স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের মামলায় আসামির অনুপস্থিতিতে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের এ রায়কে ‘ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক’ মন্তব্য করেছেন টিউলিপ।
রায় ঘোষণার পর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে দেওয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই ভাগনি বলেছেন, ‘এর (বিচারের) শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক ছাড়া আর কিছুই নয়।’
তবে টিউলিপের সাজার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে ঢাকা ভাবছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি দেখছি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগবে।’
গত ১৩ জানুয়ারি করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এই মামলায় টিউলিপের মা শেখ রেহানাকে সাত এবং খালা শেখ হাসিনাকে ৫ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে টিউলিপকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং শেখ রেহানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর অন্য ১৪ আসামিকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
গার্ডিয়ানকে টিউলিপ আরও বলেন, ‘এই ক্যাঙ্গারু কোর্টের সম্পূর্ণ অযৌক্তিক রায়টি আগে থেকেই অনুমান করা যাচ্ছিল...আমার মনোযোগ সব সময় হ্যাম্পস্টেড এবং হাইগেটের আমার ভোটারদের ওপর এবং আমি বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতিতে বিভ্রান্ত হতে রাজি নই।’
টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রায়কে স্বীকৃতি দিচ্ছে না তাঁর দল লেবার পার্টিও। কারণ হিসেবে দলটি বলছে, বিচারকাজ চলাকালে টিউলিপ সিদ্দিককে ন্যায্য আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
এর আগে গত সপ্তাহে শীর্ষস্থানীয় ব্রিটিশ আইনজীবীদের একটি দল বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করে বলেছিলেন, টিউলিপ সিদ্দিকের অনুপস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধে চলা বিচারকাজ ‘সাজানো, কল্পিত এবং অন্যায্য’।

রাজধানীর পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের মামলায় আসামির অনুপস্থিতিতে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের এ রায়কে ‘ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক’ মন্তব্য করেছেন টিউলিপ।
রায় ঘোষণার পর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে দেওয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই ভাগনি বলেছেন, ‘এর (বিচারের) শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক ছাড়া আর কিছুই নয়।’
তবে টিউলিপের সাজার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে ঢাকা ভাবছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি দেখছি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগবে।’
গত ১৩ জানুয়ারি করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এই মামলায় টিউলিপের মা শেখ রেহানাকে সাত এবং খালা শেখ হাসিনাকে ৫ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে টিউলিপকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং শেখ রেহানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর অন্য ১৪ আসামিকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
গার্ডিয়ানকে টিউলিপ আরও বলেন, ‘এই ক্যাঙ্গারু কোর্টের সম্পূর্ণ অযৌক্তিক রায়টি আগে থেকেই অনুমান করা যাচ্ছিল...আমার মনোযোগ সব সময় হ্যাম্পস্টেড এবং হাইগেটের আমার ভোটারদের ওপর এবং আমি বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতিতে বিভ্রান্ত হতে রাজি নই।’
টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রায়কে স্বীকৃতি দিচ্ছে না তাঁর দল লেবার পার্টিও। কারণ হিসেবে দলটি বলছে, বিচারকাজ চলাকালে টিউলিপ সিদ্দিককে ন্যায্য আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
এর আগে গত সপ্তাহে শীর্ষস্থানীয় ব্রিটিশ আইনজীবীদের একটি দল বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করে বলেছিলেন, টিউলিপ সিদ্দিকের অনুপস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধে চলা বিচারকাজ ‘সাজানো, কল্পিত এবং অন্যায্য’।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬