ভাষাসৈনিক আহমদ রফিকের মৃত্যুতে লেখক ও অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীর স্মৃতিচারণভাষাসৈনিক আহমদ রফিক কিছুক্ষণ আগে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন লেখক ও অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী। এই মহান ভাষাসংগ্রামীর প্রয়াণে স্ট্রিমের শোকাঞ্জলি।
ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক আর নেইচিকিৎসকদের বরাত দিয়ে আহমদ রফিকের দেখাশুনা করার দায়িত্বে থাকা আবুল কালাম স্ট্রিম জানান, বারডেম হাসপাতালে লাইফসাপোর্টে থাকা অবস্থায় আহমদ রফিক আজ রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্ট্রোক করেন। দশটার পর চিকিৎকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের লেখক-উদযাপন তালিকায় একমাত্র জীবিত লেখক শেখ হাসিনাক্ষমতায় বসে অনেক শাসকই ‘লেখক’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। এমন নজির আমাদের দেশেই আছে। ১৯৮৩ সালে সাবেক সামরিক স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণের পর ‘কবি’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। দেশের সরকারি সংবাদপত্রের প্রথম পৃষ্ঠায় কবি-লেখকদের লেখা ছাপার রেওয়াজ ভেঙে বিশেষভাবে ছাপা হয়েছিল তাঁর কবিতা।
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের লেখক-উদযাপন তালিকায় একমাত্র জীবিত লেখক শেখ হাসিনাক্ষমতায় যাওয়ার পরে অনেক শাসকই ‘লেখক’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। এমন নজির আমাদের দেশেও আছে। সাবেক সামরিক স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮৩ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর ‘কবি’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তখন দেশের সরকারি সংবাদপত্রের প্রথম পৃষ্ঠায় বিশেষভাবে ছাপা হয়েছিল তাঁর কবিতা।
বিশ্বের পাঁচটি বিতর্কিত ও নিষিদ্ধ বইকিছু বই আছে, যেগুলো প্রকাশিত হওয়ার পর সমাজ কেঁপে উঠেছিল। যে বইগুলোর জন্ম হয়েছিল বোধ, প্রতিবাদ আর পরিবর্তনের দাবিতে, কিন্তু বাধা পেয়েছিল নিষেধের। কখনো ধর্মের নামে, কখনো রাজনীতির নামে, আবার কখনো রাজনৈতিক স্বার্থে এগুলোকে বিতর্কিত বলে ঘোষনা করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীকে মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতার দায় স্বীকারের আহ্বান ৩২ বিশিষ্ট নাগরিকেরবাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতার দায় স্বীকার করার আহ্বান জানিয়েছেন ৩২ বিশিষ্ট নাগরিক। পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দলটির রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
রবীন্দ্রনাথকে কেন হটানো যায় নাআমরা হয়তো অভিযোগ তুলতে পারি, রবীন্দ্রনাথ আর কিছুই নন—উনিশ শতকের উপনিবেশিত কলকাতার চিত্তদূতমাত্র। জমিদারির অঢেল বিত্তে বেড়ে ওঠাদের দলে তিনিও ছিলেন। তাহলে সে কথা হবে আংশিক সত্য।
ঝুঁকিতে আগাথা ক্রিস্টির ইরাকের বাড়িরহস্য-রোমাঞ্চ ধারার জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক আগাথা ক্রিস্টির জীবনের একটা বড় সময় কেটেছে ইরাকে। রাজধানী বাগদাদের টাইগ্রিস নদীর তীরে মনোরোম একটি বাড়িতে থাকতেন ‘কুইন অব ক্রাইম’ নামে পরিচিত এই লেখিকা।