হুমায়ূন শফিক

প্রতিবছর বাজেটের মৌসুমে একটি বিতর্ক সামনে চলে আসে—অপ্রদর্শিত অর্থ বা ‘কালো টাকা’ মূল অর্থনীতিতে ফিরিয়ে আনার সুযোগ দেওয়া উচিত কি না। এবারও বাজেটকে ঘিরে শুরু হয়েছে এই আলোচনা।
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়াকে সরকারের পক্ষ থেকে অর্থনীতির চাকা সচল করার একটি কৌশল হিসেবে দেখা হলেও, অর্থনীতিবিদ এবং নাগরিক সমাজের একটি বড় অংশ একে দেখছেন অনৈতিক এবং সৎ করদাতাদের প্রতি বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ হিসেবে।
এ প্রসঙ্গে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, স্বাধীনতার পর প্রায় প্রতিটি সরকার কোনো না কোনো পন্থা অবলম্বন করে ‘অপ্রদর্শিত অর্থ’ বৈধ করার নামে সংবিধানের ২০(২) অনুচ্ছেদ পরিপন্থী এ বিধান অব্যাহত রেখেছে। এক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হয় বিগত কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে। কখনও ‘বিনাপ্রশ্নে’ আবার কখনও বা নিয়মিত করহারের চেয়ে তুলনামূলক কমহারে দুর্নীতিবাজদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক এ অনৈতিক চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করা হয়েছিল। তখনও একইভাবে এ বৈষম্যমূলক বিধান বহাল রাখার পেছনে স্বল্পমেয়াদি আর্থিক লাভ-ক্ষতির খোঁড়া যুক্তি দেওয়া হতো, কিন্তু প্রকৃতার্থে এর ফলে দেশে ‘করফাঁকি’ এবং সৎ ও বৈধ আয়ের ব্যক্তি করদাতাকে নিরুৎসাহিত করার সংস্কৃতিটি ক্রমান্বয়ে দৃঢ়তর হয়েছে।
এই দ্বিমুখী অবস্থানের মধ্যে দাঁড়িয়ে দেশের অর্থনীতি এবং নৈতিকতার ওপর এই সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
অর্থনীতির পরিভাষায় কালো টাকা এবং অপ্রদর্শিত অর্থের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি বৈধ উপায়ে আয় করে কিন্তু কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তা সরকারের কাছে গোপন রাখে, তবে তা ‘অপ্রদর্শিত অর্থ’। অন্যদিকে, ঘুষ, দুর্নীতি, চোরাচালান বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থকে সাধারণত ‘কালো টাকা’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ আগে থেকেই আছে। এবারও আসতে পারে। তবে কী হারে কর নেওয়া হবে বা কোন কাঠামোয় সুবিধা দেওয়া হবে—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’
আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘যদি অর্থের উৎস নিয়ে ভবিষ্যতে তদন্তের ঝুঁকি থাকে, তাহলে কেউ এই সুযোগ নিতে আগ্রহী হবে না। এজন্য পূর্ণ দায়মুক্তি দেওয়ার বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।’
তবে কর নথিতে এই দুই ধরনের অর্থের মধ্যে পার্থক্য করার আইনি জটিলতা থাকায়, কর ছাড়ের সুবিধা মূলত উভয় প্রকার অর্থের জন্যই উন্মুক্ত হয়ে যায় বলে সমালোচকদের দাবি।
এই নীতিমালার সবচেয়ে বড় সমালোচনা হয় নৈতিকতার জায়গা থেকে। সমালোচকদের মতে, এটি কর ব্যবস্থার মৌলিক নীতির পরিপন্থী। একজন সৎ করদাতা যেখানে তার আয়ের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ বা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কর দিচ্ছেন, সেখানে অপ্রদর্শিত অর্থের মালিকরা মাত্র ১৫ শতাংশ বা তার কম কর দিয়ে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ পাচ্ছেন। এটি সৎ নাগরিকদের কর দিতে নিরুৎসাহিত করতে পারে। এছাড়াও অনেকেই মনে করেন, নিয়মিত বিরতিতে এই সুযোগ দেওয়ার ফলে সমাজে এই বার্তা যায় যে, কর ফাঁকি দেওয়া বা অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন করলেও পরে তা সহজে বৈধ করে নেওয়া সম্ভব।
বাংলাদেশের সংবিধানের ২০(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র এমন অবস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করবে যেখানে কেউ অনর্জিত আয় ভোগ করতে না পারে। ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, ঢালাওভাবে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া সংবিধানের এই চেতনার পরিপন্থী।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, এ ধরনের সুযোগ সৎ করদাতাদের নিরুৎসাহিত করে এবং কর ব্যবস্থায় বৈষম্য সৃষ্টি করে।
আবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, কোনোভাবেই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া উচিত না। যারা সৎভাবে টাকা আয় করে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ট্যাক্স দিচ্ছে, এটা তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। যদিও সরকার বলেছে, এবার কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে না। শেস পর্যন্ত কী হয়, তা জানতে বাজেট দেওয়ার আগে পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার ঘটনা নতুন নয়। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সরকারের আমলে একাধিকবার এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই সুযোগ দিয়ে আশানুরূপ রাজস্ব আদায় বা বিনিয়োগ সবসময় সম্ভব হয়নি।
এনবিআরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘ট্যাক্সের জন্য আমরা মাত্র ৭২ হাজার করদাতার হদিস পেয়েছি। কিন্তু করদাতা রয়েছে প্রায় এক কোটি। বাকিরা অপ্রদর্শিত টাকা নিয়ে বসে থাকে, কোনোভাবেই বের করা সম্ভব হয় না। কারণ একজনের ঠিকানা লেখা থাকে সাভার। সেখানেই আমরা যেতে পারি। তার নামে অন্যান্য বাড়ি থাকতে পারে, ব্যাংকে বেনামে টাকা থাকতে পারে বা ক্যাশ থাকতে পারে। সেগুলো বের করা সম্ভব হয় না। এর আগে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও অর্থনীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি।’
জিল্লুর রহমানের মতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ অপ্রদর্শিত অর্থ সাদা করা হয়েছিল, যার একটি বড় অংশ আবাসন খাত ও পুঁজিবাজারে গিয়েছিল। তবে দীর্ঘমেয়াদে তা দেশের বিনিয়োগ কাঠামোতে কোনো কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে পারেনি।
এদিকে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান সম্প্রতি প্রাক-বাজেট আলোচনায় বলেন, আলাদা কোনো বিশেষ স্কিম ছাড়াই বিদ্যমান করহার অনুযায়ী কর দিয়ে যে কেউ অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করতে পারেন। অতীতে দেওয়া বিশেষ সুবিধাগুলো প্রত্যাশিত ফল দেয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আবদুর রহমান খানের ভাষায়, ‘বিগত ৫৪-৫৫ বছরে অনেক বিশেষ স্কিম দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেগুলো হিতে বিপরীত হয়েছে। এতে সৎ করদাতারা নিরুৎসাহিত হন।’

প্রতিবছর বাজেটের মৌসুমে একটি বিতর্ক সামনে চলে আসে—অপ্রদর্শিত অর্থ বা ‘কালো টাকা’ মূল অর্থনীতিতে ফিরিয়ে আনার সুযোগ দেওয়া উচিত কি না। এবারও বাজেটকে ঘিরে শুরু হয়েছে এই আলোচনা।
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়াকে সরকারের পক্ষ থেকে অর্থনীতির চাকা সচল করার একটি কৌশল হিসেবে দেখা হলেও, অর্থনীতিবিদ এবং নাগরিক সমাজের একটি বড় অংশ একে দেখছেন অনৈতিক এবং সৎ করদাতাদের প্রতি বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ হিসেবে।
এ প্রসঙ্গে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, স্বাধীনতার পর প্রায় প্রতিটি সরকার কোনো না কোনো পন্থা অবলম্বন করে ‘অপ্রদর্শিত অর্থ’ বৈধ করার নামে সংবিধানের ২০(২) অনুচ্ছেদ পরিপন্থী এ বিধান অব্যাহত রেখেছে। এক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হয় বিগত কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে। কখনও ‘বিনাপ্রশ্নে’ আবার কখনও বা নিয়মিত করহারের চেয়ে তুলনামূলক কমহারে দুর্নীতিবাজদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক এ অনৈতিক চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করা হয়েছিল। তখনও একইভাবে এ বৈষম্যমূলক বিধান বহাল রাখার পেছনে স্বল্পমেয়াদি আর্থিক লাভ-ক্ষতির খোঁড়া যুক্তি দেওয়া হতো, কিন্তু প্রকৃতার্থে এর ফলে দেশে ‘করফাঁকি’ এবং সৎ ও বৈধ আয়ের ব্যক্তি করদাতাকে নিরুৎসাহিত করার সংস্কৃতিটি ক্রমান্বয়ে দৃঢ়তর হয়েছে।
এই দ্বিমুখী অবস্থানের মধ্যে দাঁড়িয়ে দেশের অর্থনীতি এবং নৈতিকতার ওপর এই সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
অর্থনীতির পরিভাষায় কালো টাকা এবং অপ্রদর্শিত অর্থের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি বৈধ উপায়ে আয় করে কিন্তু কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তা সরকারের কাছে গোপন রাখে, তবে তা ‘অপ্রদর্শিত অর্থ’। অন্যদিকে, ঘুষ, দুর্নীতি, চোরাচালান বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থকে সাধারণত ‘কালো টাকা’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ আগে থেকেই আছে। এবারও আসতে পারে। তবে কী হারে কর নেওয়া হবে বা কোন কাঠামোয় সুবিধা দেওয়া হবে—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’
আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘যদি অর্থের উৎস নিয়ে ভবিষ্যতে তদন্তের ঝুঁকি থাকে, তাহলে কেউ এই সুযোগ নিতে আগ্রহী হবে না। এজন্য পূর্ণ দায়মুক্তি দেওয়ার বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।’
তবে কর নথিতে এই দুই ধরনের অর্থের মধ্যে পার্থক্য করার আইনি জটিলতা থাকায়, কর ছাড়ের সুবিধা মূলত উভয় প্রকার অর্থের জন্যই উন্মুক্ত হয়ে যায় বলে সমালোচকদের দাবি।
এই নীতিমালার সবচেয়ে বড় সমালোচনা হয় নৈতিকতার জায়গা থেকে। সমালোচকদের মতে, এটি কর ব্যবস্থার মৌলিক নীতির পরিপন্থী। একজন সৎ করদাতা যেখানে তার আয়ের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ বা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কর দিচ্ছেন, সেখানে অপ্রদর্শিত অর্থের মালিকরা মাত্র ১৫ শতাংশ বা তার কম কর দিয়ে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ পাচ্ছেন। এটি সৎ নাগরিকদের কর দিতে নিরুৎসাহিত করতে পারে। এছাড়াও অনেকেই মনে করেন, নিয়মিত বিরতিতে এই সুযোগ দেওয়ার ফলে সমাজে এই বার্তা যায় যে, কর ফাঁকি দেওয়া বা অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন করলেও পরে তা সহজে বৈধ করে নেওয়া সম্ভব।
বাংলাদেশের সংবিধানের ২০(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র এমন অবস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করবে যেখানে কেউ অনর্জিত আয় ভোগ করতে না পারে। ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, ঢালাওভাবে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া সংবিধানের এই চেতনার পরিপন্থী।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, এ ধরনের সুযোগ সৎ করদাতাদের নিরুৎসাহিত করে এবং কর ব্যবস্থায় বৈষম্য সৃষ্টি করে।
আবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, কোনোভাবেই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া উচিত না। যারা সৎভাবে টাকা আয় করে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ট্যাক্স দিচ্ছে, এটা তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। যদিও সরকার বলেছে, এবার কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে না। শেস পর্যন্ত কী হয়, তা জানতে বাজেট দেওয়ার আগে পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার ঘটনা নতুন নয়। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সরকারের আমলে একাধিকবার এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই সুযোগ দিয়ে আশানুরূপ রাজস্ব আদায় বা বিনিয়োগ সবসময় সম্ভব হয়নি।
এনবিআরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘ট্যাক্সের জন্য আমরা মাত্র ৭২ হাজার করদাতার হদিস পেয়েছি। কিন্তু করদাতা রয়েছে প্রায় এক কোটি। বাকিরা অপ্রদর্শিত টাকা নিয়ে বসে থাকে, কোনোভাবেই বের করা সম্ভব হয় না। কারণ একজনের ঠিকানা লেখা থাকে সাভার। সেখানেই আমরা যেতে পারি। তার নামে অন্যান্য বাড়ি থাকতে পারে, ব্যাংকে বেনামে টাকা থাকতে পারে বা ক্যাশ থাকতে পারে। সেগুলো বের করা সম্ভব হয় না। এর আগে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও অর্থনীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি।’
জিল্লুর রহমানের মতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ অপ্রদর্শিত অর্থ সাদা করা হয়েছিল, যার একটি বড় অংশ আবাসন খাত ও পুঁজিবাজারে গিয়েছিল। তবে দীর্ঘমেয়াদে তা দেশের বিনিয়োগ কাঠামোতে কোনো কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে পারেনি।
এদিকে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান সম্প্রতি প্রাক-বাজেট আলোচনায় বলেন, আলাদা কোনো বিশেষ স্কিম ছাড়াই বিদ্যমান করহার অনুযায়ী কর দিয়ে যে কেউ অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করতে পারেন। অতীতে দেওয়া বিশেষ সুবিধাগুলো প্রত্যাশিত ফল দেয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আবদুর রহমান খানের ভাষায়, ‘বিগত ৫৪-৫৫ বছরে অনেক বিশেষ স্কিম দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেগুলো হিতে বিপরীত হয়েছে। এতে সৎ করদাতারা নিরুৎসাহিত হন।’
.png)

পণ্য উৎপাদনে ‘জোরপূর্বক শ্রম’ বন্ধে ব্যর্থতায় নতুন করে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এতে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক নির্ধারণে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ।
৯ ঘণ্টা আগে
এন্টারপ্রাইজ বেইজড ট্রেনিং (ইবিটি) কর্মসূচির অধীনে প্রশিক্ষণ নেওয়া ২ হাজার ৩২৮ জনকে সনদ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানে তাদের এই সনদ দেওয়া হয়। বিজিএমইএ ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত অ্যাসেট যৌথভাবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের তৈরি পোশাক, বস্ত্র, চামড়া ও ওষুধশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে রাসায়নিক ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি কার্যকর জাতীয় রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও শিল্পসংশ্লিষ্টরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
গ্যাস সংকটে গৃহিণীরা চুলা জ্বালতে পারছেন না। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাত জেগে রান্না সারছেন। এদিকে, নিত্যপণ্যের বাজারে যেন আগুন লেগেছে। টানা বর্ষণ ও বন্যার প্রভাবে সরবরাহ সংকটে ক্রেতার নাভিশ্বাস। ৮০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি।
১৪ ঘণ্টা আগে