স্পোর্টস ডেস্ক

ডারউইন টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়কে যেকোনো ফরম্যাটে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে অভিহিত করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই যেকোনো সংস্করণে এটিই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় জয়। ভবিষ্যতে আমরা আরও বিশেষ কিছু করব।’
তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরির প্রশংসা করে শান্ত বলেন, ‘হোয়াইট বল বা সীমিত সংস্করণের ক্রিকেটে সে সব সময় আক্রমণাত্মক খেলে। কিন্তু এই টেস্টে সে নিজের চরিত্র দেখিয়েছে, খুব শান্ত থেকে বলের মান বিচার করে খেলেছে। টপ অর্ডার ব্যাটার হিসেবে দলের জন্য যে প্রভাব ফেলা দরকার, সে এই ম্যাচে ঠিক সেটাই করে দেখিয়েছে।’
পেস বোলারদের সাম্প্রতিক উন্নতি নিয়ে শান্ত বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। পাঁচ-ছয় বছর আগেও পেস বোলাররা টেস্ট খেলতে চাইত না, কারণ আমরা যথেষ্ট খেলার সুযোগ পেতাম না। কিন্তু গত দুই-তিন বছর ধরে অনেক টেস্ট খেলছি এবং আমরা এই ফরম্যাটকে গুরুত্ব দিচ্ছি। দলে থাকা সিনিয়র খেলোয়াড়রা তরুণদের টেস্টে ভালো করতে অনেক উৎসাহিত করেন।’
ম্যাকাইতে পরের টেস্ট প্রসঙ্গে শান্ত জানান, ডারউইনের মতো সেখানেও সেশন বাই সেশন পাঁচ দিন ভালোভাবে খেলতে চায় বাংলাদেশ।
অন্যদিকে হারের পর নিজেদের ভুল স্বীকার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তিনি বলেন, ‘কোনো অজুহাত নেই, বাংলাদেশ সত্যিই খুব ভালো খেলেছে। তারা সব বিভাগেই আমাদের হারিয়েছে। একবার পিছিয়ে পড়ার পর আর ম্যাচে ফিরতে পারিনি আমরা।’
প্রথম দিনের ব্যাটিং বিপর্যয়কে হারের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে কামিন্স বলেন, আমাদের আরও লম্বা সময় ব্যাটিং করা উচিত ছিল। পরের টেস্টে এসব ভুল শুধরে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা প্রকাশ করেন কামিন্স।

ডারউইন টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়কে যেকোনো ফরম্যাটে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে অভিহিত করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই যেকোনো সংস্করণে এটিই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় জয়। ভবিষ্যতে আমরা আরও বিশেষ কিছু করব।’
তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরির প্রশংসা করে শান্ত বলেন, ‘হোয়াইট বল বা সীমিত সংস্করণের ক্রিকেটে সে সব সময় আক্রমণাত্মক খেলে। কিন্তু এই টেস্টে সে নিজের চরিত্র দেখিয়েছে, খুব শান্ত থেকে বলের মান বিচার করে খেলেছে। টপ অর্ডার ব্যাটার হিসেবে দলের জন্য যে প্রভাব ফেলা দরকার, সে এই ম্যাচে ঠিক সেটাই করে দেখিয়েছে।’
পেস বোলারদের সাম্প্রতিক উন্নতি নিয়ে শান্ত বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। পাঁচ-ছয় বছর আগেও পেস বোলাররা টেস্ট খেলতে চাইত না, কারণ আমরা যথেষ্ট খেলার সুযোগ পেতাম না। কিন্তু গত দুই-তিন বছর ধরে অনেক টেস্ট খেলছি এবং আমরা এই ফরম্যাটকে গুরুত্ব দিচ্ছি। দলে থাকা সিনিয়র খেলোয়াড়রা তরুণদের টেস্টে ভালো করতে অনেক উৎসাহিত করেন।’
ম্যাকাইতে পরের টেস্ট প্রসঙ্গে শান্ত জানান, ডারউইনের মতো সেখানেও সেশন বাই সেশন পাঁচ দিন ভালোভাবে খেলতে চায় বাংলাদেশ।
অন্যদিকে হারের পর নিজেদের ভুল স্বীকার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তিনি বলেন, ‘কোনো অজুহাত নেই, বাংলাদেশ সত্যিই খুব ভালো খেলেছে। তারা সব বিভাগেই আমাদের হারিয়েছে। একবার পিছিয়ে পড়ার পর আর ম্যাচে ফিরতে পারিনি আমরা।’
প্রথম দিনের ব্যাটিং বিপর্যয়কে হারের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে কামিন্স বলেন, আমাদের আরও লম্বা সময় ব্যাটিং করা উচিত ছিল। পরের টেস্টে এসব ভুল শুধরে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা প্রকাশ করেন কামিন্স।
.png)
-6ddfc3.jpeg)
খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, টেস্ট ক্রিকেটে সেরা জয়ের তালিকা তৈরি করা বাংলাদেশের জন্য খুব একটা কঠিন ছিল না। ২০১৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত টেস্টে ১৬ বছরের পথচলায় বাংলাদেশের জয় ছিল মাত্র সাতটি। কিন্তু পরের ১০ বছরে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ২৮। ২০০০ সালের নভেম্বরে দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করা
৪ মিনিট আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের পর দলের পারফরম্যান্স ও মানসিকতার প্রশংসা করেছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। ফক্স স্পোর্টসকে দেওয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিরাজ বলেন, ‘অসাধারণ মুহূর্ত। দীর্ঘদিন পর আমরা অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে এসেছি। পুরো দল যেভাবে খেলেছে, তা আমাদের প্রকৃত চরিত্র ফ
১ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। টানা ১১ সেশনজুড়ে আধিপত্য বজায় রেখে ম্যাচের চতুর্থ দিনেই জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে জেতার জন্য মাত্র ৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। ইনিংসের ১৫তম ওভারের দ
৩ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। ঐতিহাসিক জয়ের জন্য মাত্র ৫৭ রানের লক্ষ্য পেয়েছে টাইগাররা। চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনে অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণি এবং হাসান মাহমুদের পেস তোপে স্বাগতিকদের প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। ৯৫.১ ওভারে মিরাজের বলে নাথান লায়ন (১৫)