স্ট্রিম প্রতিবেদক

নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে মৌলিক অধিকার উল্লেখ করেছেন ঢাকা-১৮ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, নারীরা নিরাপদ ও সম্মানিত না হলে দেশের সার্বিক অগ্রগতি অসম্ভব।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখান থানার মোল্লারটেক কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় নারী সমাবেশে এসব কথা বলেন শাপলা কলির প্রার্থী আরিফ।
জামায়াতে ইসলামীর দক্ষিণখান থানার নারী শাখার সমাবেশে এই এনসিপি নেতা বিএনপিকে সন্ত্রাস লালনকারী দল অভিহিত করেন। বলেন, বিএনপির হামলায় শুধু আমরা নই বরং যারা তাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছে, তারাও আক্রান্ত হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিএনপির দেড় শতাধিক নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। যে দল নিজেদের নেতাকর্মীর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, তারা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করবে?
শেখ হাসিনার বিগত ১৭ বছরের শাসনামলে সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে আরিফ বলেন, বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যা’-কে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। এবারের নির্বাচনকে তিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।
এনসিপির এই নেতা বলেন, নির্বাচিত হলে ঘর ও কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা এবং সম্মান নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিবহন সার্ভিস চালু এবং প্রতিটি গণপরিবহনে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। জনসমাগমস্থল ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নারীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন জামায়াতের দক্ষিণখান পশ্চিম থানা আমির আবু সাঈদ শাহনাওয়াজ, নায়েবে আমির মো. মামুন, সেক্রেটারি আলী হোসাইন মুরাদ, নারী বিভাগের উত্তরা পূর্ব জোনের পরিচালিক মর্জিনা খাতুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে আরিফুল ইসলাম দক্ষিণখানের মুক্তিযোদ্ধা রোড, বনবিথি আবাসিক, আজমপুর ব্র্যাক মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় গণঅভ্যুত্থানে হাত হারানো জুলাইযোদ্ধা আতিকুল গাজী আরিফের প্রচারে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন।

নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে মৌলিক অধিকার উল্লেখ করেছেন ঢাকা-১৮ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, নারীরা নিরাপদ ও সম্মানিত না হলে দেশের সার্বিক অগ্রগতি অসম্ভব।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখান থানার মোল্লারটেক কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় নারী সমাবেশে এসব কথা বলেন শাপলা কলির প্রার্থী আরিফ।
জামায়াতে ইসলামীর দক্ষিণখান থানার নারী শাখার সমাবেশে এই এনসিপি নেতা বিএনপিকে সন্ত্রাস লালনকারী দল অভিহিত করেন। বলেন, বিএনপির হামলায় শুধু আমরা নই বরং যারা তাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছে, তারাও আক্রান্ত হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিএনপির দেড় শতাধিক নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। যে দল নিজেদের নেতাকর্মীর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, তারা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করবে?
শেখ হাসিনার বিগত ১৭ বছরের শাসনামলে সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে আরিফ বলেন, বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যা’-কে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। এবারের নির্বাচনকে তিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।
এনসিপির এই নেতা বলেন, নির্বাচিত হলে ঘর ও কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা এবং সম্মান নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিবহন সার্ভিস চালু এবং প্রতিটি গণপরিবহনে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। জনসমাগমস্থল ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নারীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন জামায়াতের দক্ষিণখান পশ্চিম থানা আমির আবু সাঈদ শাহনাওয়াজ, নায়েবে আমির মো. মামুন, সেক্রেটারি আলী হোসাইন মুরাদ, নারী বিভাগের উত্তরা পূর্ব জোনের পরিচালিক মর্জিনা খাতুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে আরিফুল ইসলাম দক্ষিণখানের মুক্তিযোদ্ধা রোড, বনবিথি আবাসিক, আজমপুর ব্র্যাক মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় গণঅভ্যুত্থানে হাত হারানো জুলাইযোদ্ধা আতিকুল গাজী আরিফের প্রচারে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন।

সরকারের সুন্দর সুন্দর কথার আড়ালে প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি ঘাটতি ও ঋণনির্ভর বাজেটে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে