স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাণিজ্য কূটনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা ধরে রাখতে আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জাপানের সঙ্গে দেশের প্রথম ‘ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট’ (ইপিএ) বা অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এতে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা বড় সুবিধা পাবেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের পর জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা ও বাণিজ্য সচিব। জাপানের রাজধানী টোকিওতে আজ ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (বিজেইপিএ) সই হবে। ৪ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তাঁরা টোকিও যাচ্ছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, বাণিজ্য উপদেষ্টা ও বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে প্রতিনিধিদলে আরও চারজন সদস্য রয়েছেন। তাঁরা হলেন—বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) অনুবিভাগের প্রধান আয়েশা আক্তার, যুগ্ম সচিব ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ, উপসচিব মাহবুবা খাতুন মিনু এবং সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ হাসিব সরকার। এই চার কর্মকর্তা গত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকেই টোকিওতে অবস্থান করছেন।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পাওয়া এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা বড় সুবিধা পাবেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবেন। এর মধ্যে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতসহ প্রায় ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এর বিপরীতে জাপান বাংলাদেশের বাজারে ১ হাজার ৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। তবে জাপানি গাড়ি এই চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জাপানের গাড়ি শুল্কমুক্ত না রাখার সিদ্ধান্তটি সচেতনভাবে নেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জাপানি উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগে উৎসাহিত করা, বিশেষ করে যানবাহন উৎপাদন খাতে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, এর ফলে স্থানীয় গাড়ি শিল্পে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ আসতে পারে।
বর্তমানে জাপান এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য। প্রতি বছর দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার বড় অংশই তৈরি পোশাক। অন্যদিকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপান থেকে বাংলাদেশের আমদানি প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। বছরে আমদানির পরিমাণ ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন থেকে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী এই চিত্র পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইপিএ কার্যকর হলে একদিকে রপ্তানি বাড়বে, অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বড় সুযোগ তৈরি হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই ইপিএ শুধু শুল্ক বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়। এতে সেবা খাতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কাস্টমস প্রক্রিয়া এবং মেধাস্বত্ব অধিকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ জাপানের জন্য ৯৭টি সেবা উপখাত উন্মুক্ত করবে। এর বিপরীতে জাপান বাংলাদেশের জন্য ১২০টি সেবা উপখাত খুলে দেবে। কর্মকর্তাদের আশা, এর ফলে প্রযুক্তি স্থানান্তর ত্বরান্বিত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বাড়বে। বর্তমানে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি ডলার, যা জাপানের বৈশ্বিক বিনিয়োগের তুলনায় খুবই সামান্য। তবে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জাপানি প্রতিষ্ঠান নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বিশেষ জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চলে কার্যক্রম শুরু করেছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নথি অনুযায়ী, ‘একক ধাপ রূপান্তর’ (সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন) নীতির আওতায় তৈরি পোশাক খাত তাৎক্ষণিকভাবে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এলডিসি-পরবর্তী প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির সময় একে বাংলাদেশের পোশাক খাতের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ভারত, চীন, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, আসিয়ান জোট এবং আরসিইপি-র মতো দেশ ও জোটের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এর উদ্দেশ্য হলো এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের উপস্থিতি আরও বিস্তৃত করা। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ কেবল ২০২০ সালে ভুটানের সঙ্গে একটি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) সই করেছিল। জাপানের সঙ্গে এই ইপিএই বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য চুক্তি।
উল্লেখ্য, গত মাসে জাপান বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) ঘোষণা দিয়েছে যে তারা ২০২৯ সাল পর্যন্ত আরও তিন বছর বাংলাদেশের জন্য শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখবে।

বাণিজ্য কূটনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা ধরে রাখতে আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জাপানের সঙ্গে দেশের প্রথম ‘ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট’ (ইপিএ) বা অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এতে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা বড় সুবিধা পাবেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের পর জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা ও বাণিজ্য সচিব। জাপানের রাজধানী টোকিওতে আজ ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (বিজেইপিএ) সই হবে। ৪ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তাঁরা টোকিও যাচ্ছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, বাণিজ্য উপদেষ্টা ও বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে প্রতিনিধিদলে আরও চারজন সদস্য রয়েছেন। তাঁরা হলেন—বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) অনুবিভাগের প্রধান আয়েশা আক্তার, যুগ্ম সচিব ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ, উপসচিব মাহবুবা খাতুন মিনু এবং সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ হাসিব সরকার। এই চার কর্মকর্তা গত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকেই টোকিওতে অবস্থান করছেন।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পাওয়া এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা বড় সুবিধা পাবেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবেন। এর মধ্যে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতসহ প্রায় ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এর বিপরীতে জাপান বাংলাদেশের বাজারে ১ হাজার ৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। তবে জাপানি গাড়ি এই চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জাপানের গাড়ি শুল্কমুক্ত না রাখার সিদ্ধান্তটি সচেতনভাবে নেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জাপানি উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগে উৎসাহিত করা, বিশেষ করে যানবাহন উৎপাদন খাতে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, এর ফলে স্থানীয় গাড়ি শিল্পে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ আসতে পারে।
বর্তমানে জাপান এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য। প্রতি বছর দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার বড় অংশই তৈরি পোশাক। অন্যদিকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপান থেকে বাংলাদেশের আমদানি প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। বছরে আমদানির পরিমাণ ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন থেকে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী এই চিত্র পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইপিএ কার্যকর হলে একদিকে রপ্তানি বাড়বে, অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বড় সুযোগ তৈরি হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই ইপিএ শুধু শুল্ক বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়। এতে সেবা খাতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কাস্টমস প্রক্রিয়া এবং মেধাস্বত্ব অধিকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ জাপানের জন্য ৯৭টি সেবা উপখাত উন্মুক্ত করবে। এর বিপরীতে জাপান বাংলাদেশের জন্য ১২০টি সেবা উপখাত খুলে দেবে। কর্মকর্তাদের আশা, এর ফলে প্রযুক্তি স্থানান্তর ত্বরান্বিত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বাড়বে। বর্তমানে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি ডলার, যা জাপানের বৈশ্বিক বিনিয়োগের তুলনায় খুবই সামান্য। তবে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জাপানি প্রতিষ্ঠান নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বিশেষ জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চলে কার্যক্রম শুরু করেছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নথি অনুযায়ী, ‘একক ধাপ রূপান্তর’ (সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন) নীতির আওতায় তৈরি পোশাক খাত তাৎক্ষণিকভাবে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এলডিসি-পরবর্তী প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির সময় একে বাংলাদেশের পোশাক খাতের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ভারত, চীন, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, আসিয়ান জোট এবং আরসিইপি-র মতো দেশ ও জোটের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এর উদ্দেশ্য হলো এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের উপস্থিতি আরও বিস্তৃত করা। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ কেবল ২০২০ সালে ভুটানের সঙ্গে একটি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) সই করেছিল। জাপানের সঙ্গে এই ইপিএই বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য চুক্তি।
উল্লেখ্য, গত মাসে জাপান বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) ঘোষণা দিয়েছে যে তারা ২০২৯ সাল পর্যন্ত আরও তিন বছর বাংলাদেশের জন্য শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখবে।

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশে মৌলিক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
১৫ ঘণ্টা আগে
চলমান কর্মবিরতি ও জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ায় দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে সৃষ্ট এই নজিরবিহীন সংকট নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দেশের শীর্ষ ১০টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।
১৫ ঘণ্টা আগে
দেশের অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে দ্রুত চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। সংস্থাটি বলেছে, বন্দরের চলমান অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে দেশের রপ্তানি, আমদানি, বিনিয়োগ এবং ভোক্তা বাজার—সব ক্ষেত্রেই মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইনফোসরকার-৩ প্রকল্পের চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর পাশাপাশি জাতীয় ফাইবার ব্যবহারে স্পষ্ট নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২ দিন আগে