স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতি থেকে বাংলাদেশকে ২০তম এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশে উন্নীত করার ভিশন নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে ঘোষিত এই ইশতেহারে ‘টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যাপকভিত্তিতে কর্মসংস্থান’ নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন দলের আমির শফিকুর রহমান। ইশতেহারে সরকার পরিচালনায় ২৬টি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়েছে দলটি। এর মধ্যে একটিতে দেশের অর্থনীতি, শিল্পায়ন এবং বেকারত্ব দূরীকরণের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছে দলটি।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ২ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার স্বপ্ন দেখে, যেখানে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১০ হাজার ডলার। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ক্রমান্বয়ে ৭ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জীবনযাত্রা সহজ করতে করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি। এছাড়া করপোরেট ট্যাক্স পর্যায়ক্রমে ২০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার লক্ষ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া বেকারত্ব দূরীকরণে প্রায় ৭ কোটি কর্মক্ষম যুবকের জন্য দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের রোডম্যাপ দিয়েছে জামায়াত। এ লক্ষ্যে ‘দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়’ এবং ‘কর্মসংস্থান অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে—সরকারি খরচে জেলাভিত্তিক ‘হিউম্যান স্কিল ডেভেলপমেন্ট জোন’ গড়ে তোলা হবে; হঠাৎ কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিকদের জন্য ভাতার পরিসর বৃদ্ধি এবং কর্মবীমা চালু করা; আবেদনের ফি বাতিল এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা বন্ধ করা; কর্মজীবী মায়েদের সম্মতিতে কর্মঘণ্টা ৫ ঘণ্টায় নামিয়ে আনা।
ইশতেহারে আগামী ৫ বছরে রপ্তানি আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে দলটি। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়া, পাট, ওষুধ ও আইটি খাতের আধুনিকায়নে জোর দেওয়া হয়েছে। বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) ১৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে দলটি।
এছাড়া প্রবাসী মন্ত্রণালয়কে ‘ম্যানপাওয়ার ইন্ডাস্ট্রি মন্ত্রণালয়’ হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা জানিয়েছে জামায়াত। প্রবাসীদের জাতীয় উন্নয়নে সম্পৃক্ত করতে সংসদে তাদের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বছরে ৩০ লাখ যুবকের বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে এবং বিদেশ যাওয়ার খরচ ও প্রশিক্ষণ ব্যয় সরকারি ব্যবস্থাপনায় বহন করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। মেডিকেল ও রিক্রুটমেন্ট সিন্ডিকেট বাতিল করে শ্রমবাজার সবার জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতি থেকে বাংলাদেশকে ২০তম এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশে উন্নীত করার ভিশন নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে ঘোষিত এই ইশতেহারে ‘টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যাপকভিত্তিতে কর্মসংস্থান’ নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন দলের আমির শফিকুর রহমান। ইশতেহারে সরকার পরিচালনায় ২৬টি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়েছে দলটি। এর মধ্যে একটিতে দেশের অর্থনীতি, শিল্পায়ন এবং বেকারত্ব দূরীকরণের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছে দলটি।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ২ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার স্বপ্ন দেখে, যেখানে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১০ হাজার ডলার। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ক্রমান্বয়ে ৭ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জীবনযাত্রা সহজ করতে করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি। এছাড়া করপোরেট ট্যাক্স পর্যায়ক্রমে ২০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার লক্ষ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া বেকারত্ব দূরীকরণে প্রায় ৭ কোটি কর্মক্ষম যুবকের জন্য দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের রোডম্যাপ দিয়েছে জামায়াত। এ লক্ষ্যে ‘দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়’ এবং ‘কর্মসংস্থান অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে—সরকারি খরচে জেলাভিত্তিক ‘হিউম্যান স্কিল ডেভেলপমেন্ট জোন’ গড়ে তোলা হবে; হঠাৎ কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিকদের জন্য ভাতার পরিসর বৃদ্ধি এবং কর্মবীমা চালু করা; আবেদনের ফি বাতিল এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা বন্ধ করা; কর্মজীবী মায়েদের সম্মতিতে কর্মঘণ্টা ৫ ঘণ্টায় নামিয়ে আনা।
ইশতেহারে আগামী ৫ বছরে রপ্তানি আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে দলটি। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়া, পাট, ওষুধ ও আইটি খাতের আধুনিকায়নে জোর দেওয়া হয়েছে। বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) ১৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে দলটি।
এছাড়া প্রবাসী মন্ত্রণালয়কে ‘ম্যানপাওয়ার ইন্ডাস্ট্রি মন্ত্রণালয়’ হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা জানিয়েছে জামায়াত। প্রবাসীদের জাতীয় উন্নয়নে সম্পৃক্ত করতে সংসদে তাদের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বছরে ৩০ লাখ যুবকের বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে এবং বিদেশ যাওয়ার খরচ ও প্রশিক্ষণ ব্যয় সরকারি ব্যবস্থাপনায় বহন করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। মেডিকেল ও রিক্রুটমেন্ট সিন্ডিকেট বাতিল করে শ্রমবাজার সবার জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

ঘোষণার পরও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ছায়া মন্ত্রিসভা দিতে পারেনি। দেরি করার পেছনে দলটির নেতারা বলছেন, আইনি কাঠামো ছাড়া ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর হবে না। এজন্য ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের পরে সরকারের কাছে তারা ‘এক্সেস টু মিনিস্ট্রি’ বিষয়ে আইনি ভিত্তি চাইবেন।
১ ঘণ্টা আগে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ বিষয়ে রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিদিন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে দলের বদনাম হবে। মানুষেরও কষ্ট হবে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শুরু করেছে প্রথম কাউন্সিলের প্রস্তুতি। একই সঙ্গে দলের পরিসর বাড়ানোর চেষ্টাও চলছে। এজন্য দলটি বেরিয়ে যাওয়া নেতাকর্মীকে ফেরানোর পাশাপাশি বিএনপিসহ অন্য দলের ‘বঞ্চিতদেরও’ টানার চেষ্টা করছে।
১ দিন আগে