স্ট্রিম সংবাদদাতা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ভারতীয় নীতিনির্ধারক ও কূটনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ঐতিহাসিকভাবে বিএনপির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সব সময় মসৃণ ছিল না। তবু বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভারত বিএনপিকে তুলনামূলক উদার ও গণতান্ত্রিক বিকল্প হিসেবে দেখছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
নয়াদিল্লির প্রত্যাশা, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে বিএনপি আরও সংগঠিত হবে। দলটি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে।
ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে বিএনপির নেতৃত্ব কার্যত তারেক রহমানের ওপর নির্ভরশীল ছিল। বিদেশে থেকেও তিনি দলকে কার্যকরভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অনলাইন মাধ্যমেই তারেক রহমান বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পেরেছেন।
রিভা গাঙ্গুলির মতে, বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ রাজনৈতিক অস্থিরতা। তবে এই মুহূর্তে তারেক রহমান এমন একজন নেতা, যার উপস্থিতিতে রাজনৈতিক উত্তাপ কিছুটা হলেও কমতে পারে।
অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এক সময় বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী জোট ভারতের জন্য ইতিবাচক ছিল না। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। জামায়াত থেকে আলাদা হয়েছে বিএনপি। রাজনৈতিক বাস্তবতাও আগের মতো নেই।
রিভা গাঙ্গুলির মতে, প্রতিবেশী বদলানো যায় না। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কও সেই বাস্তবতার মধ্যেই এগোতে হবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আগের তুলনায় বেশি বাস্তববাদী অবস্থান নেবে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে যে উত্তেজনা, তা কমানোর চেষ্টা থাকবে।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে তারে রহমানের দেশে ফেরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন গতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি গভীর মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে প্রতিবেশী ভারত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তাঁর দেশে ফেরা অনেক বিশ্লেষকের কাছেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এবার তারেক রহমানের সরাসরি উপস্থিতি দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াবে। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রস্তুতিও সুসংহত হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শ্যাম কুমার মনে করেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন বর্তমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটি সবচেয়ে বড় ঘটনা। বলা যায়, এটি নির্বাচনী প্রস্তুতির শেষ পাজলের টুকরো। তাঁর ফেরার মধ্য দিয়ে বিএনপি পুরোপুরি মাঠে নামার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে।
তিনি বলেন, এটি কেবল অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয় নয়, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কাছেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।
একই ধরনের বিশ্লেষণ দিয়েছেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের ফেলো আশিষ কুমার। তাঁর মতে, ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তারেক রহমান যেমন বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে নতুন করে বুঝতে পারবেন, তেমনি জনগণও তাঁকে নতুনভাবে মূল্যায়নের সুযোগ পাবে।
আশিষ কুমার বলেন, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় পরিবর্তন এসেছে। এই সময়ে একটি নতুন প্রজন্ম রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা ও দৃষ্টিভঙ্গি আগের প্রজন্মের চেয়ে ভিন্ন। দেশে ফিরে তারেক রহমান এসব পরিবর্তনের সঙ্গে সরাসরি পরিচিত হতে পারবেন। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি নিজের রাজনৈতিক কৌশলও নতুন করে নির্ধারণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে মানুষ দেখবে, দীর্ঘ প্রবাসজীবনে তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা, নেতৃত্বের ধরন ও রাষ্ট্র পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গিতে কী পরিবর্তন এসেছে। এই পারস্পরিক পুনর্মূল্যায়নই তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ভারতীয় নীতিনির্ধারক ও কূটনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ঐতিহাসিকভাবে বিএনপির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সব সময় মসৃণ ছিল না। তবু বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভারত বিএনপিকে তুলনামূলক উদার ও গণতান্ত্রিক বিকল্প হিসেবে দেখছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
নয়াদিল্লির প্রত্যাশা, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে বিএনপি আরও সংগঠিত হবে। দলটি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে।
ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে বিএনপির নেতৃত্ব কার্যত তারেক রহমানের ওপর নির্ভরশীল ছিল। বিদেশে থেকেও তিনি দলকে কার্যকরভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অনলাইন মাধ্যমেই তারেক রহমান বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পেরেছেন।
রিভা গাঙ্গুলির মতে, বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ রাজনৈতিক অস্থিরতা। তবে এই মুহূর্তে তারেক রহমান এমন একজন নেতা, যার উপস্থিতিতে রাজনৈতিক উত্তাপ কিছুটা হলেও কমতে পারে।
অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এক সময় বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী জোট ভারতের জন্য ইতিবাচক ছিল না। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। জামায়াত থেকে আলাদা হয়েছে বিএনপি। রাজনৈতিক বাস্তবতাও আগের মতো নেই।
রিভা গাঙ্গুলির মতে, প্রতিবেশী বদলানো যায় না। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কও সেই বাস্তবতার মধ্যেই এগোতে হবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আগের তুলনায় বেশি বাস্তববাদী অবস্থান নেবে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে যে উত্তেজনা, তা কমানোর চেষ্টা থাকবে।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে তারে রহমানের দেশে ফেরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন গতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি গভীর মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে প্রতিবেশী ভারত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তাঁর দেশে ফেরা অনেক বিশ্লেষকের কাছেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এবার তারেক রহমানের সরাসরি উপস্থিতি দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াবে। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রস্তুতিও সুসংহত হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শ্যাম কুমার মনে করেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন বর্তমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটি সবচেয়ে বড় ঘটনা। বলা যায়, এটি নির্বাচনী প্রস্তুতির শেষ পাজলের টুকরো। তাঁর ফেরার মধ্য দিয়ে বিএনপি পুরোপুরি মাঠে নামার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে।
তিনি বলেন, এটি কেবল অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয় নয়, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কাছেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।
একই ধরনের বিশ্লেষণ দিয়েছেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের ফেলো আশিষ কুমার। তাঁর মতে, ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তারেক রহমান যেমন বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে নতুন করে বুঝতে পারবেন, তেমনি জনগণও তাঁকে নতুনভাবে মূল্যায়নের সুযোগ পাবে।
আশিষ কুমার বলেন, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় পরিবর্তন এসেছে। এই সময়ে একটি নতুন প্রজন্ম রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা ও দৃষ্টিভঙ্গি আগের প্রজন্মের চেয়ে ভিন্ন। দেশে ফিরে তারেক রহমান এসব পরিবর্তনের সঙ্গে সরাসরি পরিচিত হতে পারবেন। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি নিজের রাজনৈতিক কৌশলও নতুন করে নির্ধারণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে মানুষ দেখবে, দীর্ঘ প্রবাসজীবনে তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা, নেতৃত্বের ধরন ও রাষ্ট্র পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গিতে কী পরিবর্তন এসেছে। এই পারস্পরিক পুনর্মূল্যায়নই তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন তিনি।

দেশের উত্তরাঞ্চলের দুই বিভাগ রাজশাহী ও রংপুরের ১৬ জেলার ৭২টি সংসদীয় আসনে একমাত্র নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন।
৯ মিনিট আগে
চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতে ইসলামী কর্মীদের বিরুদ্ধে বিএনপির এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর শহরের পৌর এলাকার নুরনগর কলোনীপাড়ার জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
৪১ মিনিট আগে
তাঁর অভিযোগ, যেসব আসনে এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন বা জয়লাভের কাছাকাছি ছিলেন, সেসব এলাকায় ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনিক সহযোগিতায় এসব ঘটনা ঘটেছে এবং নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সদ্য বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি এখানে জন্ম নিয়েছি। আমি জানি, কারা কী করে না করে এখানে। প্রত্যেককে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে