ঢাকা-১৭ আসন
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ (গুলশান, বনানী, ভাসানটেক ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট) আসনের ভাসানটেকে সমাবেশ করেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ৭টার দিকে ওই সমাবেশে তিনি বলেছেন, ‘আন্দোলন হয়েছে, স্বৈরাচার পতন হয়েছে। এখন দেশ গঠন করতে হবে। আজকে আমরা একটি শপথবাক্য পাঠ করি। করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’
ভাসানটেকের বিআরবি মাঠে এই সভায় বক্তব্যের শুরুর আগে তারেক রহমান স্থানীয় চার ব্যক্তিকে মঞ্চে ডেকে এলাকার সমস্যার কথা শোনেন। পরে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি গতকাল চিন্তা করছিলাম এই এলাকার মূল সমস্যা কী কী। আমি আমার মতো করে জেনেছি, কিন্তু আজকে আমি আপনাদের কাছ থেকে সরাসরি জানতে চেয়েছি এবং আপনাদের মাঝ থেকেই কিছু মানুষকে আমি জিজ্ঞেস করেছি এলাকার সমস্যা কী।’
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি আপনাদেরই একজন। স্বাভাবিকভাবেই আজকে আমি যখন এই এলাকার প্রার্থী হয়েছি, আমি এতটুকু বলতে পারি—ইনশা আল্লাহ আমি জয়ী হলে ও ধানের শীষ সরকার গঠনে সম্ভব হলে আজকে এই কয়জন পুনর্বাসনসহ যেসব সমস্যার কথা বলে গেছেন, আমরা এলাকার মানুষের জন্য এই সমস্যাগুলোর সমাধান করব; এলাকার সন্তান হিসেবে ওয়াদা করে গেলাম।’
বিএনপির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের দেশের বহু মানুষ প্রতিবছর বিদেশে যায়, কিন্তু দক্ষ হয়ে যায় না। বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ তরুণ আছে নারী হোক আর পুরুষ, আমরা ট্রেনিং দেব, পড়াশোনা শেষে বা চলার সময়; দেশ ও দেশের বাইরে যাতে তাঁরা সাবলম্বী হতে পারে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশের প্রত্যেক মা-বোনের কাছে পৌঁছে দিতে চাই; যেই নারীর সংসার আছে সেরকম নারীর কাছে। বাংলাদেশের কৃষকদের আমরা কৃষি কার্ড দিতে চাই, যার মাধ্যমে সহজে কৃষি ঋণ, সার, বীজ তাঁরা পাবেন। সবাই তো ব্যারিস্টার, ডাক্তার হবেন না, ক্রীড়াব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে চাই। যাতে ছেলে-মেয়েরা প্রফেশনাল খেলোয়াড় হতে পারে। খেলা দিয়ে যাতে জীবিকা নির্বাহ করা যায়।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আন্দোলন হয়েছে, স্বৈরাচার পতন হয়েছে। এখন দেশ গঠন করতে হবে। বিগত ১৫ বছরে দেশের প্রতিটি সেক্টর ধ্বংস হয়েছে। দেশ অনেক পিছিয়ে গিয়েছে। আমাদের এগুলো পুনর্নির্মাণ করতে হবে। এ জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। কারণ, গণতান্ত্রিকভাবে আপনারা আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারলেই কেবল সমস্যার কথা প্রতিনিধির কাছে নিয়ে যেতে পারবেন।’
বিএনপির চেয়ারম্যান ভোট চেয়ে বলেন বলেন, ‘আপনাদের যে সকল আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে, আপনাদের প্রার্থী হিসেবে আমার বিনীত অনুরোধ—আগামী ১২ তারিখে যেন তারা ধানের শীষকে স্ব স্ব এলাকায় নির্বাচিত করে।’

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ (গুলশান, বনানী, ভাসানটেক ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট) আসনের ভাসানটেকে সমাবেশ করেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ৭টার দিকে ওই সমাবেশে তিনি বলেছেন, ‘আন্দোলন হয়েছে, স্বৈরাচার পতন হয়েছে। এখন দেশ গঠন করতে হবে। আজকে আমরা একটি শপথবাক্য পাঠ করি। করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’
ভাসানটেকের বিআরবি মাঠে এই সভায় বক্তব্যের শুরুর আগে তারেক রহমান স্থানীয় চার ব্যক্তিকে মঞ্চে ডেকে এলাকার সমস্যার কথা শোনেন। পরে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি গতকাল চিন্তা করছিলাম এই এলাকার মূল সমস্যা কী কী। আমি আমার মতো করে জেনেছি, কিন্তু আজকে আমি আপনাদের কাছ থেকে সরাসরি জানতে চেয়েছি এবং আপনাদের মাঝ থেকেই কিছু মানুষকে আমি জিজ্ঞেস করেছি এলাকার সমস্যা কী।’
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি আপনাদেরই একজন। স্বাভাবিকভাবেই আজকে আমি যখন এই এলাকার প্রার্থী হয়েছি, আমি এতটুকু বলতে পারি—ইনশা আল্লাহ আমি জয়ী হলে ও ধানের শীষ সরকার গঠনে সম্ভব হলে আজকে এই কয়জন পুনর্বাসনসহ যেসব সমস্যার কথা বলে গেছেন, আমরা এলাকার মানুষের জন্য এই সমস্যাগুলোর সমাধান করব; এলাকার সন্তান হিসেবে ওয়াদা করে গেলাম।’
বিএনপির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের দেশের বহু মানুষ প্রতিবছর বিদেশে যায়, কিন্তু দক্ষ হয়ে যায় না। বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ তরুণ আছে নারী হোক আর পুরুষ, আমরা ট্রেনিং দেব, পড়াশোনা শেষে বা চলার সময়; দেশ ও দেশের বাইরে যাতে তাঁরা সাবলম্বী হতে পারে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশের প্রত্যেক মা-বোনের কাছে পৌঁছে দিতে চাই; যেই নারীর সংসার আছে সেরকম নারীর কাছে। বাংলাদেশের কৃষকদের আমরা কৃষি কার্ড দিতে চাই, যার মাধ্যমে সহজে কৃষি ঋণ, সার, বীজ তাঁরা পাবেন। সবাই তো ব্যারিস্টার, ডাক্তার হবেন না, ক্রীড়াব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে চাই। যাতে ছেলে-মেয়েরা প্রফেশনাল খেলোয়াড় হতে পারে। খেলা দিয়ে যাতে জীবিকা নির্বাহ করা যায়।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আন্দোলন হয়েছে, স্বৈরাচার পতন হয়েছে। এখন দেশ গঠন করতে হবে। বিগত ১৫ বছরে দেশের প্রতিটি সেক্টর ধ্বংস হয়েছে। দেশ অনেক পিছিয়ে গিয়েছে। আমাদের এগুলো পুনর্নির্মাণ করতে হবে। এ জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। কারণ, গণতান্ত্রিকভাবে আপনারা আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারলেই কেবল সমস্যার কথা প্রতিনিধির কাছে নিয়ে যেতে পারবেন।’
বিএনপির চেয়ারম্যান ভোট চেয়ে বলেন বলেন, ‘আপনাদের যে সকল আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে, আপনাদের প্রার্থী হিসেবে আমার বিনীত অনুরোধ—আগামী ১২ তারিখে যেন তারা ধানের শীষকে স্ব স্ব এলাকায় নির্বাচিত করে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘরে বন্দি করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্যাটায়ার করে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, নারীদের ঘরে বন্দি করার মতো তালা কেনার এত টাকা তাদের নেই।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিনের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, তাদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী-সমর্থকরা ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছেন।
২ ঘণ্টা আগে