স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুদের প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। দলটির পক্ষ থেকে এই মৃত্যুকে ‘কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করে এর জন্য বিএনপি সরকারের দায়ী করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) সংগঠনটির মিডিয়া সম্পাদক এহসান আহমেদ স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক সামিউল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ‘দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যখন একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগে মারা যাচ্ছে, তখন সরকার জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বদলে নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলে বেশি ব্যস্ত। ক্ষমতার কৌশলী মোড়কে সরকার আজ জনস্বার্থকে বন্দি করে ফেলেছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটির সরকার হওয়ার পরও শিশুদের রক্ষা করতে না পারা বর্তমান রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য চরম লজ্জার বলে উল্লেখ করেছে দলটি।
হামের প্রকোপে স্বাস্থ্যখাতের কঙ্কালসার অবস্থা ফুটে উঠেছে উল্লেখ করে নেতারা বলেন, আধুনিক যুগেও শিশুদের চিকিৎসার জন্য গ্রাম থেকে ঢাকায় আনতে হচ্ছে এবং এরপরও তাদের বাঁচানো যাচ্ছে না। এটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যখাতের দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ।
তাদের দাবি, সরকার টিকাদান কর্মসূচি ও প্রান্তিক স্বাস্থ্যসেবার চেয়ে রাজনৈতিক বয়ান তৈরি ও দোষারোপের রাজনীতিতে বেশি শক্তি ব্যয় করছে, যা মূলত লাশের রাজনীতি।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, হাম এবং এর উপসর্গে এ পর্যন্ত ৪০০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই বিপুলসংখ্যক প্রাণের দায় সরকার কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারে না।
এ অবস্থায় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন চার দফা দাবি জানিয়েছে: অবিলম্বে দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য সকল প্রয়োজনীয় টিকা নিশ্চিত করা; আক্রান্ত এলাকাগুলোতে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাসহ ‘ফিল্ড হাসপাতাল’ নির্মাণ করা; প্রান্তিক পর্যায়ে শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে বিশেষ ‘ক্র্যাশ কোর্স’ চালু কর; ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অডিট করে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুদের প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। দলটির পক্ষ থেকে এই মৃত্যুকে ‘কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করে এর জন্য বিএনপি সরকারের দায়ী করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) সংগঠনটির মিডিয়া সম্পাদক এহসান আহমেদ স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক সামিউল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ‘দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যখন একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগে মারা যাচ্ছে, তখন সরকার জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বদলে নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলে বেশি ব্যস্ত। ক্ষমতার কৌশলী মোড়কে সরকার আজ জনস্বার্থকে বন্দি করে ফেলেছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটির সরকার হওয়ার পরও শিশুদের রক্ষা করতে না পারা বর্তমান রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য চরম লজ্জার বলে উল্লেখ করেছে দলটি।
হামের প্রকোপে স্বাস্থ্যখাতের কঙ্কালসার অবস্থা ফুটে উঠেছে উল্লেখ করে নেতারা বলেন, আধুনিক যুগেও শিশুদের চিকিৎসার জন্য গ্রাম থেকে ঢাকায় আনতে হচ্ছে এবং এরপরও তাদের বাঁচানো যাচ্ছে না। এটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যখাতের দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ।
তাদের দাবি, সরকার টিকাদান কর্মসূচি ও প্রান্তিক স্বাস্থ্যসেবার চেয়ে রাজনৈতিক বয়ান তৈরি ও দোষারোপের রাজনীতিতে বেশি শক্তি ব্যয় করছে, যা মূলত লাশের রাজনীতি।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, হাম এবং এর উপসর্গে এ পর্যন্ত ৪০০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই বিপুলসংখ্যক প্রাণের দায় সরকার কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারে না।
এ অবস্থায় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন চার দফা দাবি জানিয়েছে: অবিলম্বে দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য সকল প্রয়োজনীয় টিকা নিশ্চিত করা; আক্রান্ত এলাকাগুলোতে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাসহ ‘ফিল্ড হাসপাতাল’ নির্মাণ করা; প্রান্তিক পর্যায়ে শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে বিশেষ ‘ক্র্যাশ কোর্স’ চালু কর; ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অডিট করে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে