ইশতেহারে ৯ গুরুত্ব
স্ট্রিম প্রতিবেদক

সংবিধানে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিতে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন করার কথা জানিয়েছে বিএনপি। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইশতেহারে এ প্রতিশ্রুতির কথা বলেছে দলটি।
ইশতেহারে বলা হয়, বিএনপি সব বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক সাংবিধানিক সংশোধনী ও বিধানাবলী পর্যালোচনা ও পুনঃপরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার করবে। রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে ৩১ দফার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার করবে।
১৯৭২ সালের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি ছিল— জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। তখন ‘আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস’ বা বিসমিল্লাহ—এই বিষয়গুলো সংবিধানে ছিল না। ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
২০০৫ সালে ‘বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড বনাম বাংলাদেশ সরকার’ মামলায় হাইকোর্ট পঞ্চম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে। পরে তৎকালীন বিএনপি সরকার এর বিরুদ্ধে আপিল করে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১০ সালে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশনা দেন, বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চার মূলনীতি (ধর্মনিরপেক্ষতাসহ) ফিরিয়ে আনতে হবে।
সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী আনে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ বাক্যটি বাদ দেওয়া হয়। ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ নীতিটি পুনঃস্থাপন করা হয়। তবে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ এবং ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ (যা অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যুক্ত করেছিলেন) বহাল রাখা হয়।
বিএনপি ইশতেহারে সংবিধান সংস্কারের আরও বেশ কয়েকটি দিক তুলে ধরেছে। দলটি বলেছে, ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর জুলাই জাতীয় সনদ যে আঙ্গিকে ঐকমত্য ও স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেগুলো সে মতে বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তন, নিম্নকক্ষের আসনের অনুপাতে ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠা, একই ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী পদে ১০ বছরের বেশি না রাখার মতো সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরেছে বিএনপি।
ইশতেহারে বলা হয়, নির্বাচনকালীন ‘দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা কেমন হবে তা পরবর্তী সংসদে আলোচনা এবং স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। তবে বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বাইরে রাখতে চায় বিএনপি। দলটি বলেছে, একজন উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি করা হবে এবং তিনি রাষ্ট্রপতির মতোই নির্বাচিত হবেন।
ইশতেহারে বলা হয়, একজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী পদে যত মেয়াদ বা যত বারই হোক, তিনি সর্বোচ্চ ১০ বছর অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের পদেও অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন।
বিদ্যমান সংসদীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উচ্চকক্ষ প্রবর্তন করা হবে। রাজনৈতিক দলসমূহ নিম্নকক্ষের অর্জিত ব্যক্তি ও অন্যান্য পেশাজীবীদের সমন্বয়ে সংসদে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবে।
বিএনপির ইশতেহারে এও বলা হয়েছে, নিম্নকক্ষের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় উচ্চকক্ষের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের প্রয়োজন হবে না। উচ্চকক্ষে কমপক্ষে ১০ শতাংশ নারী সদস্য থাকবেন।
এছাড়া আস্থাভোট, অর্থবিল, সংবিধান সংশোধনী বিল এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত এমন সব বিষয় ছাড়া অন্যসব বিষয়ে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতামত প্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে।
ইশতেহারে ‘ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন’ গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে বিএনপি। বলা হয়েছে, ঘোষিত ‘ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন কমিশন’-এর আলোকে ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক ও পুনর্বাসনমূলক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একটি ‘ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন’ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সময়ে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনগুলোর সত্য উদ্ঘাটন করা হবে, যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের অর্থবহ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হবে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধীদের জবাবদিহি ও শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।

সংবিধানে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিতে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন করার কথা জানিয়েছে বিএনপি। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইশতেহারে এ প্রতিশ্রুতির কথা বলেছে দলটি।
ইশতেহারে বলা হয়, বিএনপি সব বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক সাংবিধানিক সংশোধনী ও বিধানাবলী পর্যালোচনা ও পুনঃপরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার করবে। রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে ৩১ দফার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার করবে।
১৯৭২ সালের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি ছিল— জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। তখন ‘আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস’ বা বিসমিল্লাহ—এই বিষয়গুলো সংবিধানে ছিল না। ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
২০০৫ সালে ‘বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড বনাম বাংলাদেশ সরকার’ মামলায় হাইকোর্ট পঞ্চম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে। পরে তৎকালীন বিএনপি সরকার এর বিরুদ্ধে আপিল করে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১০ সালে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশনা দেন, বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চার মূলনীতি (ধর্মনিরপেক্ষতাসহ) ফিরিয়ে আনতে হবে।
সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী আনে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ বাক্যটি বাদ দেওয়া হয়। ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ নীতিটি পুনঃস্থাপন করা হয়। তবে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ এবং ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ (যা অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যুক্ত করেছিলেন) বহাল রাখা হয়।
বিএনপি ইশতেহারে সংবিধান সংস্কারের আরও বেশ কয়েকটি দিক তুলে ধরেছে। দলটি বলেছে, ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর জুলাই জাতীয় সনদ যে আঙ্গিকে ঐকমত্য ও স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেগুলো সে মতে বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তন, নিম্নকক্ষের আসনের অনুপাতে ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠা, একই ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী পদে ১০ বছরের বেশি না রাখার মতো সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরেছে বিএনপি।
ইশতেহারে বলা হয়, নির্বাচনকালীন ‘দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা কেমন হবে তা পরবর্তী সংসদে আলোচনা এবং স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। তবে বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বাইরে রাখতে চায় বিএনপি। দলটি বলেছে, একজন উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি করা হবে এবং তিনি রাষ্ট্রপতির মতোই নির্বাচিত হবেন।
ইশতেহারে বলা হয়, একজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী পদে যত মেয়াদ বা যত বারই হোক, তিনি সর্বোচ্চ ১০ বছর অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের পদেও অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন।
বিদ্যমান সংসদীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উচ্চকক্ষ প্রবর্তন করা হবে। রাজনৈতিক দলসমূহ নিম্নকক্ষের অর্জিত ব্যক্তি ও অন্যান্য পেশাজীবীদের সমন্বয়ে সংসদে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবে।
বিএনপির ইশতেহারে এও বলা হয়েছে, নিম্নকক্ষের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় উচ্চকক্ষের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের প্রয়োজন হবে না। উচ্চকক্ষে কমপক্ষে ১০ শতাংশ নারী সদস্য থাকবেন।
এছাড়া আস্থাভোট, অর্থবিল, সংবিধান সংশোধনী বিল এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত এমন সব বিষয় ছাড়া অন্যসব বিষয়ে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতামত প্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে।
ইশতেহারে ‘ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন’ গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে বিএনপি। বলা হয়েছে, ঘোষিত ‘ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন কমিশন’-এর আলোকে ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক ও পুনর্বাসনমূলক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একটি ‘ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন’ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সময়ে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনগুলোর সত্য উদ্ঘাটন করা হবে, যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের অর্থবহ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হবে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধীদের জবাবদিহি ও শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।

ঢাকা-১৮ (বৃহত্তর উত্তরা) আসনের বাসিন্দাদের গ্যাস-সমস্যা থেকে মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম।
১৭ মিনিট আগে
প্রত্যেক নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড প্রদান এবং জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি চিকিৎসা সেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
৩৪ মিনিট আগে
পাঁচ বছরে এক কোটি জনশক্তি বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ জন্য বিভিন্ন অবকাঠামোগত এবং পলিসিগত কার্যক্রম সূচনা এবং ক্ষেত্রবিশেষে বিদ্যমান ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নের কথা বলছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যমুনা অভিমুখে সংগঠনের মিছিল আটকে দিলে এ সংঘর্ষ হয়।
১ ঘণ্টা আগে