আলী রিয়াজের অনুরোধের পর ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ একটি অংশ অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হয়ে যেতে থাকলেও আরেকটি অংশ ভেতরে স্লোগান দিতে থাকে। এরকম দশ মিনিট চলতে থাকলে পুলিশ তাঁদের বের হওয়ার জন্য তাগাদা দেয়।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে দুপুরে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’জন্য সনদের পঞ্চম দফায় সংশোধনী এনে তা পড়ে শোনান ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এরপর তিনি অনুরোধ করে বলেন, ‘আমরা আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, আপনারা দয়া করে চলে যান। আপনাদের সঙ্গে পরে বসে আলোচনা করা হবে, আরও সুযোগ আছে।’
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আপনাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা পঞ্চম দফা সংশোধন করেছি। আপনাদের সকল দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেই আমরা সংশোধনী এনেছি। আজকে এটার স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আমাদের সহযোগিতা করুন। এটা আপনাদের জন্যই অনুষ্ঠান।’
আলী রিয়াজের অনুরোধের পর ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ একটি অংশ অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হয়ে যেতে থাকলেও আরেকটি অংশ ভেতরে স্লোগান দিতে থাকে। এরকম দশ মিনিট চলতে থাকলে পুলিশ তাঁদের বের হওয়ার জন্য তাগাদা দেয়।

এক পর্যায়ে বের হলেও জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে প্রধান ফটকে এসে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে তাঁরা। এসময় পুলিশ লাঠিপেটা করে তাঁদের বের করে দেয়।
দাবি মেনে নেওয়ার পরও কেন জুলাই যোদ্ধারা বের হতে চায়নি জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও থেকে আসা এক জুলাই যোদ্ধা দুলাল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের দাবি যা যা ছিল তা মানা হয়নি।’ কোন দাবিটি মানা হয়নি জানতে চাইলে তিনি আর উত্তর দিতে চাননি।
এদিকে আজকের ‘ঐতিহাসিক’ দিনে সংসদ ভবনের সামনে এরকম ‘সহিংস ঘটনা’ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপস্থিত সাধারণ মানুষেরা।
ইফতেখার আলম নামে এক শিক্ষার্থী স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি আজকে এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হতে এসেছি। কিন্তু এসে মর্মাহত হলাম। তারা ভেতরে গেছে ভালো কথা, কিন্তু পুলিশের ওপর হামলা, এরকম ভাঙচুর করার তো কোনো মানে নেই।’
ফেসবুক লাইভে গিয়ে নিজের ক্ষোভ ঝাড়ছিলেন এই শিক্ষার্থী।
এদিকে আজ শুক্রবার দুপুরের দিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পঞ্চম দফা সংশোধনের কথা জানানো হয়।
এই দফাটিতে আগে ছিল, ‘গণঅভ্যুত্থানপূর্ব ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারগুলোকে যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করব।’
সংশোধিত দফায় বলা হয়েছে, ‘গণ-অভ্যুত্থানপূর্ব বাংলাদেশে ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানকালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারকে এবং জুলাই আহতদের রাষ্ট্রীয় বীর, আহত জুলাই বীর যোদ্ধাদের যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান যেমন মাসিক ভাতা, সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং শহীদ পরিবার ও আহত বীর যোদ্ধাদের আইনগত দায়মুক্তি, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো।’
এই সংশোধিত দফাটিই জুলাই যোদ্ধাদের পড়ে শুনিয়েছিলেন আলী রিয়াজ।

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে দুপুরে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’জন্য সনদের পঞ্চম দফায় সংশোধনী এনে তা পড়ে শোনান ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এরপর তিনি অনুরোধ করে বলেন, ‘আমরা আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, আপনারা দয়া করে চলে যান। আপনাদের সঙ্গে পরে বসে আলোচনা করা হবে, আরও সুযোগ আছে।’
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আপনাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা পঞ্চম দফা সংশোধন করেছি। আপনাদের সকল দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেই আমরা সংশোধনী এনেছি। আজকে এটার স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আমাদের সহযোগিতা করুন। এটা আপনাদের জন্যই অনুষ্ঠান।’
আলী রিয়াজের অনুরোধের পর ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ একটি অংশ অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হয়ে যেতে থাকলেও আরেকটি অংশ ভেতরে স্লোগান দিতে থাকে। এরকম দশ মিনিট চলতে থাকলে পুলিশ তাঁদের বের হওয়ার জন্য তাগাদা দেয়।

এক পর্যায়ে বের হলেও জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে প্রধান ফটকে এসে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে তাঁরা। এসময় পুলিশ লাঠিপেটা করে তাঁদের বের করে দেয়।
দাবি মেনে নেওয়ার পরও কেন জুলাই যোদ্ধারা বের হতে চায়নি জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও থেকে আসা এক জুলাই যোদ্ধা দুলাল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের দাবি যা যা ছিল তা মানা হয়নি।’ কোন দাবিটি মানা হয়নি জানতে চাইলে তিনি আর উত্তর দিতে চাননি।
এদিকে আজকের ‘ঐতিহাসিক’ দিনে সংসদ ভবনের সামনে এরকম ‘সহিংস ঘটনা’ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপস্থিত সাধারণ মানুষেরা।
ইফতেখার আলম নামে এক শিক্ষার্থী স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি আজকে এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হতে এসেছি। কিন্তু এসে মর্মাহত হলাম। তারা ভেতরে গেছে ভালো কথা, কিন্তু পুলিশের ওপর হামলা, এরকম ভাঙচুর করার তো কোনো মানে নেই।’
ফেসবুক লাইভে গিয়ে নিজের ক্ষোভ ঝাড়ছিলেন এই শিক্ষার্থী।
এদিকে আজ শুক্রবার দুপুরের দিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পঞ্চম দফা সংশোধনের কথা জানানো হয়।
এই দফাটিতে আগে ছিল, ‘গণঅভ্যুত্থানপূর্ব ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারগুলোকে যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করব।’
সংশোধিত দফায় বলা হয়েছে, ‘গণ-অভ্যুত্থানপূর্ব বাংলাদেশে ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানকালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারকে এবং জুলাই আহতদের রাষ্ট্রীয় বীর, আহত জুলাই বীর যোদ্ধাদের যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান যেমন মাসিক ভাতা, সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং শহীদ পরিবার ও আহত বীর যোদ্ধাদের আইনগত দায়মুক্তি, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো।’
এই সংশোধিত দফাটিই জুলাই যোদ্ধাদের পড়ে শুনিয়েছিলেন আলী রিয়াজ।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কিছু মানুষের চেহারা রাতারাতি পরিবর্তন হয়ে গেছে। দখলদারত্ব আর চাঁদাবাজিতে তারা লিপ্ত।’ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
২১ মিনিট আগে
নির্বাচনী কর্মসূচিতে অংশ নিতে ময়মনসিংহের পথে রওনা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের পথে রওনা দেন। আজ বেলা আড়াইটায় ময়মনসিংহ নগরের সার্কিট হাউস ময়দানের জনসভায় তারেক রহমানের ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে
‘কথা কম কাজ বেশি, বাংলাদেশকে ভালোবাসি’ স্লোগান নিয়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের বেগুনবাড়ী এলাকায় ‘ওপেন মাইক’ অনুষ্ঠান শুরু করেছেন তাসলিমা আখতার। তিনি ঢাকা-১২ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ‘মাথাল’ প্রতীক নিয়ে।
৩ ঘণ্টা আগে
‘রাজনীতি যাই করি কাকে ভোট দিবো তা নিয়ে এখনও সন্দিহান রয়েছি। ধরেন, আগে এখানে বিএনপির দুই জন প্রার্থী ছিল। এখন সেটা বাদ দিয়ে নতুন একজন আসছে। আবার স্বতন্ত্র যিনি আছেন তিনিও এই এলাকার সন্তান। জামায়াতের প্রার্থীও ভালো ভূমিকা রাখছে। এ কারণে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।’
১২ ঘণ্টা আগে