স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা সংরক্ষণ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দলটির ঘোষিত ইশতেহারে এ আশ্বাস দেওয়া হয়। এ সময় সম্প্রীতি নষ্টে উসকানিমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয় দলটি।
ইশতেহারে বলা হয়, ধর্মীয় বিষয়ে সব কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধর্মীয় কার্যক্রম ও সম্প্রীতিপূর্ণ কাজে উৎসাহিত করবে দলটি। এছাড়া ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সাধন করা হবে। পাশাপাশি সব ধর্মের শিশু-কিশোরদের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সহনশীলতা বৃদ্ধির কর্মসূচিও চালু করবে দলটি।
আরও জানানো হয়, সব ধর্মের মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্প্রীতি নষ্টে উসকানিমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইসলামী ফাউন্ডেশনকে যুগোপযোগী করার মাধ্যমে ইসলামের প্রচার-প্রসার, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হবে। দেশের প্রতিটি মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানজনক বেতন-ভাতার ব্যবস্থা করা হবে। ইমামদের সমাজের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হবে। হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে ডিজিটাল সেবা ও পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
ইশতেহারে বলা হয়, ওয়াকফ, দান ও ধর্মীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, সঠিক তালিকাভুক্তি, ডিজিটাল রেকর্ড এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধির সংস্কার করা হবে। সামাজিক কল্যাণে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে মসজিদভিত্তিক মক্তব শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে। গবেষণা, সাহিত্য, সমাজসেবা, সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা, মসজিদ ব্যবস্থাপনা, বিরোধ নিষ্পত্তি, প্রভৃতি খাতে ইসলামী ফাউন্ডেশন পুরস্কার চালু করা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহার বলছে, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বতন্ত্র ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পূর্ণাঙ্গ বিকাশে সুদূর অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত এই জনপদের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাসকে দালিলিকভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার জন্য যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে দলটি। শিক্ষাক্ষেত্রে উপেক্ষিত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের পরিচিতি তুলে ধরার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। ঐতিহাসিক ঘটনাবলির আলোকে বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণের যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। বিভিন্ন ঐতিহাসিক দিনগুলোকে স্মরণীয় করার লক্ষ্যে বিশেষ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এই দিবসগুলো পালনের ব্যবস্থা করবে। সাংস্কৃতিক নীতি প্রণয়ন, দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি বিনিময় ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক বোদ্ধা ও সাংস্কৃতিক গবেষকদের নিয়ে একটি জাতীয় সাংস্কৃতিক কমিশন গঠন করবে দলটি।
ইশতেহার অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ২১টি দপ্তর বা সংস্থার মান উন্নয়ন, যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং গতিশীল করার ক্ষেত্রে একটি বিশেষজ্ঞ টিম গঠন করবে। তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ এবং অধিভুক্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশের শক্তিশালী কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। দেশের জনগণের বোধ-বিশ্বাস ও আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সকল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে। অশ্লীলতা পরিহার এবং যেকোনো ধর্মের প্রতি অবমাননাকর উপস্থাপনা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করবে।
প্রবাসী নতুন প্রজন্মের ব্যাপারে দলটির ইশতেহারে বলা হয়, প্রবাসী নতুন প্রজন্মদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিতে উদ্বুদ্ধকরণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের শিল্প-সংস্কৃতি তুলে ধরা এবং বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করবে। সাহিত্যিক ও শিল্পীদের অবদানের ভিত্তিতে সম্মানজনক রাষ্ট্রীয় পেনশন ব্যবস্থা চালু করবে। দুস্থ ও প্রতিভাবান শিল্পীদের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত শিল্পীকল্যাণ তহবিল বাজেট বৃদ্ধি করবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা সংরক্ষণ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দলটির ঘোষিত ইশতেহারে এ আশ্বাস দেওয়া হয়। এ সময় সম্প্রীতি নষ্টে উসকানিমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয় দলটি।
ইশতেহারে বলা হয়, ধর্মীয় বিষয়ে সব কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধর্মীয় কার্যক্রম ও সম্প্রীতিপূর্ণ কাজে উৎসাহিত করবে দলটি। এছাড়া ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সাধন করা হবে। পাশাপাশি সব ধর্মের শিশু-কিশোরদের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সহনশীলতা বৃদ্ধির কর্মসূচিও চালু করবে দলটি।
আরও জানানো হয়, সব ধর্মের মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্প্রীতি নষ্টে উসকানিমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইসলামী ফাউন্ডেশনকে যুগোপযোগী করার মাধ্যমে ইসলামের প্রচার-প্রসার, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হবে। দেশের প্রতিটি মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানজনক বেতন-ভাতার ব্যবস্থা করা হবে। ইমামদের সমাজের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হবে। হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে ডিজিটাল সেবা ও পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
ইশতেহারে বলা হয়, ওয়াকফ, দান ও ধর্মীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, সঠিক তালিকাভুক্তি, ডিজিটাল রেকর্ড এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধির সংস্কার করা হবে। সামাজিক কল্যাণে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে মসজিদভিত্তিক মক্তব শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে। গবেষণা, সাহিত্য, সমাজসেবা, সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা, মসজিদ ব্যবস্থাপনা, বিরোধ নিষ্পত্তি, প্রভৃতি খাতে ইসলামী ফাউন্ডেশন পুরস্কার চালু করা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহার বলছে, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বতন্ত্র ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পূর্ণাঙ্গ বিকাশে সুদূর অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত এই জনপদের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাসকে দালিলিকভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার জন্য যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে দলটি। শিক্ষাক্ষেত্রে উপেক্ষিত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের পরিচিতি তুলে ধরার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। ঐতিহাসিক ঘটনাবলির আলোকে বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণের যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। বিভিন্ন ঐতিহাসিক দিনগুলোকে স্মরণীয় করার লক্ষ্যে বিশেষ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এই দিবসগুলো পালনের ব্যবস্থা করবে। সাংস্কৃতিক নীতি প্রণয়ন, দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি বিনিময় ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক বোদ্ধা ও সাংস্কৃতিক গবেষকদের নিয়ে একটি জাতীয় সাংস্কৃতিক কমিশন গঠন করবে দলটি।
ইশতেহার অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ২১টি দপ্তর বা সংস্থার মান উন্নয়ন, যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং গতিশীল করার ক্ষেত্রে একটি বিশেষজ্ঞ টিম গঠন করবে। তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ এবং অধিভুক্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশের শক্তিশালী কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। দেশের জনগণের বোধ-বিশ্বাস ও আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সকল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে। অশ্লীলতা পরিহার এবং যেকোনো ধর্মের প্রতি অবমাননাকর উপস্থাপনা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করবে।
প্রবাসী নতুন প্রজন্মের ব্যাপারে দলটির ইশতেহারে বলা হয়, প্রবাসী নতুন প্রজন্মদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিতে উদ্বুদ্ধকরণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের শিল্প-সংস্কৃতি তুলে ধরা এবং বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করবে। সাহিত্যিক ও শিল্পীদের অবদানের ভিত্তিতে সম্মানজনক রাষ্ট্রীয় পেনশন ব্যবস্থা চালু করবে। দুস্থ ও প্রতিভাবান শিল্পীদের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত শিল্পীকল্যাণ তহবিল বাজেট বৃদ্ধি করবে।

নির্বাচনী ইশতেহারে জামায়াতে ইসলামী বলছে, ‘ডিজিটাল পাহারাদার’ অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো অপরাধের (যেমন চাঁদাবাজি, ঘুষ, নারী নির্যাতন) বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ডিজিটালি রিপোর্ট করা যাবে, যেখানে রিপোর্টকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।
২০ মিনিট আগে
প্রচারে বাধা ও বিলবোর্ড ভাঙার নিন্দা জানিয়ে ঢাকা-১২ আসনের গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তাসলিমা আখতার বলেছেন, পুরোনো কায়দায় নির্বাচন দখলের চেষ্টা করলে জনগণ উপযুক্ত জবাব দেবে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনী ইশতেহারে জামায়াতে ইসলামী বলছে, ‘আমার টাকা আমার হিসাব’ অ্যাপ চালুর মাধ্যমে সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়া হবে।
১ ঘণ্টা আগে
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি পরিবেশবান্ধব রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি এই লক্ষ্যের নাম দিয়েছে ‘তিন শূন্য ভিশন’। পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধের ঘোষণা’ দিয়েছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে