ভাষাসৈনিক আহমদ রফিকের মৃত্যুতে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের শোকশুক্রবার এক শোকবার্তায় ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, আহমদ রফিক ছিলেন ভাষা আন্দোলনের সাহসী যোদ্ধা। বাংলা ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যু জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
ভাষাসৈনিক আহমদ রফিকের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোকভাষাসৈনিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
ভাষাসৈনিক আহমদ রফিকের মৃত্যুতে লেখক ও অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীর স্মৃতিচারণভাষাসৈনিক আহমদ রফিক কিছুক্ষণ আগে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন লেখক ও অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী। এই মহান ভাষাসংগ্রামীর প্রয়াণে স্ট্রিমের শোকাঞ্জলি।
চলে গেলেন ভাষা আন্দোলনের শেষ সংগ্রামীওরাস্তায় নেমে যখন কেউ দীপ্ত কণ্ঠে গেয়ে ওঠে—‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’, তখন সেই গানের গহিনে তাকালে দেখা যায়, এক প্রবীণ পুরুণ দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁর চোখে আলো নেই, বয়সের ভারে ন্যুজ্ব হয়ে গেছে পিঠ, কিন্তু কণ্ঠে ঠিকই ধ্বনিত হচ্ছে তেজদীপ্ত হুঙ্কার—‘রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই’। তিনি আহমদ রফিক, আমাদ
আহমদ রফিক: ভাষাসৈনিক থেকে সাংস্কৃতিক কর্মীসেই অর্থে আহমদ রফিক সামাজিকভাবে কোনো সম্মানজনক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন না। তাতে খুব-একটা ক্ষতি যে হয়েছে, সেটি আমরা অন্তত মনেও করি না। জার্মান লেখক গেয়র্গ ক্রিস্টফ লিশটেনব্যর্গ বলতেন যে, ‘সম্মানজনক পদের তুলনায় ব্যক্তির সম্মানের গুণ অনেক বেশি মূল্যবান।’
স্বজনহীন ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের শেষ দিনগুলোভাষা সংগ্রামী ও গবেষক আহমদ রফিক আর নেই। আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কেমন ছিল তাঁর জীবনের শেষদিনগুলো?
ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক আর নেইচিকিৎসকদের বরাত দিয়ে আহমদ রফিকের দেখাশুনা করার দায়িত্বে থাকা আবুল কালাম স্ট্রিম জানান, বারডেম হাসপাতালে লাইফসাপোর্টে থাকা অবস্থায় আহমদ রফিক আজ রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্ট্রোক করেন। দশটার পর চিকিৎকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক গুরুতর অসুস্থ, ল্যাবএইডে ভর্তিভাষাসৈনিক, কবি, গবেষক ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক গুরুতর অসুস্থ। তাঁকে রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে ল্যাবএইডে ভর্তি করা হয়েছে।