স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশনা শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে একুশে বইমেলা ২০২৬-এর সময়সূচি পরিবর্তন করে ঈদুল ফিতরের পরে আয়োজন করাসহ ৪ দফা দাবি জানিয়েছে সৃজনশীল প্রকাশকেরা। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে পাঠানো স্মারকলিপিতে এই দাবি জানানো হয়।
গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) পাঠানো স্মারকলিপিতে প্রকাশকেরা উল্লেখ করেন, বিগত দেড় বছরে দেশে বইয়ের বিক্রি ৬০ শতাংশেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ফেব্রুয়ারির শেষে পবিত্র রমজান মাস ও ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় এবং অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মেলায় পাঠকদের উপস্থিতি ও বই বিক্রির পরিমাণ কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
দাবিগুলো হলো বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এবং ২৬২ প্রকাশকের স্বাক্ষরিত দাবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারের বইমেলা পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরে আয়োজন করা; স্টল ও প্যাভিলিয়ন ভাড়া মওকুফ; শিক্ষার্থীদের জন্য ‘বই-ভাতা’, পহেলা বৈশাখের উৎসব ভাতার আদলে বইমেলা উপলক্ষে মানসম্মত বই কেনার জন্য পাঠক—বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সরকারিভাবে আর্থিক প্রণোদনা বা ভাউচার ব্যবস্থা চালু করা; সরকারি বই ক্রয় নীতির সংস্কার করে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও গণগ্রন্থাগারের মাধ্যমে মানসম্মত বইয়ের ন্যূনতম ৩০০ কপি কেনা।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী প্রচারণার কারণে প্রেস ও বাইন্ডিং খাত ব্যস্ত থাকায় এবং কাগজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে সঠিক সময়ে মেলা প্রাঙ্গণ প্রস্তুত করা কঠিন হবে।
ওই স্মারকলিপিতে সর্বস্তরের প্রকাশকদের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন মেসবাহউদ্দীন আহমেদ (আহমেদ পাবলিশিং হাউস), এ কে নাসির আহমেদ (কাকলী), মাজহারুল ইসলাম (অন্যপ্রকাশ), মনিরুল হক (অনন্যা), সৈয়দ জাকির হোসাইন (অ্যাডর্ন), মাহরুখ মহিউদ্দীন (ইউপিএল; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬) এবং মাহবুব রহমান (আদর্শ; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬)।
চিঠির অনুলিপি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালকের কাছেও প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রকাশনা শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে একুশে বইমেলা ২০২৬-এর সময়সূচি পরিবর্তন করে ঈদুল ফিতরের পরে আয়োজন করাসহ ৪ দফা দাবি জানিয়েছে সৃজনশীল প্রকাশকেরা। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে পাঠানো স্মারকলিপিতে এই দাবি জানানো হয়।
গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) পাঠানো স্মারকলিপিতে প্রকাশকেরা উল্লেখ করেন, বিগত দেড় বছরে দেশে বইয়ের বিক্রি ৬০ শতাংশেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ফেব্রুয়ারির শেষে পবিত্র রমজান মাস ও ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় এবং অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মেলায় পাঠকদের উপস্থিতি ও বই বিক্রির পরিমাণ কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
দাবিগুলো হলো বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এবং ২৬২ প্রকাশকের স্বাক্ষরিত দাবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারের বইমেলা পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরে আয়োজন করা; স্টল ও প্যাভিলিয়ন ভাড়া মওকুফ; শিক্ষার্থীদের জন্য ‘বই-ভাতা’, পহেলা বৈশাখের উৎসব ভাতার আদলে বইমেলা উপলক্ষে মানসম্মত বই কেনার জন্য পাঠক—বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সরকারিভাবে আর্থিক প্রণোদনা বা ভাউচার ব্যবস্থা চালু করা; সরকারি বই ক্রয় নীতির সংস্কার করে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও গণগ্রন্থাগারের মাধ্যমে মানসম্মত বইয়ের ন্যূনতম ৩০০ কপি কেনা।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী প্রচারণার কারণে প্রেস ও বাইন্ডিং খাত ব্যস্ত থাকায় এবং কাগজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে সঠিক সময়ে মেলা প্রাঙ্গণ প্রস্তুত করা কঠিন হবে।
ওই স্মারকলিপিতে সর্বস্তরের প্রকাশকদের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন মেসবাহউদ্দীন আহমেদ (আহমেদ পাবলিশিং হাউস), এ কে নাসির আহমেদ (কাকলী), মাজহারুল ইসলাম (অন্যপ্রকাশ), মনিরুল হক (অনন্যা), সৈয়দ জাকির হোসাইন (অ্যাডর্ন), মাহরুখ মহিউদ্দীন (ইউপিএল; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬) এবং মাহবুব রহমান (আদর্শ; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬)।
চিঠির অনুলিপি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালকের কাছেও প্রেরণ করা হয়েছে।

সাগরপথে গ্রিস যাওয়ার পথে অন্তত ২২ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৮ জনই বাংলাদেশি।
১৯ মিনিট আগে
প্রায় ১২ বছর আগে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরেছিলেন নাসিমা বেগম (৪০)। কিন্তু জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকায় যাওয়ার সময় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরে ২৮ হাজার লিটার, যশোরে ৭০০, ময়মনসিংহে ২৩ হাজার ও সাতক্ষীরায় ২০০ লিটার তেল পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় মধুমতি নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া তাসমিয়া (৯) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের দুই দিন পর শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের ডিগ্রিরচর এলাকায় নদীর তীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে