স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ইশতেহারে ৯টি মূল প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘উই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’-এর আলোকে এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও করেছে।
বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো হলো– ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা, ক্রীড়াকে পেশায় পরিণত, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ, ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের সম্মানী ও ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলা।
শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই ইশতেহার ঘোষণা করে বিএনপি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ইশতেহার পাঠ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
স্বাগত বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকে বিএনপির এক নতুন ইতিহাস, এক নতুন অধ্যায় আজকে। আমাদের তরুণ নেতৃত্ব তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহার আমাদের সামনে উপস্থাপন করবেন। এই নতুন নেতৃত্ব বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশের সম্পূর্ণ একটি নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা নিয়ে আসছেন। মানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্যে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটা নতুন সূর্যোদয় হবে।’
অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর ঘোষিত ‘উই হ্যাভ অ্যা প্ল্যানের’ আলোকে একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে জনগণের সামনে দলের ৯টি প্রধান নির্বাচনি অঙ্গীকার উপস্থাপন করেন।
তিনি জানান, আগামী সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দলটি দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, অর্থ সেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বিমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মৎস্যচাষি, খামারি ও কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন।
দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন, প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা এবং ‘মিড-ডে মিল’ চালু করা হবে।
এছাড়া তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্ত এবং মেধাভিত্তিক সহায়তা, বৈশ্বিক ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্ট-আপ ও উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে।
ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে।
পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল খনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে।
ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের গুরুদের সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
ডিজিটাল অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম (পেপাল) চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণ করা হবে।
বিএনপি ইশতেহারে বলেছে, কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। বিএনপি প্রতিশোধ নয়, ন্যায় ও মানবিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই তাদের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। লুটপাট নয়, উৎপাদন; ভয় নয়, অধিকার; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা-এই নীতিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।
আরও বলা হয়, জনগণের রায়ে দায়িত্ব পেলে বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবে, যেখানে ভোটের মর্যাদা থাকবে, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান হবে এবং আইনের ঊর্ধ্বে কেউ থাকবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ইশতেহারে ৯টি মূল প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘উই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’-এর আলোকে এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও করেছে।
বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো হলো– ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা, ক্রীড়াকে পেশায় পরিণত, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ, ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের সম্মানী ও ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলা।
শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই ইশতেহার ঘোষণা করে বিএনপি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ইশতেহার পাঠ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
স্বাগত বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকে বিএনপির এক নতুন ইতিহাস, এক নতুন অধ্যায় আজকে। আমাদের তরুণ নেতৃত্ব তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহার আমাদের সামনে উপস্থাপন করবেন। এই নতুন নেতৃত্ব বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশের সম্পূর্ণ একটি নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা নিয়ে আসছেন। মানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্যে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটা নতুন সূর্যোদয় হবে।’
অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর ঘোষিত ‘উই হ্যাভ অ্যা প্ল্যানের’ আলোকে একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে জনগণের সামনে দলের ৯টি প্রধান নির্বাচনি অঙ্গীকার উপস্থাপন করেন।
তিনি জানান, আগামী সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দলটি দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, অর্থ সেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বিমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মৎস্যচাষি, খামারি ও কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন।
দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন, প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা এবং ‘মিড-ডে মিল’ চালু করা হবে।
এছাড়া তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্ত এবং মেধাভিত্তিক সহায়তা, বৈশ্বিক ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্ট-আপ ও উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে।
ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে।
পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল খনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে।
ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের গুরুদের সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
ডিজিটাল অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম (পেপাল) চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণ করা হবে।
বিএনপি ইশতেহারে বলেছে, কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। বিএনপি প্রতিশোধ নয়, ন্যায় ও মানবিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই তাদের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। লুটপাট নয়, উৎপাদন; ভয় নয়, অধিকার; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা-এই নীতিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।
আরও বলা হয়, জনগণের রায়ে দায়িত্ব পেলে বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবে, যেখানে ভোটের মর্যাদা থাকবে, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান হবে এবং আইনের ঊর্ধ্বে কেউ থাকবে না।

ক্ষমতায় গেলে দেশের শিক্ষিত বেকারদের ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে বিএনপি। ইশতেহারে বলা হয়েছে, শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত অথবা কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত (যা আগে ঘটবে ভিত্তিতে) বিশেষ আর্থিক ভাতা প্রদান করা হবে।
৪ মিনিট আগে
এবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির নির্বাচনের ইশতেহার পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাচ্ছে, তারা কেবল গতানুগতিক প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না, বেশ কিছু ‘ব্যতিক্রমী’ ও ‘নতুন শব্দ’ ব্যবহার করেছে। ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’, ‘ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং’ কিংবা ‘পিআর পদ্ধতি’– এর মতো শব্দগুলো এখন কেবল তাত্ত্বিক আলোচনায় সীমাব
১৪ মিনিট আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘বিএনপি ধর্মান্ধতায় নয়, ধর্মীয় সহনশীলতায় বিশ্বাস করে। সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে নিয়ে বাংলাদেশি পরিচয়ের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
২৪ মিনিট আগে
বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে কৃষি খাতের পরিবর্তন ও কৃষকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আলোচিত ‘কৃষক কার্ড’ প্রবর্তনের দিয়েছে দলটি। এর মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক সংগ্রহ করতে পারবেন।
২৫ মিনিট আগে