স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা’ ছিল বলে মন্তব্য করে দলীয় পদ হারালেন বরগুনা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান। দলীয় পদ থেকে অব্যাহতির পাশাপাশি তাঁর জামায়াতের সদস্য (রুকন) পদও স্থগিত করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন ও শিক্ষাঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুনের সই এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও জেলা কর্মপরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
গত ২৫ জানুয়ারি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় অনুষ্ঠিত এক জনসভায় শামীম আহসান দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সম্পর্কে এমন বেফাঁস মন্তব্য করেন। যা প্রচারের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
জামায়াতের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে তার মন্তব্যে দলটির ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী। সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই তার বিরুদ্ধে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘দলীয় নীতি ও আদর্শের বাইরে গিয়ে কেউ বক্তব্য দিলে তার দায় সংগঠন নেয় না। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা’ ছিল বলে মন্তব্য করে দলীয় পদ হারালেন বরগুনা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান। দলীয় পদ থেকে অব্যাহতির পাশাপাশি তাঁর জামায়াতের সদস্য (রুকন) পদও স্থগিত করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন ও শিক্ষাঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুনের সই এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও জেলা কর্মপরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
গত ২৫ জানুয়ারি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় অনুষ্ঠিত এক জনসভায় শামীম আহসান দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সম্পর্কে এমন বেফাঁস মন্তব্য করেন। যা প্রচারের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
জামায়াতের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে তার মন্তব্যে দলটির ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী। সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই তার বিরুদ্ধে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘দলীয় নীতি ও আদর্শের বাইরে গিয়ে কেউ বক্তব্য দিলে তার দায় সংগঠন নেয় না। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে ফ্যাসিস্টের দোসর আখ্যা দিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
৩৩ মিনিট আগে
বগুড়া সফরকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা বলেন, তাই করে দেখান।
৭ ঘণ্টা আগে
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে।
৯ ঘণ্টা আগে
অধিবেশন শুরুর আগেই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংসদ ভবনের প্রবেশপথে তিন দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
১ দিন আগে