ণ। মহাকাশ গবেষণা থেকে চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা থেকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং—সবখানেই তাদের অবদান রয়েছে।

বিপদগ্রস্ত মানুষের উপকারে আসে– এমন সব বিষয়ের সমাধান পদ্ধতি নিয়ে অমর একুশে বইমেলায় আলোচনায় এসেছে ‘ছোটদের ফার্স্ট এইড’ বই।
১৩ ঘণ্টা আগে
একটু খেয়াল করলে দেখবেন, সব দোকানে সমান ভিড় থাকে না। কিছু নির্দিষ্ট দোকানে মানুষের ভিড় সবচেয়ে বেশি। তখন প্রশ্নটা স্বাভাবিকভাবেই আসে, কেন অনেক মানুষ একই ধরনের পোশাক বা একই দোকানের দিকে ছুটে যায়?
১৩ ঘণ্টা আগে
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীর যেমন একটু ধীর হয়ে যায়, তেমনি মস্তিষ্কের কাজের গতি কিছুটা কমে। এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। স্নায়ুবিজ্ঞানীরা বলেন, শরীর ভালো রাখতে যেমন ব্যায়াম দরকার, তেমনি মস্তিষ্ক ভালো রাখতে দরকার কিছু ‘মানসিক ব্যায়াম’। কয়েকটি সহজ অভ্যাস স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে সাহা
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে জসীমউদ্দীন অনন্য নাম। তাঁর মৃত্যুদিন ১৩ মার্চ। তিনি বৃহত্তর বাংলা ও বাংলাদেশের মানসজগতের কবি। তাঁর রচনায় যেমন আছে প্রেম, বিরহ ও মৃত্যু, তেমনি আছে গ্রামীণ মানুষের হাসি-কান্না, উৎসব, সংগ্রাম এবং লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য।
১ দিন আগে