স্ট্রিম প্রতিবেদক

ম্যাচ শেষে আটলান্টার গ্যালারিতে যখন ইংলিশ খেলোয়াড়েরা সমর্থকদের সঙ্গে গান ধরলেন, তখন সবচেয়ে উজ্জ্বল যাঁর মুখ— তিনি হ্যারি কেইন। সেই হাসিতে শুধু আনন্দ নয়, ছিল স্বস্তি। যেন দীর্ঘদিনের একটা ভার নামল কাঁধ থেকে।
কারণটা সহজ। ৬০ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথমে গোল খেয়ে আর ম্যাচ জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। বুধবার (১ জুলাই) সেই অভিশাপ ভাঙলেন কেইন। তার জোড়া গোলেই ডিআর কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।
কিন্তু শুরুটা মোটেও এমন ছিল না।
সপ্তম মিনিটেই ইংলিশ ডিফেন্ডারদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন কঙ্গোর উইঙ্গার ব্রায়ান সিপেঙ্গা। তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে পরাস্ত হন ইংলিশ গোলরক্ষক পিকফোর্ড। গ্যালারি স্তব্ধ। টমাস টুখেল তখন রাগে উদাস চোখে তার ডিফেন্ডারদের দিকে তাকিয়ে আছেন, দৃষ্টিতে অবিশ্বাস।
এরপর পুরো প্রথমার্ধ ধরে কঙ্গোর দুর্ভেদ্য লো-ব্লক ডিফেন্সের সামনে বারবার হোঁচট খেয়েছে ইংল্যান্ড। বেলিংহামের হেড, রাশফোর্ডের শট— সব আটকে দিয়েছেন গোলরক্ষক এমপাসি। ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হয় থ্রি লায়ন্সদের। টুখেলের মুখভঙ্গি বলে দিচ্ছিল, এটি তাঁর কোচিং জীবনের অন্যতম কঠিন বিরতি।
দ্বিতীয়ার্ধে ইংলিশরা যেন নতুন দল নামল। ৬১ মিনিটে রাশফোর্ড ও মাদুয়েকের জায়গায় মাঠে নামলেন সাকা ও অ্যান্থনি গর্ডন। আর তাতেই বদলে গেল ম্যাচের ছবি। ৭৫ মিনিটে গর্ডনের নিখুঁত ডেলিভারি, কয়েক গজ দূর থেকে হেড করলেন কেইন। অবশেষে জালের দেখা পেল ইংল্যান্ড। সমতা ফেরার মধ্য দিয়ে ইংল্যান্ড যেন শ্বাস-প্রশ্বাস ফিরে পেল।
তারপর আসে সেই মুহূর্ত। ৮৬ মিনিটে আবার গর্ডনের অ্যাসিস্ট। কেইন বলটা নিয়ন্ত্রণ করলেন, সামান্য জায়গা তৈরি করলেন, তারপর ডান পায়ের দারুণ গতির এক শটে কঙ্গোর গোলবারের টপ কর্নার খুঁজে নিলেন। ২-১। উল্লাসে ফেটে পড়ল গ্যালারি। এই বিশ্বকাপে কেইনের এটি পঞ্চম গোল, বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে ১৩তম। বিশ্বকাপ ও ইউরোর মতো বড় টুর্নামেন্টে তার গোলসংখ্যা এখন ২০। এই তালিকায় সর্বোচ্চ ২৪ গোল নিয়ে শীর্ষে রোনালদো।
ইংল্যান্ডের মতো বড় দলগুলো যখন খেই হারিয়ে বসে, তখন কাউকে না কাউকে জ্বলে উঠতে হয়, দায়িত্ব নিতে হয়। আটলান্টায় সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন হ্যারি কেইন। তার কাঁধে চড়েই তো নকআউটের প্রথম বাধা টপকে গেলো ইংলিশরা। আগামী সোমবার (৬ জুলাই) শেষ ষোলোয় মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে থ্রি লায়ন্সরা।

ম্যাচ শেষে আটলান্টার গ্যালারিতে যখন ইংলিশ খেলোয়াড়েরা সমর্থকদের সঙ্গে গান ধরলেন, তখন সবচেয়ে উজ্জ্বল যাঁর মুখ— তিনি হ্যারি কেইন। সেই হাসিতে শুধু আনন্দ নয়, ছিল স্বস্তি। যেন দীর্ঘদিনের একটা ভার নামল কাঁধ থেকে।
কারণটা সহজ। ৬০ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথমে গোল খেয়ে আর ম্যাচ জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। বুধবার (১ জুলাই) সেই অভিশাপ ভাঙলেন কেইন। তার জোড়া গোলেই ডিআর কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।
কিন্তু শুরুটা মোটেও এমন ছিল না।
সপ্তম মিনিটেই ইংলিশ ডিফেন্ডারদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন কঙ্গোর উইঙ্গার ব্রায়ান সিপেঙ্গা। তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে পরাস্ত হন ইংলিশ গোলরক্ষক পিকফোর্ড। গ্যালারি স্তব্ধ। টমাস টুখেল তখন রাগে উদাস চোখে তার ডিফেন্ডারদের দিকে তাকিয়ে আছেন, দৃষ্টিতে অবিশ্বাস।
এরপর পুরো প্রথমার্ধ ধরে কঙ্গোর দুর্ভেদ্য লো-ব্লক ডিফেন্সের সামনে বারবার হোঁচট খেয়েছে ইংল্যান্ড। বেলিংহামের হেড, রাশফোর্ডের শট— সব আটকে দিয়েছেন গোলরক্ষক এমপাসি। ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হয় থ্রি লায়ন্সদের। টুখেলের মুখভঙ্গি বলে দিচ্ছিল, এটি তাঁর কোচিং জীবনের অন্যতম কঠিন বিরতি।
দ্বিতীয়ার্ধে ইংলিশরা যেন নতুন দল নামল। ৬১ মিনিটে রাশফোর্ড ও মাদুয়েকের জায়গায় মাঠে নামলেন সাকা ও অ্যান্থনি গর্ডন। আর তাতেই বদলে গেল ম্যাচের ছবি। ৭৫ মিনিটে গর্ডনের নিখুঁত ডেলিভারি, কয়েক গজ দূর থেকে হেড করলেন কেইন। অবশেষে জালের দেখা পেল ইংল্যান্ড। সমতা ফেরার মধ্য দিয়ে ইংল্যান্ড যেন শ্বাস-প্রশ্বাস ফিরে পেল।
তারপর আসে সেই মুহূর্ত। ৮৬ মিনিটে আবার গর্ডনের অ্যাসিস্ট। কেইন বলটা নিয়ন্ত্রণ করলেন, সামান্য জায়গা তৈরি করলেন, তারপর ডান পায়ের দারুণ গতির এক শটে কঙ্গোর গোলবারের টপ কর্নার খুঁজে নিলেন। ২-১। উল্লাসে ফেটে পড়ল গ্যালারি। এই বিশ্বকাপে কেইনের এটি পঞ্চম গোল, বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে ১৩তম। বিশ্বকাপ ও ইউরোর মতো বড় টুর্নামেন্টে তার গোলসংখ্যা এখন ২০। এই তালিকায় সর্বোচ্চ ২৪ গোল নিয়ে শীর্ষে রোনালদো।
ইংল্যান্ডের মতো বড় দলগুলো যখন খেই হারিয়ে বসে, তখন কাউকে না কাউকে জ্বলে উঠতে হয়, দায়িত্ব নিতে হয়। আটলান্টায় সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন হ্যারি কেইন। তার কাঁধে চড়েই তো নকআউটের প্রথম বাধা টপকে গেলো ইংলিশরা। আগামী সোমবার (৬ জুলাই) শেষ ষোলোয় মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে থ্রি লায়ন্সরা।
.png)
-6ddfc3.jpeg)
খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, টেস্ট ক্রিকেটে সেরা জয়ের তালিকা তৈরি করা বাংলাদেশের জন্য খুব একটা কঠিন ছিল না। ২০১৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত টেস্টে ১৬ বছরের পথচলায় বাংলাদেশের জয় ছিল মাত্র সাতটি। কিন্তু পরের ১০ বছরে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ২৮। ২০০০ সালের নভেম্বরে দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করা
৩৭ মিনিট আগে
ডারউইন টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়কে যেকোনো ফরম্যাটে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে অভিহিত করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই যেকোনো সংস্করণে এটিই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় জয
১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের পর দলের পারফরম্যান্স ও মানসিকতার প্রশংসা করেছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। ফক্স স্পোর্টসকে দেওয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিরাজ বলেন, ‘অসাধারণ মুহূর্ত। দীর্ঘদিন পর আমরা অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে এসেছি। পুরো দল যেভাবে খেলেছে, তা আমাদের প্রকৃত চরিত্র ফ
২ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। টানা ১১ সেশনজুড়ে আধিপত্য বজায় রেখে ম্যাচের চতুর্থ দিনেই জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে জেতার জন্য মাত্র ৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। ইনিংসের ১৫তম ওভারের দ
৪ ঘণ্টা আগে