leadT1ad

এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহার

হাসিনাকে ফেরত দেওয়া ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কের প্রথম ধাপ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার’ ঘোষণা করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের ফেরত দেওয়াকে ‘প্রথম ধাপ’ হিসেবে উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই ইশতেহার প্রকাশ করা হয়। ইশতেহারে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘সার্বভৌম রাষ্ট্র বনাম সার্বভৌম রাষ্ট্র’ নীতির কথা উল্লেখ করে এনসিপি জানিয়েছে, কোনো ধরনের আগ্রাসন বা একতরফা সুবিধা আদায়ের নীতি গ্রহণযোগ্য হবে না।

ইশতেহারের ১২ নম্বর অধ্যায়ে পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘ভারত যদি বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়, তবে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় ফেরত দেওয়াকে আমরা সম্পর্ক উন্নয়নের পথে প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচনা করব।’

সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং তিস্তাসহ ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংলাপের ওপর জোর দিয়েছে দলটি। ইশতেহারে বলা হয়েছে, ভারতের অসহযোগিতায় দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ব্যর্থ হলে আন্তর্জাতিক আদালত ও সালিশি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ তার স্বার্থ রক্ষা করবে। এছাড়া অতীতের সব অসম চুক্তি বাতিলের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে দলটি।

মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে এনসিপি জানিয়েছে, মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ সীমান্তে হুমকি তৈরি করলে তা জাতীয় নিরাপত্তার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করে সামরিক ও পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

পররাষ্ট্রনীতি বহুমুখীকরণে ‘আসিয়ান’-এ যোগদান, চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এছাড়া সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধে দেশীয় সংস্কৃতি চর্চা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার রোধে বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত