সংরক্ষিত আসন
স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীতিদের মধ্যে ১৭ নেতা কোটিপতি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীতে এমন নেতা আছেন একজন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামা অনুযায়ী বিএনপির কোটিপতি প্রার্থী হলেন– সেলিমা রহমান, শওকত আরা আক্তার, ফাহিমা নাসরিন, জহরত আদিব চৌধুরী, বীথিকা বিনতে হোসাইন, ফেরদৌসী আহমেদ, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, আন্না মিনজ, সুলতানা আহমেদ, সানজিদা ইসলাম, মোছা. সাবিরা সুলতানা, মাহমুদা হাবীবা, নিপুণ রায় চৌধুরী, হেলেন জেরিন খান, রেহেনা আক্তার রানু, রাশেদা বেগম হীরা ও শিরীন সুলতানা। আর জামায়াতের একমাত্র কোটিপতি প্রার্থী হলেন সাবিকুন্নাহার।
এই ১৮ প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক ৮৫ বছর বয়সী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান। হলফনামায় তিনি ৬ কোটি ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩৭ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। সেলিমার বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ টাকার বেশি, যা তিনি বাড়িভাড়া, শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে পান। কোটিপতিদের মধ্যে কম সম্পদ ৫০ বছর বয়সী সাবিরা সুলতানার, ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা। তাঁর বার্ষিক আয় ১৫ লাখ টাকা।
৫৯ বছর বয়সী শিরীন সুলতানার সম্পদ ৪ কোটি সাড়ে ৬ লাখ টাকার বেশি, বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। ৬৯ বছর বয়সী রাশেদা বেগমের সম্পদ দেড় কোটি টাকার, বার্ষিক আয় ২৫ লাখ টাকার বেশি। ৫৭ বছর বয়সী রেহেনা আক্তার রানুর সম্পদ প্রায় ৩ কোটি টাকা। ৫৭ বছর বয়সী হেলেন জেরিন খানের সম্পদ ৬ কোটি টাকার বেশি, বার্ষিক আয় প্রায় ৩৭ লাখ টাকা।
৩৯ বছর বয়সী নিপুণ রায় চৌধুরীর বার্ষিক আয় সাড়ে ৩০ লাখ টাকা। মোট সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। ৫৩ বছর বয়সী মাহমুদা হাবীবার সম্পদ ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, বার্ষিক আয় প্রায় ৬ লাখ টাকা। ৪৩ বছর বয়সী সানজিদা ইসলামের সম্পদ ২ কোটি ১৩ লাখ টাকা, বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। ৬২ বছর বয়সী সুলতানা আহমেদের সম্পদ সাড়ে ৫ কোটি টাকা, বার্ষিক আয় ৯৬ লাখ টাকা।
৬৪ বছর বয়সী আন্না মিনজের বার্ষিক আয় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা। আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন
৩ কোটি ৮ লাখ টাকা। ৬৬ বছর বয়সী শামীম আরা বেগম স্বপ্নার ৪ কোটি, ৫২ বছর বয়সী ফেরদৌসী আহমেদের ১ কোটি ৮১ লাখ, ৪৬ বছর বয়সী বীথিকা বিনতে হোসাইনের ২ কোটি ১২ লাখ, ৪৩ বছর বয়সী জহরত আদিব চৌধুরীর ৩ কোটি ৯৬ লাখ, ৬৩ বছর বয়সী ফাহিমা নাসরিনের ২ কোটি ৮৩ লাখ, ৪৯ বছর বয়সী শওকত আরা আক্তারের ২ কোটি এবং ৫৩ বছর বয়সী জামায়াতের প্রার্থী সাবিকুন্নাহারের সম্পদ ১ কোটি ৩৮ লাখ, বার্ষিক আয় প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
এর বাইরে বিএনপির ১৯ ও জামায়াতের ১১ প্রার্থী হলফনামায় লাখ টাকার আয় এবং সম্পত্তি দেখিয়েছেন। সংসদের সাধারণ আসনের অনুপাতে বিএনপি জোট ৩৬, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য ১৩ ও স্বতন্ত্র সদস্যদের জোট একটি আসন পাচ্ছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা মনিরা শারমিন শেষ পর্যন্ত প্রার্থিতা ফিরে না পেলে ১১-দলীয় ঐক্যের একটি আসন উন্মুক্ত হয়ে, নির্বাচন হবে।

ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীতিদের মধ্যে ১৭ নেতা কোটিপতি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীতে এমন নেতা আছেন একজন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামা অনুযায়ী বিএনপির কোটিপতি প্রার্থী হলেন– সেলিমা রহমান, শওকত আরা আক্তার, ফাহিমা নাসরিন, জহরত আদিব চৌধুরী, বীথিকা বিনতে হোসাইন, ফেরদৌসী আহমেদ, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, আন্না মিনজ, সুলতানা আহমেদ, সানজিদা ইসলাম, মোছা. সাবিরা সুলতানা, মাহমুদা হাবীবা, নিপুণ রায় চৌধুরী, হেলেন জেরিন খান, রেহেনা আক্তার রানু, রাশেদা বেগম হীরা ও শিরীন সুলতানা। আর জামায়াতের একমাত্র কোটিপতি প্রার্থী হলেন সাবিকুন্নাহার।
এই ১৮ প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক ৮৫ বছর বয়সী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান। হলফনামায় তিনি ৬ কোটি ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩৭ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। সেলিমার বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ টাকার বেশি, যা তিনি বাড়িভাড়া, শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে পান। কোটিপতিদের মধ্যে কম সম্পদ ৫০ বছর বয়সী সাবিরা সুলতানার, ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা। তাঁর বার্ষিক আয় ১৫ লাখ টাকা।
৫৯ বছর বয়সী শিরীন সুলতানার সম্পদ ৪ কোটি সাড়ে ৬ লাখ টাকার বেশি, বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। ৬৯ বছর বয়সী রাশেদা বেগমের সম্পদ দেড় কোটি টাকার, বার্ষিক আয় ২৫ লাখ টাকার বেশি। ৫৭ বছর বয়সী রেহেনা আক্তার রানুর সম্পদ প্রায় ৩ কোটি টাকা। ৫৭ বছর বয়সী হেলেন জেরিন খানের সম্পদ ৬ কোটি টাকার বেশি, বার্ষিক আয় প্রায় ৩৭ লাখ টাকা।
৩৯ বছর বয়সী নিপুণ রায় চৌধুরীর বার্ষিক আয় সাড়ে ৩০ লাখ টাকা। মোট সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। ৫৩ বছর বয়সী মাহমুদা হাবীবার সম্পদ ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, বার্ষিক আয় প্রায় ৬ লাখ টাকা। ৪৩ বছর বয়সী সানজিদা ইসলামের সম্পদ ২ কোটি ১৩ লাখ টাকা, বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। ৬২ বছর বয়সী সুলতানা আহমেদের সম্পদ সাড়ে ৫ কোটি টাকা, বার্ষিক আয় ৯৬ লাখ টাকা।
৬৪ বছর বয়সী আন্না মিনজের বার্ষিক আয় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা। আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখিয়েছেন
৩ কোটি ৮ লাখ টাকা। ৬৬ বছর বয়সী শামীম আরা বেগম স্বপ্নার ৪ কোটি, ৫২ বছর বয়সী ফেরদৌসী আহমেদের ১ কোটি ৮১ লাখ, ৪৬ বছর বয়সী বীথিকা বিনতে হোসাইনের ২ কোটি ১২ লাখ, ৪৩ বছর বয়সী জহরত আদিব চৌধুরীর ৩ কোটি ৯৬ লাখ, ৬৩ বছর বয়সী ফাহিমা নাসরিনের ২ কোটি ৮৩ লাখ, ৪৯ বছর বয়সী শওকত আরা আক্তারের ২ কোটি এবং ৫৩ বছর বয়সী জামায়াতের প্রার্থী সাবিকুন্নাহারের সম্পদ ১ কোটি ৩৮ লাখ, বার্ষিক আয় প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
এর বাইরে বিএনপির ১৯ ও জামায়াতের ১১ প্রার্থী হলফনামায় লাখ টাকার আয় এবং সম্পত্তি দেখিয়েছেন। সংসদের সাধারণ আসনের অনুপাতে বিএনপি জোট ৩৬, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য ১৩ ও স্বতন্ত্র সদস্যদের জোট একটি আসন পাচ্ছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা মনিরা শারমিন শেষ পর্যন্ত প্রার্থিতা ফিরে না পেলে ১১-দলীয় ঐক্যের একটি আসন উন্মুক্ত হয়ে, নির্বাচন হবে।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে