স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচন ঘিরে আবার ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘নকল ব্যালট ও সিল তৈরির মতো ঘটনা ইতিমধ্যে সামনে এসেছে। একটি মহল মা-বোনদের বিভ্রান্ত করতে ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।’
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠে ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ভোটাধিকার রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ভোটাধিকার রক্ষায় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা যদি সতর্ক থাকি, তাহলে বাংলাদেশকে কেউ থামাতে পারবে না।’
সভায় ঢাকা-১০ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শেখ রবিউল আলমের জন্য ভোট চান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে রবি ভাইকে মনোনীত করা হয়েছে। রবি নির্বাচিত হলে এলাকার জলাবদ্ধতা, ধানমন্ডি লেকের সমস্যা এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতিসহ সব সমস্যার সমাধানে আমি তার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব।’
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অভিজ্ঞ নেতৃত্ব জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিএনপি ছাড়া আর কোনো দলের কাছে দেশ পরিচালনার সেই অভিজ্ঞতা ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নেই।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশ একসময় বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে ছিল, কিন্তু পরিশ্রম ও ঐক্যের মাধ্যমে তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে। তারা যদি পারে, বাংলাদেশ কেন পারবে না? ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশ পারবে, বাংলাদেশের মানুষও পারবে।’
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘গত ১৬ বছরে বহু মেগা প্রকল্প হয়েছে, আর মেগা প্রকল্প মানেই মেগা দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। হাসপাতালগুলোতে ওষুধ নেই, ডাক্তার নেই; স্কুল-কলেজ ভেঙে পড়ছে, রাস্তাঘাট নষ্ট হয়ে গেছে।’
এবারের নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে শুধু রাজনৈতিক অধিকার নয়, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ এসেছে। এই নির্বাচন জুলাইয়ের শহীদদের, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে হতাহতদের এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন।’

নির্বাচন ঘিরে আবার ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘নকল ব্যালট ও সিল তৈরির মতো ঘটনা ইতিমধ্যে সামনে এসেছে। একটি মহল মা-বোনদের বিভ্রান্ত করতে ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।’
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠে ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ভোটাধিকার রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ভোটাধিকার রক্ষায় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা যদি সতর্ক থাকি, তাহলে বাংলাদেশকে কেউ থামাতে পারবে না।’
সভায় ঢাকা-১০ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শেখ রবিউল আলমের জন্য ভোট চান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে রবি ভাইকে মনোনীত করা হয়েছে। রবি নির্বাচিত হলে এলাকার জলাবদ্ধতা, ধানমন্ডি লেকের সমস্যা এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতিসহ সব সমস্যার সমাধানে আমি তার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব।’
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অভিজ্ঞ নেতৃত্ব জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিএনপি ছাড়া আর কোনো দলের কাছে দেশ পরিচালনার সেই অভিজ্ঞতা ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নেই।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশ একসময় বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে ছিল, কিন্তু পরিশ্রম ও ঐক্যের মাধ্যমে তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে। তারা যদি পারে, বাংলাদেশ কেন পারবে না? ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশ পারবে, বাংলাদেশের মানুষও পারবে।’
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘গত ১৬ বছরে বহু মেগা প্রকল্প হয়েছে, আর মেগা প্রকল্প মানেই মেগা দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। হাসপাতালগুলোতে ওষুধ নেই, ডাক্তার নেই; স্কুল-কলেজ ভেঙে পড়ছে, রাস্তাঘাট নষ্ট হয়ে গেছে।’
এবারের নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে শুধু রাজনৈতিক অধিকার নয়, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ এসেছে। এই নির্বাচন জুলাইয়ের শহীদদের, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে হতাহতদের এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন।’

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং বন্ধ মিল-কারখানা চালুর বিষয়টিই হয়ে দাঁড়িয়েছে খুলনা-৩ আসনের প্রধান নির্বাচনি ইস্যু।
২৪ মিনিট আগে
খুলনার কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৬ আসন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জনপদে এক সময়ের রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী এখন পরস্পরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
৩৬ মিনিট আগে
রাজধানীর অদূরের উপজেলা হলেও উন্নয়ন বঞ্চনার শিকার হচ্ছে এই দোহার। বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করে ঢাকা-১ আসন ঘোষণা করার পর থেকে এই বঞ্চনা করা হচ্ছে বলে মনে করেন স্থানীয় ভোটারেরা। এবার দলীয় প্রধানের নির্বাচনী জনসভায় সেই বঞ্চনা পোশানোর মতো প্রতিশ্রুতি আশা করছেন তাঁরা।
৩৮ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালগুলোতে আবার কথা ফুটে উঠেছে। তার নাম ‘গ্রাফিতি’। গ্রাফিতি কখনো ক্রোধ, কখনো ব্যঙ্গাত্মক, কখনো কাব্যিক হয়। এগুলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের জেনজি তরুণদের আন্দোলনের প্রতিধ্বনি। ওই আন্দোলনই ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে