স্ট্রিম সংবাদদাতা

আসন্ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নির্বাচন সামনে রেখে একাধিক প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে, যারা নিজ নিজ মতাদর্শ ও শিক্ষার্থীদের জন্য নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া আলোচিত প্যানেলগুলোর ভিপি পদপ্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান ও পরিকল্পনা স্ট্রিমের কাছে তুলে ধরেছেন।
ছাত্রদল মনোনীত ‘ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী শেখ নূর উদ্দীন আবীর স্ট্রিমকে জানান, তাঁদের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ও অধিকার আদায়ে কাজ করা। তিনি বলেন, ‘আমাদের “ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম” প্যানেলের মতাদর্শ হলো শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ও অধিকার আদায়ে কাজ করা। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে আমি যেকোনো সেক্টরে কাজ করতে রাজি।’
নির্বাচিত হলে শেখ নূর উদ্দীন আবীর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের আধুনিকায়ন এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করার মতো বিশেষ কিছু সমস্যা নিয়ে কাজ করতে চান। নির্বাচিত না হলেও তিনি তার ইশতেহারগুলো নিয়ে কাজ করে যাবেন এবং নির্বাচিতদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে পাশে থাকবেন বলে জানান।
নির্বাচনী প্রচারণায় এখন পর্যন্ত কোনো বাধার সম্মুখীন হননি এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা প্রত্যাশা করেন বলে জানান আবীর। নির্বাচিত হলে তার প্যানেলের ওপর বিএনপির প্রভাব থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি তো নির্বাচিত হব শিক্ষার্থীদের ভোটে। সুতরাং আমি শিক্ষার্থীদের ওপর সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ থাকব। এতে দলীয় কোনো প্রভাব থাকবে না।’
বামপন্থী সংগঠনগুলোর প্যানেল ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষার্থী পর্ষদ’-এর ভিপি প্রার্থী ফুয়াদ রাতুল স্ট্রিমকে জানান, ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘যদিও আমাদের প্যানেলের অধিকাংশই বিভিন্ন বাম ধারার সংগঠনের নেতা-কর্মী, তবে এখানে কোনো পার্টি করে না, এমন অনেকেও আছেন। আমারা একটা কমন বিষয়কে কেন্দ্র করে একত্রিত হয়েছি। সেটা হলো ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক পরিবেশ।’
নির্বাচিত হলে তারা সব ছাত্র সংগঠনকে একটি চুক্তির আওতায় এনে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের অবসান ঘটাবেন এবং ভিন্ন মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন নিশ্চিত করবেন বলে জানান রাতুল।
রাতুল আরও বলেন, ‘আমরা নির্বাচিত হলে রকসুর ক্ষমতার পূর্ণ ব্যাবহারের চেষ্টা করব। ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর প্রণোদনা ও বিকাশে সাহায্য করব।’
প্রচারণায় বড় কোনো বাধার সম্মুখীন না হলেও কিছু সংগঠনের অর্থের ব্যবহারকে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নষ্টের কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি। পূজার ছুটির মধ্যে নির্বাচনের তারিখ পড়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে প্যানেলটি। রাতুল বলেন, ‘আমাদের কিন্তু অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর মতো রিজার্ভ ভোট নেই। আমদের শক্তি হলো সাধারণ শিক্ষার্থী। তারা চলে গেলে আমরা অসম প্রতিযোগিতায় পড়ে যাব।’
নির্বাচিত না হলেও অতীতের মতোই শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সক্রিয় থাকবেন বলে জানান ফুয়াদ রাতুল।
ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ নির্বাচিত হলে খাবার, পানি থেকে শুরু করে গবেষণা খাত পর্যন্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
স্ট্রিমকে জাহিদ বলেন, ‘যদিও সবকিছু এক বছরে করা সম্ভব না, তবুও আমরা প্রশাসনকে চাপ দিয়ে ১০ বছরের একটা রোডম্যাপ তৈরি করে সেটা মেইনটেইন এর চেষ্টা করব।’ তিনি আরও জানান, তাদের প্যানেলে নারী, সংখ্যালঘু এবং সাংস্কৃতিক কর্মীরাও সমানভাবে স্থান পেয়েছেন।
জাহিদ বলেন, ‘আমি যদি নির্বাচিত হই, তবে আমি শুধু একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ভিপি হব না। বরং মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবার ভিপি হব।’
তার মতে, এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে শিবিরকে নিয়ে থাকা ভুল ধারণা ভেঙে যাবে।
‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী ও সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব স্ট্রিমকে জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সাংস্কৃতিক—কোনো ধরনের আধিপত্য তাঁরা দেখতে চান না। এই লক্ষ্যেই সমমনা শিক্ষার্থী অ্যাকটিভিস্ট, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের নিয়ে তাদের প্যানেল গঠিত হয়েছে।
ইশেতেহার সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘রাকসুর সময়সীমা মাত্র এক বছর। এই এক বছর সময়ে আমি আহামরি ইশতেহারে বিশ্বাসী নই।’ তিনি বরং বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চান বলে জানান।
শারীরিক অসুস্থতার কারণে প্রচারণায় অংশ নিতে না পারলেও শীঘ্রই সুস্থ হয়ে সবার মধ্যে ফেরার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। নির্বাচিত না হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
রাকসুর ৬৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী হিসেবে ‘সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাসীন খান। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের “সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ” প্যানেল রাকসুকে একটি দলনিরপেক্ষ, নৈতিক এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ শিক্ষার্থী নেতৃত্বের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিতে গঠিত হয়েছে।’
তাসীন খানদের প্যানেল নির্বাচিত হলে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে—একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন, ‘রিসার্চ অ্যান্ড ইমপ্যাক্ট’ দপ্তর গঠন, ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল সল্যুশন, নতুন হল নির্মাণ ও খাবারে ভর্তুকি, সিনেটের মাধ্যমে উপাচার্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ ইত্যাদি।
তাসীন জানান, তাঁরা কোনো রাজনৈতিক দল থেকে আসেননি এবং ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনাও তাঁদের নেই, ফলে তাঁদের সিদ্ধান্তে দলীয় প্রভাবের কোনো সম্ভাবনা নেই। সাংগঠনিক সমর্থন ও ফান্ড ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানোকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি। নির্বাচিত না হলেও শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে এবং নির্বাচিতদের জন্য ‘প্রেসার গ্রুপ’ হিসেবে কাজ করে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

আসন্ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নির্বাচন সামনে রেখে একাধিক প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে, যারা নিজ নিজ মতাদর্শ ও শিক্ষার্থীদের জন্য নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া আলোচিত প্যানেলগুলোর ভিপি পদপ্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান ও পরিকল্পনা স্ট্রিমের কাছে তুলে ধরেছেন।
ছাত্রদল মনোনীত ‘ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী শেখ নূর উদ্দীন আবীর স্ট্রিমকে জানান, তাঁদের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ও অধিকার আদায়ে কাজ করা। তিনি বলেন, ‘আমাদের “ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম” প্যানেলের মতাদর্শ হলো শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ও অধিকার আদায়ে কাজ করা। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে আমি যেকোনো সেক্টরে কাজ করতে রাজি।’
নির্বাচিত হলে শেখ নূর উদ্দীন আবীর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের আধুনিকায়ন এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করার মতো বিশেষ কিছু সমস্যা নিয়ে কাজ করতে চান। নির্বাচিত না হলেও তিনি তার ইশতেহারগুলো নিয়ে কাজ করে যাবেন এবং নির্বাচিতদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে পাশে থাকবেন বলে জানান।
নির্বাচনী প্রচারণায় এখন পর্যন্ত কোনো বাধার সম্মুখীন হননি এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা প্রত্যাশা করেন বলে জানান আবীর। নির্বাচিত হলে তার প্যানেলের ওপর বিএনপির প্রভাব থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি তো নির্বাচিত হব শিক্ষার্থীদের ভোটে। সুতরাং আমি শিক্ষার্থীদের ওপর সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ থাকব। এতে দলীয় কোনো প্রভাব থাকবে না।’
বামপন্থী সংগঠনগুলোর প্যানেল ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষার্থী পর্ষদ’-এর ভিপি প্রার্থী ফুয়াদ রাতুল স্ট্রিমকে জানান, ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘যদিও আমাদের প্যানেলের অধিকাংশই বিভিন্ন বাম ধারার সংগঠনের নেতা-কর্মী, তবে এখানে কোনো পার্টি করে না, এমন অনেকেও আছেন। আমারা একটা কমন বিষয়কে কেন্দ্র করে একত্রিত হয়েছি। সেটা হলো ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক পরিবেশ।’
নির্বাচিত হলে তারা সব ছাত্র সংগঠনকে একটি চুক্তির আওতায় এনে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের অবসান ঘটাবেন এবং ভিন্ন মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন নিশ্চিত করবেন বলে জানান রাতুল।
রাতুল আরও বলেন, ‘আমরা নির্বাচিত হলে রকসুর ক্ষমতার পূর্ণ ব্যাবহারের চেষ্টা করব। ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর প্রণোদনা ও বিকাশে সাহায্য করব।’
প্রচারণায় বড় কোনো বাধার সম্মুখীন না হলেও কিছু সংগঠনের অর্থের ব্যবহারকে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নষ্টের কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি। পূজার ছুটির মধ্যে নির্বাচনের তারিখ পড়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে প্যানেলটি। রাতুল বলেন, ‘আমাদের কিন্তু অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর মতো রিজার্ভ ভোট নেই। আমদের শক্তি হলো সাধারণ শিক্ষার্থী। তারা চলে গেলে আমরা অসম প্রতিযোগিতায় পড়ে যাব।’
নির্বাচিত না হলেও অতীতের মতোই শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সক্রিয় থাকবেন বলে জানান ফুয়াদ রাতুল।
ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ নির্বাচিত হলে খাবার, পানি থেকে শুরু করে গবেষণা খাত পর্যন্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
স্ট্রিমকে জাহিদ বলেন, ‘যদিও সবকিছু এক বছরে করা সম্ভব না, তবুও আমরা প্রশাসনকে চাপ দিয়ে ১০ বছরের একটা রোডম্যাপ তৈরি করে সেটা মেইনটেইন এর চেষ্টা করব।’ তিনি আরও জানান, তাদের প্যানেলে নারী, সংখ্যালঘু এবং সাংস্কৃতিক কর্মীরাও সমানভাবে স্থান পেয়েছেন।
জাহিদ বলেন, ‘আমি যদি নির্বাচিত হই, তবে আমি শুধু একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ভিপি হব না। বরং মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবার ভিপি হব।’
তার মতে, এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে শিবিরকে নিয়ে থাকা ভুল ধারণা ভেঙে যাবে।
‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী ও সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব স্ট্রিমকে জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সাংস্কৃতিক—কোনো ধরনের আধিপত্য তাঁরা দেখতে চান না। এই লক্ষ্যেই সমমনা শিক্ষার্থী অ্যাকটিভিস্ট, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের নিয়ে তাদের প্যানেল গঠিত হয়েছে।
ইশেতেহার সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘রাকসুর সময়সীমা মাত্র এক বছর। এই এক বছর সময়ে আমি আহামরি ইশতেহারে বিশ্বাসী নই।’ তিনি বরং বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চান বলে জানান।
শারীরিক অসুস্থতার কারণে প্রচারণায় অংশ নিতে না পারলেও শীঘ্রই সুস্থ হয়ে সবার মধ্যে ফেরার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। নির্বাচিত না হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
রাকসুর ৬৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী হিসেবে ‘সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাসীন খান। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের “সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ” প্যানেল রাকসুকে একটি দলনিরপেক্ষ, নৈতিক এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ শিক্ষার্থী নেতৃত্বের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিতে গঠিত হয়েছে।’
তাসীন খানদের প্যানেল নির্বাচিত হলে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে—একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন, ‘রিসার্চ অ্যান্ড ইমপ্যাক্ট’ দপ্তর গঠন, ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল সল্যুশন, নতুন হল নির্মাণ ও খাবারে ভর্তুকি, সিনেটের মাধ্যমে উপাচার্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ ইত্যাদি।
তাসীন জানান, তাঁরা কোনো রাজনৈতিক দল থেকে আসেননি এবং ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনাও তাঁদের নেই, ফলে তাঁদের সিদ্ধান্তে দলীয় প্রভাবের কোনো সম্ভাবনা নেই। সাংগঠনিক সমর্থন ও ফান্ড ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানোকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি। নির্বাচিত না হলেও শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে এবং নির্বাচিতদের জন্য ‘প্রেসার গ্রুপ’ হিসেবে কাজ করে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

‘রাজনীতি যাই করি কাকে ভোট দিবো তা নিয়ে এখনও সন্দিহান রয়েছি। ধরেন, আগে এখানে বিএনপির দুই জন প্রার্থী ছিল। এখন সেটা বাদ দিয়ে নতুন একজন আসছে। আবার স্বতন্ত্র যিনি আছেন তিনিও এই এলাকার সন্তান। জামায়াতের প্রার্থীও ভালো ভূমিকা রাখছে। এ কারণে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।’
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি দল কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা করছে, এটি প্রতিরণার প্যাকেজ। বাংলাদেশের সংকট এখন ফ্যামিলি কার্ড না, বাংলাদেশের সংকট এখন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদকে কারও ঘাড়ে ভর করে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৮ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম আদিবের নির্বাচনী সভায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপি।
৬ ঘণ্টা আগে