চাকসু নির্বাচন
স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পোস্ট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রার্থীদের ভাবমূর্তি নষ্টের অভিযোগ তুলেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’। এসব অনলাইন অনিয়মে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্যানেলটি।
আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন তারা।
লিখিত বক্তব্যে জিএস প্রার্থী সাঈদ বিন হাবিব বলেন, ‘নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক রাখতে প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল অনলাইনে ছড়ানো ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট দ্রুত শনাক্ত করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। কিন্তু তফসিল ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত এসব বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে প্রার্থীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি পুরো নির্বাচনী পরিবেশ প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।’
সাঈদ বিন হাবিব আরও বলেন, ‘অনলাইন বুলিং ও গুজব ছড়িয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আমরা একাধিকবার প্রশাসনের কাছে এসব অভিযোগ জমা দিয়েছি। কিন্তু সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়ায় অনেক প্রার্থী মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন। সমান সুযোগ ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ও তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।’
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাঈদ বিন হাবিব বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যেন কেউ ইচ্ছামতো অপপ্রচার চালাতে না পারে, সে জন্য পর্যবেক্ষণ জোরদার করতে হবে। প্রয়োজনে প্রশাসনকে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে।’
এ সময় নির্বাচনের দিন তাৎক্ষণিক অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম’ গঠন এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে বিশেষ সহায়তা ডেস্ক ও ব্রেইল প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা জানায় প্যানেলটি।
সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী ইব্রাহীম রনি, জিএস প্রার্থী সাঈদ বিন হাবিব, এজিএস প্রার্থী সাজ্জাত হোসেন মুন্নাসহ پ্যানেলের অন্যান্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পোস্ট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রার্থীদের ভাবমূর্তি নষ্টের অভিযোগ তুলেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’। এসব অনলাইন অনিয়মে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্যানেলটি।
আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন তারা।
লিখিত বক্তব্যে জিএস প্রার্থী সাঈদ বিন হাবিব বলেন, ‘নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক রাখতে প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল অনলাইনে ছড়ানো ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট দ্রুত শনাক্ত করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। কিন্তু তফসিল ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত এসব বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে প্রার্থীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি পুরো নির্বাচনী পরিবেশ প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।’
সাঈদ বিন হাবিব আরও বলেন, ‘অনলাইন বুলিং ও গুজব ছড়িয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আমরা একাধিকবার প্রশাসনের কাছে এসব অভিযোগ জমা দিয়েছি। কিন্তু সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়ায় অনেক প্রার্থী মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন। সমান সুযোগ ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ও তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।’
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাঈদ বিন হাবিব বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যেন কেউ ইচ্ছামতো অপপ্রচার চালাতে না পারে, সে জন্য পর্যবেক্ষণ জোরদার করতে হবে। প্রয়োজনে প্রশাসনকে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে।’
এ সময় নির্বাচনের দিন তাৎক্ষণিক অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম’ গঠন এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে বিশেষ সহায়তা ডেস্ক ও ব্রেইল প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা জানায় প্যানেলটি।
সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী ইব্রাহীম রনি, জিএস প্রার্থী সাঈদ বিন হাবিব, এজিএস প্রার্থী সাজ্জাত হোসেন মুন্নাসহ پ্যানেলের অন্যান্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬