স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রত্যক্ষ কর ব্যয়ের (ট্যাক্স এক্সপেন্ডিচার) পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ১৩২ কোটি টাকা। এই অঙ্ক দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২.৩৯ শতাংশ এবং ওই অর্থবছরে সংগৃহীত মোট প্রত্যক্ষ করের প্রায় ৯৯ শতাংশ। বিভিন্ন খাতে কর অব্যাহতি, রেয়াত ও বিশেষ হারের কারণে সরকার এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এনবিআর ২০২২-২৩ অর্থবছরের ‘প্রত্যক্ষ কর ব্যয়’ সংক্রান্ত এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। এতে কর অব্যাহতির যৌক্তিকীকরণ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের মুখবন্ধে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এফসিএমএ উল্লেখ করেছেন, “অবকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য কর আদায় অপরিহার্য। তবে কর ব্যয়—যেমন অব্যাহতি, রেয়াত ও ঋণ সুবিধার কারণে রাজস্বের বড় ক্ষতি হয়, যা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।”
চেয়ারম্যান আরও জানান, রাজস্বের ক্ষতি নিরূপণ করা কার্যকর কর প্রশাসন ও নীতি প্রণয়নের জন্য জরুরি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তৈরি করা এই বিশ্লেষণটি কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে এবং রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
এনবিআরের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মোট ১ লাখ ৭ হাজার ১৩২ কোটি টাকার কর ব্যয়ের বড় অংশই করপোরেট আয়কর খাতে। করপোরেট আয়কর ব্যয়ের পরিমাণ ৭৩,৯৮৯ কোটি টাকা, যা মোট কর ব্যয়ের ৬৯ শতাংশ। মূলত ক্ষুদ্রঋণ, সমাজকল্যাণ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং তৈরি পোশাক খাতে এই ছাড় সবচেয়ে বেশি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ব্যক্তিগত আয়কর ব্যয়ের পরিমাণ ৩৩,১৪৩ কোটি টাকা (মোট কর ব্যয়ের ৩১ শতাংশ)। এর বড় অংশই সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের বেতন এবং বিনিয়োগজনিত রেয়াতের সাথে সম্পর্কিত।
প্রতিবেদনে কর অব্যাহতি ব্যবস্থাকে আরও জবাবদিহিমূলক করতে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লক্ষ্যহীন কর অব্যাহতি পর্যায়ক্রমে তুলে দেওয়া এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (সানসেট ক্লজ) প্রণোদনা দেওয়া। এছাড়া কর সুবিধাকে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, গ্রিন ট্রানজিশন, এসএমই উন্নয়ন এবং জেন্ডার সমতার সাথে সরাসরি যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এনবিআর আশা করছে, কর ব্যবস্থার পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়করণ (অটোমেশন) নিশ্চিত হলে ভবিষ্যতে আরও নিখুঁত প্রতিবেদন তৈরি সম্ভব হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রত্যক্ষ কর ব্যয়ের (ট্যাক্স এক্সপেন্ডিচার) পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ১৩২ কোটি টাকা। এই অঙ্ক দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২.৩৯ শতাংশ এবং ওই অর্থবছরে সংগৃহীত মোট প্রত্যক্ষ করের প্রায় ৯৯ শতাংশ। বিভিন্ন খাতে কর অব্যাহতি, রেয়াত ও বিশেষ হারের কারণে সরকার এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এনবিআর ২০২২-২৩ অর্থবছরের ‘প্রত্যক্ষ কর ব্যয়’ সংক্রান্ত এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। এতে কর অব্যাহতির যৌক্তিকীকরণ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের মুখবন্ধে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এফসিএমএ উল্লেখ করেছেন, “অবকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য কর আদায় অপরিহার্য। তবে কর ব্যয়—যেমন অব্যাহতি, রেয়াত ও ঋণ সুবিধার কারণে রাজস্বের বড় ক্ষতি হয়, যা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।”
চেয়ারম্যান আরও জানান, রাজস্বের ক্ষতি নিরূপণ করা কার্যকর কর প্রশাসন ও নীতি প্রণয়নের জন্য জরুরি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তৈরি করা এই বিশ্লেষণটি কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে এবং রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
এনবিআরের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মোট ১ লাখ ৭ হাজার ১৩২ কোটি টাকার কর ব্যয়ের বড় অংশই করপোরেট আয়কর খাতে। করপোরেট আয়কর ব্যয়ের পরিমাণ ৭৩,৯৮৯ কোটি টাকা, যা মোট কর ব্যয়ের ৬৯ শতাংশ। মূলত ক্ষুদ্রঋণ, সমাজকল্যাণ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং তৈরি পোশাক খাতে এই ছাড় সবচেয়ে বেশি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ব্যক্তিগত আয়কর ব্যয়ের পরিমাণ ৩৩,১৪৩ কোটি টাকা (মোট কর ব্যয়ের ৩১ শতাংশ)। এর বড় অংশই সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের বেতন এবং বিনিয়োগজনিত রেয়াতের সাথে সম্পর্কিত।
প্রতিবেদনে কর অব্যাহতি ব্যবস্থাকে আরও জবাবদিহিমূলক করতে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লক্ষ্যহীন কর অব্যাহতি পর্যায়ক্রমে তুলে দেওয়া এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (সানসেট ক্লজ) প্রণোদনা দেওয়া। এছাড়া কর সুবিধাকে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, গ্রিন ট্রানজিশন, এসএমই উন্নয়ন এবং জেন্ডার সমতার সাথে সরাসরি যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এনবিআর আশা করছে, কর ব্যবস্থার পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়করণ (অটোমেশন) নিশ্চিত হলে ভবিষ্যতে আরও নিখুঁত প্রতিবেদন তৈরি সম্ভব হবে।

দেশের শিল্পায়ন ও পর্যটন খাতের প্রসারে মিরসরাইয়ের জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড) এবং টেকনাফের সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে জেটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাবে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে সতর্ক করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ‘সানেম’। তারা বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর বাংলাদেশের অতি-নির্ভরশীলতা দেশের অর্থনীতির জন্য বহুমাত্রিক সংকট তৈরি করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধপরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে জাহাজ দুটি চট্টগ্রামে এসে পৌঁছে।
৯ ঘণ্টা আগে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-ভ্যাট সিস্টেম সংস্কারের জন্য শুক্রবার সকাল থেকে দেড় দিনের বেশি বন্ধ থাকবে। সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন এবং আপডেট সংক্রান্ত কাজের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
১১ ঘণ্টা আগে