স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোট ‘কেনাবেচা’ ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে বিএনপি। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ‘টাকা ছড়িয়ে ভোট কেনার’ একাধিক ভিডিও ও তথ্য প্রমাণ নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিয়েছে দলটি। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ড নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
আজ বুধবার (১১ জানুয়ারি) রাতে ইসিতে বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে নজরুল ইসলাম খান এসব অভিযোগ করেন।
এসময় তিনি নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, ফেনী, কক্সবাজার, বগুড়া ও লক্ষ্মীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতাদের ‘অর্থ বিতরণের’র ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘নোয়াখালীর গনিপুরে টাকা ও অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় সাবান-শ্যাম্পু বিতরণের সময় এবং তারাকান্দায় ভোটারদের টাকা দেওয়ার সময় জামায়াত নেতারা জনতার হাতে আটক হয়েছেন। রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও সিলেটের বিয়ানীবাজারেও টাকা বিতরণের সময় আটকের ঘটনা ঘটেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারের রামুতে জামায়াতের এক সহ-সভাপতি ও মসজিদের খতিব বিপুল পরিমাণ টাকাসহ সেনা ও পুলিশ অভিযানে আটক হয়েছেন। এছাড়া ফেনী ও লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীদের টাকা বিলির ভিডিও ফুটেজ নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।’
নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিবের এক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘সচিব সাহেব বলেছেন, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহন করলেও বাধা নেই। অথচ সাধারণ মানুষের জন্য বিকাশে লেনদেনের সীমা বেধে দেওয়া হয়েছে। ভোট কেনাবেচা বন্ধের জন্য যদি মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কড়াকড়ি থাকে, তবে নগদ অর্থ বহনে ছাড় দেওয়া কেন?’
অবশ্য সচিব পরে জানিয়েছেন, তাঁর বক্তব্য মিসকোট করা হয়েছে। বিএনপি এ নেতার প্রশ্ন গণমাধ্যমে সচিবের বক্তব্য কীভাবে এলো?
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জামায়াত নেতা আটকের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের দেওয়া বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ রুটে অর্থ পরিবহনে যদি কোনো সীমাবদ্ধতা না থাকে, তবে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে টাকা বহনের “অনাপত্তিপত্র” দেওয়ার প্রয়োজন হলো কেন? কার নির্দেশে এবং কেন আগ বাড়িয়ে এই অনুমতি দেওয়া হলো, তা অত্যন্ত সন্দেহজনক।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘জামায়াত নেতাদের আটকের ঘটনা কোনো “নাটক” নয়। পুলিশ কি আমাদের? আমরা কি ক্ষমতায়? পুলিশ তাদের ধরেছে। যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তারাই এ ধরনের অপতৎপরতা চালাচ্ছে।’
এসময় নির্বাচন কমিশনের ধীরগতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা একজন তথাকথিত নীতিবান টকশো ব্যক্তিত্বের টাকা বিলির ভিডিও ফুটেজসহ অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কমিশন বলছে জুডিশিয়াল কমিটির সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এই জবাব যথেষ্ট নয়।’
সবশেষে তিনি জানান, নানামুখী ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও জনগণের নির্বাচনের প্রতি আগ্রহ প্রবল। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিএনপির বিজয় সুনিশ্চিত বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোট ‘কেনাবেচা’ ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে বিএনপি। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ‘টাকা ছড়িয়ে ভোট কেনার’ একাধিক ভিডিও ও তথ্য প্রমাণ নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিয়েছে দলটি। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ড নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
আজ বুধবার (১১ জানুয়ারি) রাতে ইসিতে বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে নজরুল ইসলাম খান এসব অভিযোগ করেন।
এসময় তিনি নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, ফেনী, কক্সবাজার, বগুড়া ও লক্ষ্মীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতাদের ‘অর্থ বিতরণের’র ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘নোয়াখালীর গনিপুরে টাকা ও অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় সাবান-শ্যাম্পু বিতরণের সময় এবং তারাকান্দায় ভোটারদের টাকা দেওয়ার সময় জামায়াত নেতারা জনতার হাতে আটক হয়েছেন। রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও সিলেটের বিয়ানীবাজারেও টাকা বিতরণের সময় আটকের ঘটনা ঘটেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারের রামুতে জামায়াতের এক সহ-সভাপতি ও মসজিদের খতিব বিপুল পরিমাণ টাকাসহ সেনা ও পুলিশ অভিযানে আটক হয়েছেন। এছাড়া ফেনী ও লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীদের টাকা বিলির ভিডিও ফুটেজ নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।’
নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিবের এক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘সচিব সাহেব বলেছেন, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহন করলেও বাধা নেই। অথচ সাধারণ মানুষের জন্য বিকাশে লেনদেনের সীমা বেধে দেওয়া হয়েছে। ভোট কেনাবেচা বন্ধের জন্য যদি মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কড়াকড়ি থাকে, তবে নগদ অর্থ বহনে ছাড় দেওয়া কেন?’
অবশ্য সচিব পরে জানিয়েছেন, তাঁর বক্তব্য মিসকোট করা হয়েছে। বিএনপি এ নেতার প্রশ্ন গণমাধ্যমে সচিবের বক্তব্য কীভাবে এলো?
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জামায়াত নেতা আটকের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের দেওয়া বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ রুটে অর্থ পরিবহনে যদি কোনো সীমাবদ্ধতা না থাকে, তবে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে টাকা বহনের “অনাপত্তিপত্র” দেওয়ার প্রয়োজন হলো কেন? কার নির্দেশে এবং কেন আগ বাড়িয়ে এই অনুমতি দেওয়া হলো, তা অত্যন্ত সন্দেহজনক।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘জামায়াত নেতাদের আটকের ঘটনা কোনো “নাটক” নয়। পুলিশ কি আমাদের? আমরা কি ক্ষমতায়? পুলিশ তাদের ধরেছে। যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তারাই এ ধরনের অপতৎপরতা চালাচ্ছে।’
এসময় নির্বাচন কমিশনের ধীরগতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা একজন তথাকথিত নীতিবান টকশো ব্যক্তিত্বের টাকা বিলির ভিডিও ফুটেজসহ অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কমিশন বলছে জুডিশিয়াল কমিটির সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এই জবাব যথেষ্ট নয়।’
সবশেষে তিনি জানান, নানামুখী ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও জনগণের নির্বাচনের প্রতি আগ্রহ প্রবল। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিএনপির বিজয় সুনিশ্চিত বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬