বাড়ি ফিরে নতুন লড়াইয়ে ফেনীর বন্যাদুর্গতরাবাড়ি ফেরার অবস্থা না থাকায় কিছু লোক এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে দিন পার করছে। ৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও ৮৮ পরিবারের ৩৬৫ মানুষ আছে।
উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজমফেনীতে বাঁধ নির্মাণের ৭ হাজার ৩৪০ কোটির প্রকল্প নেওয়া হয়েছেপ্রাকৃতিক দুর্যোগে সরকারের কিছু করার নেই, তবে দুর্যোগপরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকার প্রস্তুত রয়েছে। ফেনীর মুহুরী নদীর বন্যার সমস্যার সমাধানের জন্য সাত হাজার কোটি টাকা ব্যয় একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এটি অনেক বড় প্রকল্প, দু-এক দিনের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব হবে না। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে
ফেনীর বন্যা পরিস্থিত বৃষ্টি ও নদীর পানি কমলেও প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চলজেলার ৪ উপজেলায় এখন পর্যন্ত ৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন প্রায় ৭ হাজার মানুষ। বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গিয়ে বন্ধ রয়েছে যান চলাচল।
ফুলগাজীর আশ্রয়কেন্দ্র‘মাথার ওঁচে ছাদ থাইকলেই কি ঘর হয়’আশ্রয় নেওয়া এই মানুষদের মতোই উপজেলার ফুলগাজী পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ও মাদ্রাসায় আশ্রয় নিয়েছে শতাধিক পরিবার। গত বছরের বন্যা সুলতানার বাড়িঘর সব নিয়ে গেছে, ভালোবাসা হিসেবে রেখে গেছে একটি পুত্রসন্তান। এবারের বন্যায় সেই সন্তান নিয়ে আশ্রয় নিলেন আশ্রয়কেন্দ্রে।
ফেনীতে ডুবছে নতুন জনপদ, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আতঙ্কসর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জেলার ছাগলনাইয়া, ফেনী সদর উপজেলায় বন্যার পানি বাড়তে শুরু করেছে। ফুলগাজী উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতিতে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। এদিকে পরশুরামের পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।
ফেনীতে ১৫টি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে ৩০ গ্রাম প্লাবিত, আবারো বন্যার আশঙ্কাটানা দুই দিনের বৃষ্টিপাতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় অন্তত ৩০টির বেশি গ্রামের হাজার হাজার পরিবার। পরশুরামের চিথলিয়া এলাকার জাকিয়া আক্তার আক্ষেপ নিয়ে বলেন, ‘গত বছরও বন্যায় সব হারিয়েছি, এবার আবারও একই পরিস্থিতি।’