স্ট্রিম ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট নিয়ে অনেকের মনে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে ‘একদিনে দুই ভোট’ বিষয়টি নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। কেউ কেউ হয়ত ভাবছেন, হয়ত আলাদা আলাদা ভাবে দুইবার লাইনে দাঁড়াতে হবে। কিন্তু চিন্তার কোনো কারণ নেই। আজকের লেখায় আমরা ধাপে ধাপে জানব, কীভাবে আপনি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আপনার মূল্যবান রায় প্রদান করবেন।
ভোটের দিন সকাল সকাল আপনার নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রে চলে যান। কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ ভোটারদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা থাকবে। লাইনের শুরুতেই আপনার ভোটার ক্রমিক নম্বর এবং আপনি কোন কক্ষে ভোট দেবেন, তা উল্লেখ করা থাকবে। যদি কক্ষ খুঁজে পেতে সমস্যা হয়, তবে সেখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা আপনাকে সাহায্য করবেন।
আপনার নির্ধারিত ভোটকক্ষে প্রবেশের পর প্রথমেই ১নং পোলিং অফিসারের কাছে যেতে হবে। তিনি আপনার নাম ও ভোটার নম্বর জিজ্ঞাসা করবেন এবং ভোটার তালিকায় থাকা ছবির সঙ্গে আপনার চেহারা মিলিয়ে দেখবেন। নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি আপনার নাম ও ক্রমিক নম্বর জোরে উচ্চারণ করবেন, যাতে পোলিং এজেন্টরা শুনতে পান।
এরপর ২য় পোলিং অফিসার আপনার আঙুলে অমোচনীয় কালি লাগিয়ে দেবেন।
কালি লাগানোর পর আপনাকে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে যেতে হবে। সেখানে ভোটার তালিকায় স্বাক্ষর বা টিপসই দিয়ে আপনাকে দুটি ব্যালট পেপার সংগ্রহ করতে হবে। গোলাপি ব্যালট পেপারটি গণভোটের জন্য আর সাদা-কালো ব্যালটটি সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য।
ব্যালট পেপারের সঙ্গে সিল মারার জন্য আপনাকে একটি রাবার স্ট্যাম্পও দেওয়া হবে।
ব্যালট ও স্ট্যাম্প নিয়ে আপনাকে গোপন কক্ষে যেতে হবে। সময় বাঁচানোর জন্য অনেক কেন্দ্রে একাধিক গোপন কক্ষ থাকতে পারে।
গণভোটের জন্য গোলাপি রঙের ব্যালট পেপারে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’—এই দুটি ঘর থাকবে। আপনি যদি সংস্কার বা পরিবর্তন চান, তবে ‘হ্যাঁ’ ঘরে সিল দিন। আর যদি সংস্কার না চান, তবে ‘না’ ঘরে সিল দিন। মনে রাখবেন, ‘হ্যাঁ’ দিলে সব সংস্কার প্রস্তাব গৃহীত হবে বলে গণ্য হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালটটি প্রথমে লম্বালম্বি এবং পরে আড়াআড়ি ভাঁজ করুন, যাতে কালি ছড়িয়ে না যায়।
গণভোট দেওয়া হয়ে গেলে সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য সাদা-কালো ব্যালটটিতে বিভিন্ন প্রার্থীর নাম ও মার্কা থাকবে। আপনার পছন্দের প্রার্থীর মার্কায় সিল দিন। সতর্ক থাকবেন যেন সিলটি নির্ধারিত ঘরের বাইরে না যায়। মার্কার বাইরে সিল পড়লে আপনার ভোটটি বাতিল হয়ে যাবে। এই ব্যালটটিও একইভাবে প্রথমে লম্বালম্বি এবং পরে আড়াআড়ি ভাঁজ করুন।
গোপন কক্ষ থেকে বের হয়ে রাবার স্ট্যাম্পটি সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে ফেরত দিন। এরপর আপনার হাতে থাকা ভাঁজ করা দুটি ব্যালট পেপারই সামনে রাখা একই ব্যালট বাক্সে ফেলুন।
ব্যাস, সম্পন্ন হলো আপনার ভোট প্রদান! একই সময়ে, একই লাইনে দাঁড়িয়ে আপনি একদিনেই দুটি ভোট সম্পন্ন করলেন। তাই কোনো বিভ্রান্তি বা দুশ্চিন্তা না রেখে ভোটের দিন কেন্দ্রে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন। ভেবেচিন্তে যাকে যোগ্য মনে হবে, আপনার মূল্যবান ভোটটি তাকে দিয়ে দেশকে যোগ্য প্রার্থীর হাতে তুলে দিতে সাহায্য করুন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট নিয়ে অনেকের মনে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে ‘একদিনে দুই ভোট’ বিষয়টি নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। কেউ কেউ হয়ত ভাবছেন, হয়ত আলাদা আলাদা ভাবে দুইবার লাইনে দাঁড়াতে হবে। কিন্তু চিন্তার কোনো কারণ নেই। আজকের লেখায় আমরা ধাপে ধাপে জানব, কীভাবে আপনি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আপনার মূল্যবান রায় প্রদান করবেন।
ভোটের দিন সকাল সকাল আপনার নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রে চলে যান। কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ ভোটারদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা থাকবে। লাইনের শুরুতেই আপনার ভোটার ক্রমিক নম্বর এবং আপনি কোন কক্ষে ভোট দেবেন, তা উল্লেখ করা থাকবে। যদি কক্ষ খুঁজে পেতে সমস্যা হয়, তবে সেখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা আপনাকে সাহায্য করবেন।
আপনার নির্ধারিত ভোটকক্ষে প্রবেশের পর প্রথমেই ১নং পোলিং অফিসারের কাছে যেতে হবে। তিনি আপনার নাম ও ভোটার নম্বর জিজ্ঞাসা করবেন এবং ভোটার তালিকায় থাকা ছবির সঙ্গে আপনার চেহারা মিলিয়ে দেখবেন। নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি আপনার নাম ও ক্রমিক নম্বর জোরে উচ্চারণ করবেন, যাতে পোলিং এজেন্টরা শুনতে পান।
এরপর ২য় পোলিং অফিসার আপনার আঙুলে অমোচনীয় কালি লাগিয়ে দেবেন।
কালি লাগানোর পর আপনাকে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে যেতে হবে। সেখানে ভোটার তালিকায় স্বাক্ষর বা টিপসই দিয়ে আপনাকে দুটি ব্যালট পেপার সংগ্রহ করতে হবে। গোলাপি ব্যালট পেপারটি গণভোটের জন্য আর সাদা-কালো ব্যালটটি সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য।
ব্যালট পেপারের সঙ্গে সিল মারার জন্য আপনাকে একটি রাবার স্ট্যাম্পও দেওয়া হবে।
ব্যালট ও স্ট্যাম্প নিয়ে আপনাকে গোপন কক্ষে যেতে হবে। সময় বাঁচানোর জন্য অনেক কেন্দ্রে একাধিক গোপন কক্ষ থাকতে পারে।
গণভোটের জন্য গোলাপি রঙের ব্যালট পেপারে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’—এই দুটি ঘর থাকবে। আপনি যদি সংস্কার বা পরিবর্তন চান, তবে ‘হ্যাঁ’ ঘরে সিল দিন। আর যদি সংস্কার না চান, তবে ‘না’ ঘরে সিল দিন। মনে রাখবেন, ‘হ্যাঁ’ দিলে সব সংস্কার প্রস্তাব গৃহীত হবে বলে গণ্য হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালটটি প্রথমে লম্বালম্বি এবং পরে আড়াআড়ি ভাঁজ করুন, যাতে কালি ছড়িয়ে না যায়।
গণভোট দেওয়া হয়ে গেলে সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য সাদা-কালো ব্যালটটিতে বিভিন্ন প্রার্থীর নাম ও মার্কা থাকবে। আপনার পছন্দের প্রার্থীর মার্কায় সিল দিন। সতর্ক থাকবেন যেন সিলটি নির্ধারিত ঘরের বাইরে না যায়। মার্কার বাইরে সিল পড়লে আপনার ভোটটি বাতিল হয়ে যাবে। এই ব্যালটটিও একইভাবে প্রথমে লম্বালম্বি এবং পরে আড়াআড়ি ভাঁজ করুন।
গোপন কক্ষ থেকে বের হয়ে রাবার স্ট্যাম্পটি সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে ফেরত দিন। এরপর আপনার হাতে থাকা ভাঁজ করা দুটি ব্যালট পেপারই সামনে রাখা একই ব্যালট বাক্সে ফেলুন।
ব্যাস, সম্পন্ন হলো আপনার ভোট প্রদান! একই সময়ে, একই লাইনে দাঁড়িয়ে আপনি একদিনেই দুটি ভোট সম্পন্ন করলেন। তাই কোনো বিভ্রান্তি বা দুশ্চিন্তা না রেখে ভোটের দিন কেন্দ্রে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন। ভেবেচিন্তে যাকে যোগ্য মনে হবে, আপনার মূল্যবান ভোটটি তাকে দিয়ে দেশকে যোগ্য প্রার্থীর হাতে তুলে দিতে সাহায্য করুন।
.png)

ময়মনসিংহ শহরের ভাটিকাশর কবরস্থান হাজারো মানুষের শেষ ঠিকানার গল্প বলে। আর সেই গল্পের নিত্যদিনের সাক্ষী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের লিটন। প্রায় সাড়ে তিন একর জমির এই সরকারি কবরস্থানে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি ইমাম ও রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, কবরস্থানের নীরবতার
১৪ আগস্ট ২০২৬
১৯৯৫ সালে অ্যামাজন প্রথম যে পণ্যটি বিক্রি করেছিল, সেটি ছিল ডগলাস হফস্ট্যাডারের লেখা বই ‘ফ্লুইড কনসেপ্টস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ’। তিন দশক পর সেই অনলাইন বইয়ের দোকানটির বাজারমূল্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মাত্র তিন মাসেই প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করেছে ২০০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য
১২ আগস্ট ২০২৬
পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত বন্য প্রাণীগুলোর একটি সিংহ। ছোটবেলা থেকেই গল্প, সিনেমা আর ছবিতে আমরা তাকে দেখে এসেছি বনের রাজা হিসেবে। তার গর্জন, কেশর আর রাজকীয় উপস্থিতি যেন আলাদা পরিচয় তৈরি করেছে। ‘বনের রাজা’কে বিশ্ব সিংহ দিবসের পরের দিন একটু অন্যভাবে চেনা যাক।
১১ আগস্ট ২০২৬
৫ আগস্ট ২০২৪। সকাল ১১টা। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মানুষের ভিড়, মিছিল আর স্লোগান। দেশজুড়ে তখন খুনের বন্যা। যা দেখিনি, তা-ই দেখছি—চোখের সামনে। দলে দলে কোত্থেকে আসছে এত মানুষ? ভেতরে ভেতরে একটা অভ্যুত্থান ঘটে গেছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬