স্ট্রিম সংবাদদাতা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থানা-পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রাম এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা শাখা আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য প্রদান করেন।
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা বাড়ি ফেরার পথে হাটবাইর এলাকায় পৌঁছানোর পর দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ধাক্কাধাক্কি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে জামায়াতের কয়েকজন স্থানীয় নেতাকর্মী ছাড়াও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সোলেমান চৌধুরী রয়েছেন। এ ছাড়া আরও কয়েকজনের নাম জানা গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় জামায়াতের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন দাবি করেন, সমাবেশ শেষে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় বিএনপির কিছু চিহ্নিত লোকজন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের অন্তত পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’
অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী বলেন, ‘সমাবেশ শেষে ফেরার পথে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা আমাদের এক নেতার বাড়ির সামনে এসে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আমরা সেখানে গেলে আমাদের ওপর আবারও হামলা করা হয়। এতে আমি ও আমার গাড়িচালক আহত হই।’
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বলেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থানা-পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রাম এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা শাখা আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য প্রদান করেন।
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা বাড়ি ফেরার পথে হাটবাইর এলাকায় পৌঁছানোর পর দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ধাক্কাধাক্কি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে জামায়াতের কয়েকজন স্থানীয় নেতাকর্মী ছাড়াও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সোলেমান চৌধুরী রয়েছেন। এ ছাড়া আরও কয়েকজনের নাম জানা গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় জামায়াতের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন দাবি করেন, সমাবেশ শেষে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় বিএনপির কিছু চিহ্নিত লোকজন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের অন্তত পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’
অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী বলেন, ‘সমাবেশ শেষে ফেরার পথে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা আমাদের এক নেতার বাড়ির সামনে এসে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আমরা সেখানে গেলে আমাদের ওপর আবারও হামলা করা হয়। এতে আমি ও আমার গাড়িচালক আহত হই।’
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বলেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
২০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে