স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘বক্তৃতার মঞ্চে অনেকেই হাততালি পাওয়ার জন্য বড় বড় কথা বলতে পারে। সুন্দর কথা বলা অনেক সহজ কাজ। কিন্তু দেশ চালানো এত সহজ কাজ নয়। দেশ চালাতে হলে দেশের মানুষের জন্য সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দরকার।’
এ সময় প্রতিপক্ষ জোটকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘কোথায় তাদের পরিকল্পনা? শুধু বড় বড় কথা আছে। দেশ চালানোর জন্য দরকার কর্মসূচি—কোথায় তাদের কর্মসূচি? দেশ চালানোর জন্য অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। তাদেরই তো বন্ধু-বান্ধব গত এক-দেড় বছর সরকারের অংশ ছিল। তাহলে আজ মানুষের এই দুর্গতি কেন?’
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পীর জঙ্গি মাজার রোডে আয়োজিত ঢাকা-৮ আসনের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যান ঢাকা-৮ আসনের দলের প্রার্থী মির্জা আব্বাসের জন্য ভোট চান। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে সঠিক মানুষকে বাছাই করতে হবে। যে মানুষটির ভিত্তি, জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকা-৮ এলাকার মানুষের সঙ্গে—এই রকম ব্যক্তিকেই আমাদের নির্বাচিত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে মানুষটি সারা জীবন আপনাদের সঙ্গে ছিল, যে মানুষটির এই এলাকার মানুষের দুঃখ-কষ্ট সম্পর্কে ধারণা আছে, এই এলাকার মানুষের বিপদ-আপদে যে মানুষটি সবসময় পাশে ছিল—এই রকম মানুষকে যদি আমরা বাছাই করতে পারি, তাহলে সামনে কোনো সমস্যা হলে অন্তত সেই মানুষটি এলাকার সমস্যা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এলাকার সমস্যার সমাধান করতে হলে, দুঃখ-কষ্ট লাঘব করতে হলে বাইরে থেকে কেউ এসে তা করতে পারে না। ঘরের মানুষকে ঘরের মানুষই চেনে। বাইরের মানুষ কখনো ঘরের মানুষকে চেনে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই এলাকার মানুষের একটি দাবি হলো কবরস্থান। আব্বাস সাহেব নির্বাচিত হলে তাঁর সঙ্গে কথা বলে এলাকার মানুষের যেখানে সুবিধা হয়, ইনশাআল্লাহ সেটিও আমরা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব।’
এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যান ঢাকা-৮ আসনসহ সারা দেশে দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘বক্তৃতার মঞ্চে অনেকেই হাততালি পাওয়ার জন্য বড় বড় কথা বলতে পারে। সুন্দর কথা বলা অনেক সহজ কাজ। কিন্তু দেশ চালানো এত সহজ কাজ নয়। দেশ চালাতে হলে দেশের মানুষের জন্য সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দরকার।’
এ সময় প্রতিপক্ষ জোটকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘কোথায় তাদের পরিকল্পনা? শুধু বড় বড় কথা আছে। দেশ চালানোর জন্য দরকার কর্মসূচি—কোথায় তাদের কর্মসূচি? দেশ চালানোর জন্য অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। তাদেরই তো বন্ধু-বান্ধব গত এক-দেড় বছর সরকারের অংশ ছিল। তাহলে আজ মানুষের এই দুর্গতি কেন?’
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পীর জঙ্গি মাজার রোডে আয়োজিত ঢাকা-৮ আসনের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যান ঢাকা-৮ আসনের দলের প্রার্থী মির্জা আব্বাসের জন্য ভোট চান। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে সঠিক মানুষকে বাছাই করতে হবে। যে মানুষটির ভিত্তি, জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকা-৮ এলাকার মানুষের সঙ্গে—এই রকম ব্যক্তিকেই আমাদের নির্বাচিত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে মানুষটি সারা জীবন আপনাদের সঙ্গে ছিল, যে মানুষটির এই এলাকার মানুষের দুঃখ-কষ্ট সম্পর্কে ধারণা আছে, এই এলাকার মানুষের বিপদ-আপদে যে মানুষটি সবসময় পাশে ছিল—এই রকম মানুষকে যদি আমরা বাছাই করতে পারি, তাহলে সামনে কোনো সমস্যা হলে অন্তত সেই মানুষটি এলাকার সমস্যা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এলাকার সমস্যার সমাধান করতে হলে, দুঃখ-কষ্ট লাঘব করতে হলে বাইরে থেকে কেউ এসে তা করতে পারে না। ঘরের মানুষকে ঘরের মানুষই চেনে। বাইরের মানুষ কখনো ঘরের মানুষকে চেনে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই এলাকার মানুষের একটি দাবি হলো কবরস্থান। আব্বাস সাহেব নির্বাচিত হলে তাঁর সঙ্গে কথা বলে এলাকার মানুষের যেখানে সুবিধা হয়, ইনশাআল্লাহ সেটিও আমরা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব।’
এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যান ঢাকা-৮ আসনসহ সারা দেশে দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং বন্ধ মিল-কারখানা চালুর বিষয়টিই হয়ে দাঁড়িয়েছে খুলনা-৩ আসনের প্রধান নির্বাচনি ইস্যু।
২২ মিনিট আগে
খুলনার কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৬ আসন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জনপদে এক সময়ের রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী এখন পরস্পরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
রাজধানীর অদূরের উপজেলা হলেও উন্নয়ন বঞ্চনার শিকার হচ্ছে এই দোহার। বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করে ঢাকা-১ আসন ঘোষণা করার পর থেকে এই বঞ্চনা করা হচ্ছে বলে মনে করেন স্থানীয় ভোটারেরা। এবার দলীয় প্রধানের নির্বাচনী জনসভায় সেই বঞ্চনা পোশানোর মতো প্রতিশ্রুতি আশা করছেন তাঁরা।
৩৬ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালগুলোতে আবার কথা ফুটে উঠেছে। তার নাম ‘গ্রাফিতি’। গ্রাফিতি কখনো ক্রোধ, কখনো ব্যঙ্গাত্মক, কখনো কাব্যিক হয়। এগুলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের জেনজি তরুণদের আন্দোলনের প্রতিধ্বনি। ওই আন্দোলনই ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে