স্ট্রিম প্রতিবেদক

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে দেখা করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। রোববার (১৭ মে) সকালে চট্টগ্রামের জামিয়া ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় তাঁরা বৈঠক করেন।
হেফাজত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতাদের জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে থাকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে এই বৈঠক হলো। সকালে হেফাজত আমির বাবুনগরীর মাদ্রাসায় হাজির হন মামুনুল হক।
বৈঠক সূত্র জানায়, জামায়াত জোটে থাকা, না থাকা নিয়ে নিজের অবস্থান হেফাজত আমিরের কাছে ব্যাখ্যা করেছেন মামুনুল হক। এ সময় নিজের সংগঠন ‘শাপলা স্মৃতি সংসদ’ থেকে প্রকাশিত ২০১৩ সালে শাপলা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতদের নিয়ে রচিত স্মারক ‘শহীদনামা’ বাবুনগরীর হাতে তুলে দেন তিনি।
মামুনুল হকের প্রেসসচিব আশরাফুল ইসলাম সাদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাক্ষাৎ শেষে মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন– বৃহত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মত-পথের রাজনৈতিক দলকে নিয়ে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য গঠিত হয়েছে। এই ঐক্যে এমন কিছু দলও রয়েছে, যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে ভিন্নমত পোষণ করে। তা সত্ত্বেও চলমান জাতীয় পরিস্থিতি মোকাবিলার স্বার্থে এই রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে উঠেছে।
মামুনুল হক বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে আকিদা, বিশ্বাস ও চিন্তাগত মতপার্থক্য আগে থেকেই বিদ্যমান এবং তা বহাল রয়েছে। তবে এই রাজনৈতিক সমন্বয় কোনোভাবেই আকিদাগত বা আদর্শিক ঐক্য নয়, বরং বৃহত্তর জাতীয় প্রেক্ষাপটে একটি কৌশলগত রাজনৈতিক ঐক্য।
তিনি আরও বলেন, হেফাজত আমির যে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক চিন্তা, বিশ্বাস ও আকিদার কথা বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ হেফাজতের শরিকরা দৃঢ়ভাবে সেই আকাবির-আসলাফের ধারাকেই ধারণ করে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামুনুল হকের বক্তব্য শুনে আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন– ‘আজ বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে গেছে। আমরা এক, হেফাজতে ইসলামের মধ্যে কোনো বিভক্তি নেই।’ তবে এই বৈঠকের বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি বা মন্তব্য স্ট্রিম পায়নি।
কওমি ধারার আলেম মামুনুল হক হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব। তাঁর নেতৃত্বাধীন দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে ১১-দলীয় ঐক্য গড়ে। নির্বাচনের পরেও এই জোট অটুট। অন্যদিকে, নির্বাচনের আগে থেকেই হেফাজতের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী হেফাজত সংশ্লিষ্ট নেতাদের জামায়াতের সঙ্গে জোট বাঁধার তীব্র বিরোধিতা করে আসছেন। নির্বাচনের পরেও জামায়াতের সঙ্গে জোট ঐক্য অটুট রাখায় বিভিন্ন সময় তিনি নিজের তীব্র অসন্তুষ প্রকাশ করেছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রামের বাবুনগর মাদ্রাসায় মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে হেফাজতের বৈঠক হয়। সেখানে এক মাসের মধ্যে জামায়াত জোটে থাকা কওমি ধারার রাজনৈতিক দলের নেতাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাত সদস্যের কমিটি হয়।
ওই বৈঠকে থাকা হেফাজতের দুই শীর্ষ নেতা স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, জামায়াতের বিষয়ে আমিরের অবস্থান সব সময় ‘একমুখী’ ছিল। ওই বৈঠকে তিনি জামায়াত জোটে থাকা হেফাজত নেতাদের বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন। বিশেষ করে মামুনুল হকের অবস্থান নিয়ে বড় পরিসরে আলোচনা হয়।

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে দেখা করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। রোববার (১৭ মে) সকালে চট্টগ্রামের জামিয়া ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় তাঁরা বৈঠক করেন।
হেফাজত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতাদের জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে থাকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে এই বৈঠক হলো। সকালে হেফাজত আমির বাবুনগরীর মাদ্রাসায় হাজির হন মামুনুল হক।
বৈঠক সূত্র জানায়, জামায়াত জোটে থাকা, না থাকা নিয়ে নিজের অবস্থান হেফাজত আমিরের কাছে ব্যাখ্যা করেছেন মামুনুল হক। এ সময় নিজের সংগঠন ‘শাপলা স্মৃতি সংসদ’ থেকে প্রকাশিত ২০১৩ সালে শাপলা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতদের নিয়ে রচিত স্মারক ‘শহীদনামা’ বাবুনগরীর হাতে তুলে দেন তিনি।
মামুনুল হকের প্রেসসচিব আশরাফুল ইসলাম সাদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাক্ষাৎ শেষে মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন– বৃহত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মত-পথের রাজনৈতিক দলকে নিয়ে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য গঠিত হয়েছে। এই ঐক্যে এমন কিছু দলও রয়েছে, যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে ভিন্নমত পোষণ করে। তা সত্ত্বেও চলমান জাতীয় পরিস্থিতি মোকাবিলার স্বার্থে এই রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে উঠেছে।
মামুনুল হক বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে আকিদা, বিশ্বাস ও চিন্তাগত মতপার্থক্য আগে থেকেই বিদ্যমান এবং তা বহাল রয়েছে। তবে এই রাজনৈতিক সমন্বয় কোনোভাবেই আকিদাগত বা আদর্শিক ঐক্য নয়, বরং বৃহত্তর জাতীয় প্রেক্ষাপটে একটি কৌশলগত রাজনৈতিক ঐক্য।
তিনি আরও বলেন, হেফাজত আমির যে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক চিন্তা, বিশ্বাস ও আকিদার কথা বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ হেফাজতের শরিকরা দৃঢ়ভাবে সেই আকাবির-আসলাফের ধারাকেই ধারণ করে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামুনুল হকের বক্তব্য শুনে আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন– ‘আজ বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে গেছে। আমরা এক, হেফাজতে ইসলামের মধ্যে কোনো বিভক্তি নেই।’ তবে এই বৈঠকের বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি বা মন্তব্য স্ট্রিম পায়নি।
কওমি ধারার আলেম মামুনুল হক হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব। তাঁর নেতৃত্বাধীন দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে ১১-দলীয় ঐক্য গড়ে। নির্বাচনের পরেও এই জোট অটুট। অন্যদিকে, নির্বাচনের আগে থেকেই হেফাজতের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী হেফাজত সংশ্লিষ্ট নেতাদের জামায়াতের সঙ্গে জোট বাঁধার তীব্র বিরোধিতা করে আসছেন। নির্বাচনের পরেও জামায়াতের সঙ্গে জোট ঐক্য অটুট রাখায় বিভিন্ন সময় তিনি নিজের তীব্র অসন্তুষ প্রকাশ করেছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রামের বাবুনগর মাদ্রাসায় মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে হেফাজতের বৈঠক হয়। সেখানে এক মাসের মধ্যে জামায়াত জোটে থাকা কওমি ধারার রাজনৈতিক দলের নেতাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাত সদস্যের কমিটি হয়।
ওই বৈঠকে থাকা হেফাজতের দুই শীর্ষ নেতা স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, জামায়াতের বিষয়ে আমিরের অবস্থান সব সময় ‘একমুখী’ ছিল। ওই বৈঠকে তিনি জামায়াত জোটে থাকা হেফাজত নেতাদের বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন। বিশেষ করে মামুনুল হকের অবস্থান নিয়ে বড় পরিসরে আলোচনা হয়।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে