স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজশাহীতে চাঁদাবাজদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সদ্য বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেছেন, ‘আমি এখানে জন্ম নিয়েছি। আমি জানি, কারা কী করে না করে এখানে। প্রত্যেককে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’
রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম (র.) দরগা মসজিদে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজ আদায়ের পর সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ওয়ালিউল হক রানা, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ সুইট প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিনু বলেন, ‘যারা জাতির শত্রু, ভূমিদস্যু, যারা চাঁদাবাজ, যারা জনগণের ওপর জুলুম করবে— সে যেই হোক না কেন; তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। গত ১৭ বছরে এবং দেড় বছরে যারা বিভিন্ন জায়গা-জমি দখল করেছেন; তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
মিনু বলেন, ‘রাজশাহীকে শান্তির শহর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যারা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, তারা সবাই আমার ভাই। আমি চাই, সবাইকে নিয়ে রাজশাহীকে আমরা গড়ে তুলব।’
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৬টি ভোটে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৯ ভোটে ৪৯৬ ভোটে বিজিত হন। এর আগে ২০০১ সালের নির্বাচনে একই আসন থেকে জয় পেয়েছিলেন বিএনপির মিনু।

রাজশাহীতে চাঁদাবাজদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সদ্য বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেছেন, ‘আমি এখানে জন্ম নিয়েছি। আমি জানি, কারা কী করে না করে এখানে। প্রত্যেককে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’
রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম (র.) দরগা মসজিদে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজ আদায়ের পর সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ওয়ালিউল হক রানা, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ সুইট প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিনু বলেন, ‘যারা জাতির শত্রু, ভূমিদস্যু, যারা চাঁদাবাজ, যারা জনগণের ওপর জুলুম করবে— সে যেই হোক না কেন; তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। গত ১৭ বছরে এবং দেড় বছরে যারা বিভিন্ন জায়গা-জমি দখল করেছেন; তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
মিনু বলেন, ‘রাজশাহীকে শান্তির শহর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যারা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, তারা সবাই আমার ভাই। আমি চাই, সবাইকে নিয়ে রাজশাহীকে আমরা গড়ে তুলব।’
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৬টি ভোটে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৯ ভোটে ৪৯৬ ভোটে বিজিত হন। এর আগে ২০০১ সালের নির্বাচনে একই আসন থেকে জয় পেয়েছিলেন বিএনপির মিনু।

তাঁর অভিযোগ, যেসব আসনে এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন বা জয়লাভের কাছাকাছি ছিলেন, সেসব এলাকায় ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনিক সহযোগিতায় এসব ঘটনা ঘটেছে এবং নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেয়নি।
৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লড়ছেন ২৭৩ স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপি থেকে বিদ্রোহী হয়েছিলেন ৭৯ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয় পেয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ধানের শীষ এবং একজন শাপলা কলি ও আরেকজন বিএনপির জোটের শরিক খেজুর গাছ প্রতীকের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একসময় ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবারের নির্বাচনে রংপুর-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা। একই সঙ্গে তার সমর্থকদের বিক্ষোভ চলাকালে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে
৩ ঘণ্টা আগে