স্ট্রিম প্রতিবেদক

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যমুনা অভিমুখে সংগঠনের মিছিল আটকে দিলে এ সংঘর্ষ হয়।
আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল জাবের ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি ইনকিলাব মঞ্চের।
হামলার প্রতিবাদে আন্দোলনকারীরা প্রথমে শাহবাগ মোড়, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হয়ে সমাবেশ করেন। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন নেতাকর্মীরা।
রাজু ভাস্কর্যের সমাবেশে তাহরিম জান্নাত সুরভি জানান, যমুনার সামনে সারারাত না ঘুমিয়ে, না খেয়ে তারা অবস্থান করছিলেন। কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য জানতে চাইলে উল্টো টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও গুলি চালানো হয়।
সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘চার কোটি রাজাকার এবার কলম ছেড়ে অস্ত্র ধরবে। ইউনূস সরকারকে হামলার জবাব দিতে হবে। দেশে কোনো নির্বাচন হচ্ছে না। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে সিলেকশন হচ্ছে।’

সুরভি বলেন, ‘হামলা হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চ আজ রক্তাক্ত। আমাদের ভাইদের অনুপস্থিতিতে বাংলার প্রতিটি মানুষ এখন ইনকিলাব মঞ্চ। আমরা হামলা মেনে নেব না, ঘরেও বসে থাকব না।’
ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করে তিনি বলেন, ‘আমরা রাজু থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে যাব এবং সেখানে অবস্থান করব।’
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তাদের দাবি, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের জন্য শুক্রবারের মধ্যে চিঠি পাঠাতে হবে। এই কর্মসূচিতে ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা, ডাকসুর নেতা ফাতিমা তাসনিম জুমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়ে। বেলা ৫টা পর্যন্ত বাংলামোটর এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যমুনা অভিমুখে সংগঠনের মিছিল আটকে দিলে এ সংঘর্ষ হয়।
আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল জাবের ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি ইনকিলাব মঞ্চের।
হামলার প্রতিবাদে আন্দোলনকারীরা প্রথমে শাহবাগ মোড়, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হয়ে সমাবেশ করেন। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন নেতাকর্মীরা।
রাজু ভাস্কর্যের সমাবেশে তাহরিম জান্নাত সুরভি জানান, যমুনার সামনে সারারাত না ঘুমিয়ে, না খেয়ে তারা অবস্থান করছিলেন। কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য জানতে চাইলে উল্টো টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও গুলি চালানো হয়।
সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘চার কোটি রাজাকার এবার কলম ছেড়ে অস্ত্র ধরবে। ইউনূস সরকারকে হামলার জবাব দিতে হবে। দেশে কোনো নির্বাচন হচ্ছে না। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে সিলেকশন হচ্ছে।’

সুরভি বলেন, ‘হামলা হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চ আজ রক্তাক্ত। আমাদের ভাইদের অনুপস্থিতিতে বাংলার প্রতিটি মানুষ এখন ইনকিলাব মঞ্চ। আমরা হামলা মেনে নেব না, ঘরেও বসে থাকব না।’
ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করে তিনি বলেন, ‘আমরা রাজু থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে যাব এবং সেখানে অবস্থান করব।’
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তাদের দাবি, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের জন্য শুক্রবারের মধ্যে চিঠি পাঠাতে হবে। এই কর্মসূচিতে ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা, ডাকসুর নেতা ফাতিমা তাসনিম জুমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়ে। বেলা ৫টা পর্যন্ত বাংলামোটর এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে চলমান কর্মসূচিতে পুলিশের হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রাষ্ট্রীয় বাহিনী ব্যবহার করে আন্দোলন দমনকে সরকারের দুঃসাহসিক অপচেষ্টা বলেছে দলটি।
৩৬ মিনিট আগে
বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে দুর্নীতি দমন, আইনের শাসন ও জবাবদিহির বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার বিকেলে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণাকালে এসব কথা বলেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৮ (বৃহত্তর উত্তরা) আসনের বাসিন্দাদের গ্যাস-সমস্যা থেকে মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম।
২ ঘণ্টা আগে
প্রত্যেক নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড প্রদান এবং জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি চিকিৎসা সেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে